সেরা শিশু অর্থোপেডিক সার্জন - সিলেট
একই গোড়ালি বারবার মচকে যাচ্ছে
শনিবারের খেলায় আবার সেই একই ঘটনা। আপনার পনেরো বছরের ছেলে বলের পেছনে ঘুরতে গিয়েছিল, কারো ধাক্কাও লাগেনি। হঠাৎ গোড়ালিটা মুচড়ে গেল। সন্ধ্যায় ফুলে উঠল পা।
এ বছর এই নিয়ে তিনবার। প্রতিবারই সেই একই গোড়ালি।
বারবার একই জায়গায় মচকানো মানে শুধু দুর্ভাগ্য নয়। একবার জোরে মচকালে গোড়ালির লিগামেন্ট কিছুটা ঢিলা অবস্থায় সেরে উঠতে পারে। পা ঠিক কোন অবস্থানে আছে, সেই অনুভূতিটাও দুর্বল হয়ে যায়। ফলে সাধারণ ঘোরার সময়ও পা বেসামাল হয়ে পড়ে।
খেয়াল করলে দেখবেন, মচকানোর পরের দুই-এক দিন সে প্র্যাকটিসে আগের মতো জোরে দৌড়ায় না। নিজে মুখে কিছু বলে না, পিছিয়ে পড়তে তার ভালো লাগে না। কিন্তু ভরসা কমে গেছে পায়ের ওপর, সেটা খেলার ধরনেই পরিষ্কার বোঝা যায়।
যতবার মচকায়, পরেরবার মচকানো তত সহজ হয়। এই চক্রটা থামানোই আসল কাজ।
সিলেটে শিশু অর্থোপেডিক সার্জন দুই গোড়ালি মিলিয়ে দেখবেন কোনটা কতটা ঢিলা। ব্যথা কোথায়, ফোলা কেমন থাকে, সেসবও জানতে চাইবেন। পরীক্ষাতেই সাধারণত বোঝা যায় সমস্যাটা কোথায়।
20 available specialists found
Dr. M. A. Hannan
Dr. Syed Abdus Subhan Rahin
Prof. Dr. Sumon Mollik
Dr. Mukul Ranjan Ghosh
Dr. Mirza Omar Beg Probal
Dr. Md. Baqi Billah
Dr. Syed Mahmud Hasan
Prof. Dr. Ishtiaque Ul Fattah
Dr. Mohsinuzzaman Khan
Dr. Shankar Kumar Roy
Dr. Mohammad Faruqul Islam
Dr. Bipul Chandra Ghosh
গোড়ালি কেন স্থির থাকে না
লিগামেন্টের কাজ দুইটা। জোড়া ধরে রাখা, আর পা কোথায় আছে সেই খবর মস্তিষ্কে পৌঁছে দেওয়া। মচকালে লিগামেন্টের তন্তু ছিঁড়ে যায়। জোড়া সেরে উঠলেও সেই খবর পৌঁছানোর কাজটা আগের মতো থাকে না।
তাই দৌড়ের মাঝে পা যখন মাটিতে পড়ে, সামান্য এদিক-ওদিক হলেই গোড়ালি মুচড়ে যায়। এটা অসাবধানতা নয়। জোড়ার সতর্ক সংকেতই দুর্বল হয়ে গেছে।
ডাক্তার পরীক্ষায় যা দেখেন
ভালো গোড়ালির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয় আহত গোড়ালি কতটা বেশি নড়ে। একদিকে বেশি ঢিলা থাকলে বোঝা যায় কোন লিগামেন্টটা ঠিকমতো টান ফিরে পায়নি। ব্যথার জায়গা আর ফোলার ধরনও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবার মুচড়ানোর পর দ্রুত ফুলে তা দিন ধরে থেকে যাওয়া, আর হালকা ফুলে রাতারাতি কমে যাওয়া, এক ছবি নয়।
মচকানো বারবার হলে কিংবা ফোলা না কমলে জোড়ার ভেতরটা আরও ভালো করে দেখতে ছবি তোলা লাগতে পারে। আপনার ছেলের ক্ষেত্রে ছবি তুললে পরিকল্পনা বদলাবে কিনা, ডাক্তারের কাছে জিজ্ঞেস করুন।
বিশ্রামে যা হয়, আর যা হয় না
মচকানোর পর প্রথম কয়েক দিন ফোলা আর ব্যথা কমাতে বিশ্রাম দরকার, এটা ঠিক। কিন্তু সপ্তাহের পর সপ্তাহ শুধু বসে থাকলে পেশি আরও দুর্বল হয়। গোড়ালি তখন আগের চেয়েও অরক্ষিত হয়ে পড়ে। তাই ব্যথা কমে এলে ধাপে ধাপে হাঁটা আর অনুশীলন শুরু করাই নিয়ম।
শক্তি আর ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা
সেরে ওঠার মূল ভিত্তি ব্যায়াম। শুধু বিশ্রামে পা শক্ত হয় না। ভারসাম্যের অনুশীলনে পায়ের অবস্থান বোঝার অনুভূতি আবার তৈরি হয়। পেশি শক্ত হলে পা বেকায়দায় পড়লেও গোড়ালি সামলে নিতে পারে।
ম্যাচের সময় ব্রেস বা টেপ গোড়ালিকে বাইরে থেকে সাপোর্ট দিতে পারে। তবে এটা সহায়ক মাত্র, ব্যায়ামের বিকল্প নয়। শক্তি আর ভারসাম্য ফেরার আগেই পুরোদমে খেলতে নামলে আবার মচকানোর ঝুঁকি থেকেই যায়।
গোড়ালি ছাড়া অন্য কোনো স্বাস্থ্য প্রশ্ন থাকলে সিলেটে শিশু বিশেষজ্ঞ আপনার ছেলেকে দেখে দিতে পারবেন।
বাবা-মায়ের সাধারণ প্রশ্ন
বারবার একই গোড়ালিই মচকায় কেন?
কারণ সেই গোড়ালিটা ঢিলা অবস্থায় সেরেছে। লিগামেন্ট আর পায়ের অবস্থান বোঝার অনুভূতি পুরোপুরি ফেরেনি, তাই ভালো গোড়ালির চেয়ে এটা সহজে মুচড়ে যায়।
ফুটবল খেলা কি ছেড়ে দিতে হবে?
সাধারণত স্থায়ীভাবে নয়। ভারসাম্য আর শক্তির অনুশীলন ঠিকমতো শেষ হলে বেশিরভাগ কিশোরই খেলায় ফিরতে পারে। কখন ফিরবে, ডাক্তার পরীক্ষা করে বলবেন।
এক্স-রে বা স্ক্যান লাগবে কি?
প্রতিবার মচকালেই লাগে না। বারবার মচকালে, ফোলা না কমলে কিংবা অস্বাভাবিক জায়গায় ব্যথা হলে ছবি তোলার কথা আসে। ছবিতে পরিকল্পনা বদলাবে কিনা ডাক্তারের কাছে জেনে নিন।
শুধু ব্রেস পরলেই কি চলবে?
না। ব্রেস বাইরে থেকে ঠেকা দেয়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে গোড়ালি রক্ষা করে পেশির শক্তি আর দ্রুত প্রতিক্রিয়া, যা তৈরি হয় ব্যায়ামে।
পুরো ম্যাচ খেলতে কতদিন লাগতে পারে?
গোড়ালি কতটা ঢিলা আর অনুশীলনে কেমন সাড়া মিলছে, তার ওপর নির্ভর করে। তাড়াহুড়ো করে ফিরলেই চক্রটা আবার শুরু হয়।
কখন আগেই আবার দেখাব?
ফোলা থেকে গেলে, ব্যথা জোড়ার ভেতরে চলে গেলে, কিংবা সাধারণ হাঁটার সময়ও গোড়ালি বেসামাল হলে আগেই দেখান।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.