সেরা শিশু সার্জন - চাঁদপুর

লিঙ্গের সামনের চামড়া পেছনে টানা যায় না, প্রস্রাবের সময় ফুলে ওঠে

ছেলের বয়স পাঁচ বছর। গোসলের সময় খেয়াল করেছেন, ব্যাপারটা মন থেকে যাচ্ছে না। ওর লিঙ্গের সামনের চামড়াটা একদমই পেছনে টানা যায় না।

প্রস্রাব করার সময় মুখের দিকটা ছোট্ট বেলুনের মতো একটু ফুলে ওঠে। তারপর আবার ঠিকঠাক হয়ে যায়। মাঝে মাঝে ও বলে, জ্বালা করে। আপনি বুঝতে পারছেন না, দুশ্চিন্তা করবেন নাকি অপেক্ষা করবেন।

সার্জন প্রথমেই একটা কথা বলবেন। এই বয়সে চামড়া আঁটসাঁট থাকাটা খুবই সাধারণ। অনেক ছেলের ক্ষেত্রেই বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটা নিজে নিজে ঢিলে হয়ে আসে।

আর একটা নিয়ম একদম পাকা। জোর করে কখনো পেছনে টানবেন না। জোরে টানলে চামড়া ছিঁড়ে গিয়ে সত্যিকারের ক্ষতি হতে পারে। আলতো করে ধুয়ে দেওয়াই যথেষ্ট।

শিশু সার্জন ওকে খুব আলতো করে পরীক্ষা করবেন। পাঁচ বছর বয়সে কোনটা স্বাভাবিক, সেটা বুঝিয়ে বলবেন। জোর করে টানাটানি আপাতত একদম বন্ধ রাখুন। তাড়াহুড়োর কিছু নেই। চাঁদপুরে শিশু সার্জন খুঁজলে শুরুটা হোক এই শান্ত আর সহজ পরীক্ষা দিয়েই।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

পরীক্ষায় যা দেখা হয়

পরীক্ষাটা ছোট আর আলতো। সার্জন দেখেন মুখটা কতটা সরু, আর চামড়াটা সুস্থ আছে নাকি কোথাও দাগ পড়েছে।

ওর প্রস্রাবের ধারা কেমন, তা নিয়েও প্রশ্ন আসবে। জোরে বের হয়, নাকি ফোঁটা ফোঁটা? ফুলে ওঠাটা কি প্রতিবারই হয়?

ব্যথা আর সংক্রমণ নিয়েও জানতে চাইবেন সার্জন। মুখের দিকটা কি কখনো লাল হয়েছে, ফুলেছে, ব্যথা করেছে? আগে কখনো প্রস্রাব আটকে যাওয়ার সমস্যা হয়েছে কিনা।

পাঁচ বছরের অনেক ছেলের ক্ষেত্রে সময় আর আলতো যত্ন ছাড়া আর কিছুই লাগে না। বড় হওয়ার সঙ্গে ঢিলে হওয়ার ধরনটা সার্জন বুঝিয়ে বলবেন।

এর বাইরে কিছু লাগলে সেটা পরীক্ষার পরই আলোচনা হবে, আগে নয়। ওর দৈনন্দিন স্বাস্থ্য আর নিয়মিত চেকআপের জন্য চাঁদপুরে শিশু বিশেষজ্ঞ বাকিটা দেখে দিতে পারেন।

সার্জন যেসব পথের কথা বলতে পারেন

পরীক্ষার পর সার্জন হয়তো শুধু দেখে রাখার কথাই বলবেন। এটা সত্যিকারের একটা পরিকল্পনা, এড়িয়ে যাওয়া নয়।

কোনো কোনো ছেলের ক্ষেত্রে সময়ের সঙ্গে চামড়া ঢিলে হতে সাহায্য করে, এমন আলতো কিছু পথের কথা ওঠে। পরীক্ষায় সেদিকে ইঙ্গিত মিললেই সার্জন সেগুলো ব্যাখ্যা করেন।

কিছু ছেলের ক্ষেত্রে অপারেশনের কথাও আলোচনায় আসতে পারে। তবে সেটা কখনোই সবার আগে নেওয়া ধাপ নয়। জিজ্ঞেস করুন, তাতে কী হবে, অপেক্ষা করলে কী হয়।

যা-ই বলা হোক, কারণ জিজ্ঞেস করার অধিকার আপনার আছে। কিছু ঠিক হওয়ার আগে পরিকল্পনাটা আপনার কাছে যুক্তিযুক্ত লাগাটাই জরুরি।

দুটো সমস্যা যেখানে অপেক্ষা চলবে না

বেশিরভাগ আঁটসাঁট চামড়া পরিকল্পিত ভিজিটের বিষয়, জরুরি অবস্থা নয়। কিন্তু দুটো পরিস্থিতি আলাদা।

ও যদি একদমই প্রস্রাব করতে না পারে, সেদিনই দেখাতে হবে। ভরা মূত্রথলি আর আটকানো পথ নিজে নিজে ঠিক হয় না।

দ্বিতীয়টা অতটা দেখা যায় না। চামড়া পেছনে টানা অবস্থায় মাথার পেছনে আটকে গেলে, ফুলে টান টান হয়ে থাকলে, সেটাও জরুরি।

দুটো ক্ষেত্রেই নিজে জোর করে কিছু করার চেষ্টা করবেন না। ওকে শান্ত রেখে ডাক্তার দেখান।

বাবা-মায়ের সাধারণ প্রশ্ন

পাঁচ বছর বয়সে চামড়া আঁটসাঁট থাকা স্বাভাবিক?

হ্যাঁ, এটা খুবই সাধারণ। এই বয়সে অনেক ছেলেরই সামনের চামড়া পেছনে টানা যায় না। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে ঢিলে হয়ে আসে।

প্রতিদিন একটু একটু করে পেছনে টানার চেষ্টা করব?

না। জোর করে টানবেন না, টানাটানিও করবেন না। জোরে টানলে চামড়া ছিঁড়ে দাগ পড়তে পারে, তাতে সমস্যা আরও বাড়ে।

প্রস্রাবের সময় মুখটা ফুলে ওঠে কেন?

মুখটা সরু বলে প্রস্রাব বের হওয়ার আগে চামড়ার নিচে ভরে যায়। ফুলে ওঠাটা দেখিয়ে নেওয়ার কারণ বটে, তবে আতঙ্কের কারণ নয়।

মাঝে মাঝে বলে জ্বালা করে। এর মানে কী?

মুখের দিকে ব্যথা বা হালকা সংক্রমণ থেকে জ্বালা হতে পারে। ভিজিটে কথাটা বলুন। পরীক্ষার সময় সার্জন লালচে ভাব বা ফোলা আছে কিনা দেখে নেবেন।

ওর কি অপারেশন লাগবেই?

অগত্যা নয়, আর পরীক্ষার আগে কেউ সে কথা বলতেও পারে না। অনেক ছেলের ক্ষেত্রে সময় ছাড়া আর কিছুই লাগে না। অপারেশনের আলোচনা উঠলে জিজ্ঞেস করুন, অপেক্ষা কেন ভালো হবে না।

ওটা ঠিক করে ধোব কীভাবে?

গোসলের সময় বাইরের দিকটা পানি দিয়ে আলতো করে ধুয়ে দিন। ভেতর পরিষ্কার করতে চামড়া টেনে পেছনে নেবেন না। সময়ের সঙ্গে ঢিলে হলে পরের ধাপ সার্জন বুঝিয়ে দেবেন।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.