সেরা শিশু অর্থোপেডিক সার্জন - রংপুর
প্যান্টের এক পা ঝুলে থাকে কেন
দর্জি প্রতিবারই কথাটা তোলে। প্রথমে আপনি হেসে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। নতুন প্যান্ট মাপতে গিয়ে সে আবার বলল, এক পা অন্যটার চেয়ে একটু বেশি ঝুলছে। বাসায় এসে আপনিও ভালো করে তাকালেন। বারো বছরের ছেলের এক পায়ের জুতার গোড়ালি অন্যটার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষয়ে গেছে।
তার মানে, এক পা আরেক পায়ের চেয়ে সামান্য ছোট। কথাটা শুনলেই মন খারাপ হয়। কিন্তু অনেক শিশুর বেলায় এই সামান্য তফাত শুধুই বাড়ার ধরন। এতে ব্যথা হয় না, হাঁটা-দৌড়েও কোনো অসুবিধা হয় না।
আসল বিষয় আজকের তফাতটা নয়। আসল বিষয় হলো, বাড়া শেষ হলে তফাতটা কতটুকু দাঁড়াবে। দুই পা সব সময় একই গতিতে বাড়ে না, তাই এখনকার ছোট তফাত সামনের বছরগুলোতে বদলাতে পারে।
রংপুরে শিশু অর্থোপেডিক সার্জন ঠিকমতো মেপে দেখে বুঝিয়ে দিতে পারবেন, আপনার শিশুর জন্য এটা কতটা ভাবনার। আসার সময় ক্ষয়ে যাওয়া জুতা জোড়া সঙ্গে আনুন। কবে থেকে ব্যাপারটা খেয়াল করেছেন, মোটামুটি মনে করে এলেও চলবে। এসব ছোট তথ্য প্রথম দেখাতেই অনেক কাজে দেয়।
11 available specialists found
Prof. Dr. Shafiqul Islam
Dr. A.B.M Morshed Goni
Dr. A.B.M. Rashedul Amir
Dr. Md. Ashfaqur Rahman (Romel)
Prof. Dr. Hamidul Haque Khandker
Dr. Mriganko Bhattacharjee
Prof. Dr. Md. Moshiur Rahman
Dr. Md. Abdur Rahman (Shaku)
Prof. Dr. Md. Shariful Haque
Dr. Md. Abdul Mukit
Dr. Md. Aminur Rahman
মাপটা নেওয়া হয় যেভাবে
প্যান্ট আর জুতার ক্ষয় শুধু ইঙ্গিত, মাপ নয়। ডাক্তারের কাছে শিশুকে খালি পায়ে দাঁড় করানো হয়। প্রথমে দেখা হয়, কোমরের দুই পাশ একই উচ্চতায় আছে কিনা।
এরপর ছোট পায়ের নিচে একটার পর একটা সমান মাপের ব্লক দেওয়া হয়। কোমর সমান হয়ে এলে থামা হয়। ব্লকগুলোর মোট উচ্চতাই বলে দেয়, তফাতটা কতটুকু।
কখনো ফিতা দিয়ে দুই পা আলাদা করে মাপা হয়, কোমর থেকে গোড়ালি পর্যন্ত। কোমর আর মেরুদণ্ডও পরীক্ষা করা হয়। কোমর একদিকে হেলে থাকলে মেরুদণ্ডে হালকা বাঁক আসতে পারে। বেশিরভাগ শিশুর ক্ষেত্রে এই বাঁক নমনীয়। বাঁকটা আসে হেলে থাকা থেকে, মেরুদণ্ডের নিজের সমস্যা থেকে নয়।
বাড়া এখনো বাকি, সেটাই বড় কথা
বারো বছর মানে পা এখনো বাড়ছে। হাঁটুর কাছের গ্রোথ প্লেট থেকেই পা লম্বা হয়। দুই পায়ের গ্রোথ প্লেট সব সময় একই গতিতে কাজ করে না।
তাই আজকের ছোট তফাত বাড়া শেষে ছোটই থাকতে পারে। আবার লম্বা পা একটু এগিয়ে যেতেও পারে। কোন দিকে যাবে, কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারে না।
এ কারণেই একবারের মাপে সব শেষ হয় না। বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবার মাপ নেওয়া হয়। অনেক শিশুর ক্ষেত্রে শুধু এভাবে লক্ষ্য রাখাই যথেষ্ট। আপনার শিশুর জন্য শুধু লক্ষ্য রাখলেই চলবে কিনা, নাকি তফাতের কারণটাও খুঁজে দেখা দরকার, ডাক্তারের কাছে জিজ্ঞেস করুন।
শুধু লক্ষ্য রাখা কখন যথেষ্ট নয়
বেশিরভাগ ছোট তফাতের নির্দিষ্ট কোনো কারণ থাকে না। তবে কখনো কারণ থাকে। ছোটবেলার কোমরের পুরোনো সমস্যা এক পায়ের বাড়া কমিয়ে দিতে পারে। আঘাতে গ্রোথ প্লেট ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এমন হতে পারে।
এমন সন্দেহ হলে ডাক্তার শিশুর ছোটবেলার ইতিহাস বিস্তারিত জানতে চাইবেন। কারণ খুঁজতে কখনো রক্ত পরীক্ষা বা অন্য পরীক্ষার কথা বলা হতে পারে।
ব্যথা থাকলে ব্যাপারটা আলাদা। শুধু পায়ের তফাতে সাধারণত ব্যথা হয় না। নতুন করে কোমরে ব্যথা কিংবা খুঁড়িয়ে হাঁটা দেখা দিলে অবশ্যই জানাবেন। সার্বিক বাড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকলে রংপুরে শিশু বিশেষজ্ঞের কাছেও দেখাতে পারেন।
বাবা-মায়ের সাধারণ প্রশ্ন
এক পা সামান্য ছোট হওয়া কি স্বাভাবিক?
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হ্যাঁ। দুই পা একদম সমান এমন মানুষ কমই আছে। ছোট তফাতে সাধারণত কোনো উপসর্গ হয় না, শুধু বাড়ার সময়টা লক্ষ্য রাখা হয়।
ছোট পা কি নিজে নিজে মিলে যাবে?
তফাত অনেক বছর একই রকম থাকতে পারে। আবার ধীরে ধীরে বাড়তেও পারে। তাই ফলো-আপে আবার মেপে দেখা হয়।
এক্স-রে কি লাগবেই?
সব সময় নয়। ব্লক দিয়ে মাপ আর পরীক্ষাতেই অনেকটা বোঝা যায়। হাড় বা গ্রোথ প্লেট ভালো করে দেখতে চাইলে ডাক্তার এক্স-রে করতে বলতে পারেন।
জুতায় বাড়তি প্যাড দিলে কি উপকার হবে?
কারো কারো ক্ষেত্রে জুতার ভেতরে সামান্য উঁচু প্যাড দিলে দাঁড়ানো-হাঁটা সমান লাগে। তবে এতে হাড়ের বাড়া বদলায় না। আপনার শিশুর জন্য লাগবে কিনা, ডাক্তারের কাছে জিজ্ঞেস করুন।
খেলাধুলা কি চালিয়ে যেতে পারবে?
সাধারণত পারবে। দৌড়ঝাঁপ বাড়ন্ত হাড়ের জন্য ভালো। এক পা অন্যটার চেয়ে তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হলে বা ব্যথা শুরু হলে সেটা জানাবেন।
কত দিন পর পর দেখাতে হবে?
কতটা বাড়া বাকি আছে, তার ওপর নির্ভর করে। বাড়ার বছরগুলোতে অনেকে বছরে এক-দুবার দেখান। প্রথম মাপের পর ডাক্তারই সময়টা বলে দেবেন।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.