সেরা শিশু সার্জন - চট্টগ্রাম

পেটব্যথাটা জায়গা বদলেছে। বাড়িতে বসে থাকবেন না।

কাল সাত বছরের ছেলেটা নাভির চারপাশে ব্যথার কথা বলেছিল। আপনি ভাবলেন, খাবারে কিছু গন্ডগোল হয়েছে। রাতে সে খেতেই চাইল না, অথচ এমনটা ওর স্বভাব নয়।

আজ সকালে ব্যথাটা সরে গেছে। এখন ডানদিকের নিচের পেটে, সঙ্গে জ্বরও এসেছে। বাথরুমে যাওয়ার সময় ও একটু কুঁজো হয়ে হাঁটছে, পেটটা ধরে ধরে।

এভাবে সরে যাওয়া ব্যথায় সার্জন দেখাতে হয় আজই। আগামীকাল নয়, জ্বর কমা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও নয়। বাচ্চাদের পেটের সমস্যা দ্রুত জটিল হতে পারে, প্রথম ঘণ্টাগুলোই তখন দামি।

সার্জন আলতো হাতে পেটটা অনুভব করবেন, ঠিক কোথায় সবচেয়ে বেশি ব্যথা, জিজ্ঞেস করবেন। জ্বর মাপা হবে, কখনো সাধারণ কিছু রক্ত পরীক্ষাও লাগতে পারে। সার্জন যেসব বিষয় খতিয়ে দেখবেন, তার একটা হলো অ্যাপেন্ডিসাইটিস, অর্থাৎ ফুলে ওঠা অ্যাপেন্ডিক্স। তবে ব্যথাটা আসলে কী কারণে, তা পরীক্ষা ছাড়া বলা যায় না।

নিজে যাচাই করতে গিয়ে ব্যথার জায়গায় জোরে চাপ দেবেন না। সকালটা ঘরোয়া টোটকায় নষ্টও করবেন না। সোজা নিয়ে আসুন। চট্টগ্রামে শিশু সার্জন খুঁজলে এখনই যান, ছবিটা পরিষ্কার থাকতেই।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

কেন এটা আগামীকাল পর্যন্ত ফেলা যাবে না

বাচ্চার পেটব্যথা মানেই সবসময় জরুরি অবস্থা নয়। কিন্তু যে ব্যথা জায়গা বদলে ডানদিকের নিচে এসে থামে, সঙ্গে জ্বর থাকে, সেই ধরনটা সার্জনরা গুরুত্ব দিয়ে দেখেন।

এই ধরনের পেছনে থাকা কোনো কোনো কারণ প্রতি ঘণ্টা অপেক্ষায় আরও খারাপ হয়। আজ যেটা সহজে সামলানো যেত, কাল সেটা অনেক জটিল হয়ে উঠতে পারে। সেদিনই যাওয়ার কারণটা এতটাই সোজা।

যাওয়ার আগে নিশ্চিত হওয়ার দরকার নেই। দ্বিধা থাকাটাই যথেষ্ট কারণ। পরীক্ষাটা আছে এইজন্যই, ব্যথাটা কীসের, তা আলাদা করে বের করা। আর বাড়িতে বসে অবস্থা বদলে যাওয়ার আগেই পরীক্ষাটা সবচেয়ে ভালো কাজ করে।

সার্জন যা যা করবেন

শুরুতে সার্জন আপনার কথা শুনবেন। ব্যথা কখন শুরু হলো? প্রথমে কোথায় ছিল, এখন কোথায়? খাওয়া হয়েছে কিনা, বমি হয়েছে কিনা, পায়খানা স্বাভাবিক কিনা।

তারপর আসে আলতো পরীক্ষার অংশ। সার্জন নরম হাতে পেটটা অনুভব করেন, পেটের দিকে যতটা, ওর মুখের দিকেও ততটা খেয়াল থাকে। জ্বর মাপা হয়। শরীরের ভেতরে সংক্রমণের কোনো সংকেত আছে কিনা দেখতে কখনো রক্ত পরীক্ষাও করা হয়।

ব্যথার ওষুধ দেওয়ার আগে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন, কারণ ওষুধ ব্যথা কমিয়ে দিলে সার্জনের হাতে অনুভব করার বিষয়গুলো আড়াল হয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে ওষুধ দেওয়া হয়ে গেলে সত্যি করে বলুন, কখন দিয়েছেন তাও। পরীক্ষায় যা পাওয়া যাচ্ছে, তা ঠিকমতো বিচার করতে সার্জনের সুবিধা হয়।

অপারেশনের পরামর্শ এলে

সার্জন অপারেশনের কথা বললেও সম্মতি দেওয়ার আগে প্রশ্ন করতে পারেন। ব্যথার কারণ হিসেবে সার্জন কী ভাবছেন, জিজ্ঞেস করুন। অপারেশনটা কী কাজে লাগবে, তাও জানুন। অপেক্ষা করলে কী হবে, সেটাও জিজ্ঞেস করুন।

দিনটা নিয়েও জেনে নিন। অপারেশনের সময় ওকে কীভাবে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়, সেরে উঠতে সাধারণত কেমন হয়, দলটি বুঝিয়ে দেবে। ভয়ের দিনেও সোজা একটা পরিকল্পনা জানা থাকলে বেশিরভাগ বাবা-মায়ের মন শান্ত হয়।

এই পর্ব মিটে গেলে ওর সাধারণ চেকআপ চলবে আগের মতোই। সেরে ওঠার অবস্থাটা দেখে দিতে পারেন চট্টগ্রামে শিশু বিশেষজ্ঞ।

বাবা-মায়ের সাধারণ প্রশ্ন

এটা কি অ্যাপেন্ডিসাইটিস?

সার্জন যেসব বিষয় খতিয়ে দেখবেন, এটা তার একটা। সরে যাওয়া ব্যথা, জ্বর আর খিদে না থাকা এই দুশ্চিন্তার সঙ্গে মেলে, কিন্তু প্রমাণ করে না। পরীক্ষা আর প্রয়োজনে কিছু টেস্টের পরেই বলা যাবে। আজই যান।

জ্বর কমে কিনা দেখে তারপর গেলে হয় না?

এই ধরনের ক্ষেত্রে বাড়িতে অপেক্ষা করাটাই ঝুঁকির। কোনো কোনো কারণ ঘণ্টায় ঘণ্টায় চুপচাপ খারাপের দিকে যায়। আসলে কী হচ্ছে, জানার নিরাপদ উপায় সেদিনের পরীক্ষাটাই।

ওকে তো একবার ব্যথার ওষুধ দেওয়া হয়ে গেছে। সমস্যা হবে?

ঠিক কী দিয়েছেন আর কখন দিয়েছেন, সার্জনকে বলুন। ওষুধে ব্যথা নরম হয়ে গেলে পেটের অবস্থা বিচার করা কঠিন হয়। সত্যি তথ্য দিলে সার্জন পরীক্ষাটা ঠিকমতো পড়তে পারেন, তাই কিছু লুকাবেন না।

যাওয়ার আগে ওকে কিছু খেতে বা পান করতে দেব?

ফোনে আগে থেকে, কিংবা পৌঁছে জিজ্ঞেস করে নিন। অপারেশন লাগতে পারে মনে হলে দলটি হয়তো চাইবে ওর পেট খালি থাকুক। বাড়িতে আন্দাজ না করে ওনারা যা বলেন, তাই করুন।

সঙ্গে কী কী আনব?

টিকার কার্ড আনুন, সঙ্গে সাম্প্রতিক প্রেসক্রিপশন বা রিপোর্ট থাকলে তাও। ব্যথা কখন শুরু হলো, কোথায় সরে গেল, জ্বর কত পর্যন্ত উঠেছিল মেপে থাকলে, লিখে রাখুন। সময় যখন দামি, এসব খুঁটিনাটি সময় বাঁচায়।

ওর কি অপারেশন লাগবেই?

পরীক্ষার আগে এ কথা কেউ বলতে পারে না। এমন ধরনের ব্যথায় কারো অপারেশন লাগে, কারো লাগে না। পেট অনুভব করে আর টেস্টের ফল দেখে সার্জনই সিদ্ধান্ত নেন।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.