সেরা শিশু অর্থোপেডিক সার্জন - কুষ্টিয়া

ক্রিকেট প্র্যাকটিসের পর গোড়ালিতে ব্যথা

মাঠ থেকে ফিরল এক হাতে জুতা ঝুলিয়ে। বাড়িতে প্রথম এক ঘণ্টা সে পায়ের আঙুলে ভর দিয়ে হাঁটে, গোড়ালি তুলে রাখে, যেন মেঝেটা গরম। রাতের খাবারের সময় খোঁড়ানোটা আর নেই। কাল আবার প্র্যাকটিস আছে।

আপনার ছেলের বয়স নয়, সে হু হু করে বাড়ছে, আর ক্রিকেটে তার ভীষণ ঝোঁক। ব্যথাটা গোড়ালির ঠিক পেছনে, যেখানে জুতাটা ঘষা খায়। পড়ে যাওয়া হয়নি, মোচকও লাগেনি, ফোলাও চোখে পড়ছে না।

শিশুর গোড়ালির পেছনের অংশটা তখনো পূর্ণ হাড় হয়ে ওঠেনি। সেখানে থাকে বৃদ্ধির একটা স্তর, যা ধীরে ধীরে হাড়ে পরিণত হচ্ছে। পায়ের গোছের শক্ত পেশিবন্ধনীটা এসে যুক্ত হয়েছে ঠিক ওই জায়গাতেই। প্রতিটা দৌড় আর লাফে টান পড়ে সেই জায়গায়।

বৃদ্ধি যখন দ্রুত হয় আর খেলাধুলা বেশি চলে, টানটা বাড়ন্ত টিস্যুর সামর্থ্য ছাড়িয়ে যেতে পারে। তখন গোড়ালি ব্যথা করতে শুরু করে। ডাক্তাররা এই ধরনটাকে অনেক সময় সিভার্স কন্ডিশন বলে থাকেন।

সব গোড়ালির ব্যথা অবশ্য এই এক ধরনের নয়, তাই একবার ঠিকমতো দেখিয়ে নেওয়া ভালো। কুষ্টিয়াতে শিশু অর্থোপেডিক সার্জন গোড়ালি চেপে দেখে, হাঁটা দেখে বলতে পারবেন, এটা বৃদ্ধিজনিত সমস্যাই কিনা। শুধু বিশ্রাম আর সাধারণ ব্যবস্থায় চলবে কিনা, আপনার ডাক্তারের কাছে জিজ্ঞেস করুন।

8 available specialists found

Dr. Mohd. Sayedul Islam (Saju)

Qualifications MBBS (RU), BCS (Health), and MS (Ortho Surgery) from NITOR.
অবস্থান কুষ্টিয়া সদর, কুষ্টিয়া

Dr. Ratan Kumar Paul

Qualifications MBBS (DMC), D. Ortho Surgery (NITOR), MS Ortho Surgery (NITOR)
অবস্থান কুষ্টিয়া সদর, কুষ্টিয়া

Dr. Md. Shahidullah

Qualifications MBBS, BCS (Health), MS (ORTHO)
অবস্থান Coart Para, কুষ্টিয়া

Prof. Dr. Md. Nazmul Huda

Qualifications MBBS, MS (ORTHO)
অবস্থান কুষ্টিয়া সদর, কুষ্টিয়া

Dr. Md. Ahsan Habib

Qualifications MBBS, BCS (Health), MS (ORTHO)
অবস্থান কুষ্টিয়া সদর, কুষ্টিয়া

Dr. Md. Rashed Hasan (Rony)

Qualifications MBBS, BCS (Health), D-ORTHO (BSMMU)
অবস্থান কুষ্টিয়া সদর, কুষ্টিয়া

Dr. Md. Abdul Maleque

Qualifications MBBS (Raj), BCS (Health), MS (Orthopedic Surgery)
অবস্থান কুষ্টিয়া সদর, কুষ্টিয়া

Dr. Muhammad Arozullah

Qualifications MBBS, BCS (Health), MS (Orthopaedic Surgery) NITOR, FACS (Orthopaedic Surgery)
অবস্থান কুষ্টিয়া সদর, কুষ্টিয়া

গোড়ালির পেছনের বাড়ন্ত অংশটা

বেশিরভাগ মানুষ গোড়ালিকে একটাই শক্ত হাড়ের খণ্ড বলে মনে করেন। কিন্তু শিশুর ক্ষেত্রে গোড়ালির পেছনের অংশটা তখনো আলাদা থাকে। সেখানে বৃদ্ধির টিস্যুর একটা পাত থাকে, যা কিশোর বয়সের শেষদিকে গিয়ে পুরোপুরি হাড়ে পরিণত হয়।

পায়ের গোছের পেশি গোড়ালির পেছনের পেশিবন্ধনীর মাধ্যমে এই পাতটাকে টানে। দৌড়, লাফ, হঠাৎ গতি তোলা, সবই একই ছোট জায়গার উপর চাপ ফেলে। দ্রুত বৃদ্ধির সময় পাতটা আশপাশের হাড়ের চেয়ে নরম আর সংবেদনশীল থাকে।

সেই জায়গার ব্যথার একটা নাম আছে। সিভার্স কন্ডিশন শুনতে ভয়ের মনে হলেও এটা ভাঙা বা ক্ষয়প্রাপ্ত গোড়ালি নয়। বাড়ন্ত পাতটায় জ্বালা ভাব হওয়াই এর মূল কথা।

ব্যথা কেন বাড়ে, আবার কমেও যায়

একবার চোখে পড়লে এই ধরনটা চেনা সহজ। কঠিন অনুশীলনের সময় আর তার পরে ব্যথা বাড়ে। ঘণ্টাখানেক বিশ্রামের পর তা মিলিয়ে যায়। পরের অনুশীলনে আবার ফিরে আসে।

যারা দ্রুত বাড়ছে আর প্রচুর দৌড়ায়, তাদের মধ্যেই এটা বেশি দেখা যায়। শক্ত গোড়ালিওয়ালা নতুন জুতা, কিংবা হঠাৎ অনুশীলন বাড়িয়ে দেওয়াও ব্যথা উসকে দিতে পারে। পায়ের গোছের পেশি টানটান থাকলেও টান বাড়ে।

গোড়ালির বৃদ্ধি শেষ হলে পাতটা শক্ত হয়ে যায়, সমস্যাটাও নীরবে বিদায় নেয়। তার আগ পর্যন্ত কাজ হলো চাপটা সামলে চলা।

যেসব লক্ষণ এই ধরনের সঙ্গে মেলে না

কিছু গোড়ালির ব্যথাকে বৃদ্ধির ব্যথা বলে উড়িয়ে দেওয়া ঠিক নয়। গোড়ালি ফোলা, লাল হওয়া বা গরম লাগলে ঠিকমতো দেখানো দরকার। ব্যথার সঙ্গে জ্বর থাকলেও তাই।

কোনো পরিশ্রম ছাড়াই ব্যথা, কিংবা রাতে ঘুম ভাঙিয়ে দেওয়া ব্যথাও আলাদা ব্যাপার। সারা দিন থেকে যাওয়া খোঁড়ানোও দ্রুত দেখানোর আরেকটা কারণ।

শিশু যদি পায়ে ভর দিতেই না পারে, নিজে নিজে সেরে যাবে বলে বসে থাকবেন না। সেদিনই দেখানো দরকার।

সাধারণ যেসব ব্যবস্থা প্রায়ই কাজে আসে

ডাক্তার সাধারণত সহজ ব্যবস্থা দিয়েই শুরু করেন। জুতার ভেতরে নরম হিল কুশন দিলে ব্যথার জায়গায় চাপ কমে। প্রতিদিন পায়ের গোছ হালকা টানটান করার ব্যায়াম করলে পেশিবন্ধনীর টানও কমে আসে।

অনুশীলনের পর বরফ দিলে জ্বালা ভাব কমতে পারে। পুরোপুরি খেলা বন্ধ না করে কয়েক সপ্তাহ চাপ কিছুটা কমিয়ে চলাও লাগতে পারে। কোনটা কতটা করা উচিত, ডাক্তারই নির্দেশনা দেবেন।

পরীক্ষার সময় ডাক্তার গোড়ালির দুই পাশ আঙুল দিয়ে চেপে দেখবেন। পা দেখতে স্বাভাবিক অথচ সেই চাপে ব্যথা পেলে বোঝা যায় সমস্যাটা বাড়ন্ত পাতেই। ব্যথা পায়ের অন্য জায়গায় হলে, কিংবা সার্বিক স্বাস্থ্যটাও দেখা দরকার হলে কুষ্টিয়াতে শিশু বিশেষজ্ঞ পুরো বিষয়টা দেখে দিতে পারবেন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

সিভার্স কন্ডিশন আসলে কী?

এটা শিশুর গোড়ালির পেছনের বাড়ন্ত পাতে ব্যথা, যেখানে গোছের পেশিবন্ধনী যুক্ত হয়েছে। দ্রুত বৃদ্ধির সময় বেশি দৌড়ঝাঁপে এখানে জ্বালা হয়। গোড়ালির বৃদ্ধি শেষ হলেই এটা থেমে যায়।

এতে গোড়ালির স্থায়ী ক্ষতি হবে?

না। এতে বাড়ন্ত পাতের ক্ষতি হয় না, গোড়ালির আকৃতিও পরে বদলে যায় না। পাতটা হাড়ে পরিণত হয়ে গেলে ব্যথা আর ফিরে আসে না।

ক্রিকেট খেলা কি বন্ধ করে দিতে হবে?

সাধারণত পুরোপুরি বন্ধ করতে হয় না। বেশিরভাগ শিশু ব্যথার দিনগুলোতে চাপ কমিয়ে খেলা চালিয়ে যায়। ব্যথা তীব্র হলে বা প্র্যাকটিসে খোঁড়াতে থাকলে কিছুদিন বিরতি নেওয়াই ভালো।

এক্স-রে লাগবে কি?

ঘটনা আর পরীক্ষা এই ধরনের সঙ্গে পরিষ্কার মিলে গেলে অনেক সময় লাগে না। কিছু মিলে না গেলে বা কোনো এক জায়গায় খুব ব্যথা থাকলে অন্য কারণ বাদ দিতে ডাক্তার এক্স-রে দিতে পারেন।

এই ব্যথা কতদিন চলতে থাকবে?

দ্রুত বৃদ্ধির বছরগুলোতে এটা আসা-যাওয়া করতে পারে, খেলাধুলার ব্যস্ত সপ্তাহের পর বেড়ে যায়। প্রতিটা পর্ব সাধারণত বিশ্রামেই থামে। গোড়ালির বৃদ্ধি শেষ হলে ধরনটা পুরোপুরি চলে যায়।

কখন আগেভাগে আবার আসতে হবে?

ফোলা, লাল ভাব বা জ্বর দেখলে ফিরে আসুন। পরিশ্রম ছাড়া ব্যথা, রাতের ব্যথা, কিংবা কমতে না চাওয়া খোঁড়ানোতেও আবার দেখানো দরকার।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.