সেরা শিশু অর্থোপেডিক সার্জন - যশোর

খেললেই হাঁটু ফোলে, কিন্তু পড়ে যায়নি কখনো

আপনার ছেলের বয়স আট। সপ্তাহের সবচেয়ে প্রিয় সময়টা তার ফুটবল খেলায়। কিন্তু একটা ধরন প্রায় নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। খেলে বাড়ি ফিরলে একটা হাঁটু ফুলে শক্ত হয়ে থাকে। পরের দুই দিনে ফোলা ধীরে ধীরে কমে যায়। তারপর আবার খেলা, আবার ফুলে ওঠা।

যে জায়গাটায় হিসাব মেলে না, সেটা হলো আঘাতের অনুপস্থিতি। সে পড়ে যায়নি, কেউ লাথিও মারেনি, পা মচকায়ওনি। আপনি নিজে বারবার জিজ্ঞেস করে দেখেছেন। খেলার আঘাতে সাধারণত একটা মুহূর্ত থাকে, যেটার দিকে আঙুল তোলা যায়। আপনার ছেলের হাঁটুর বেলায় সেরকম কিছুই নেই। ফোলে, বিশ্রামে কমে, আবার ফোলে।

এই পার্থক্যটাই গুরুত্বপূর্ণ। আঘাত ছাড়া বারবার ফুলে ওঠা হাঁটু আসলে একবার চোট পাওয়া হাঁটুর চেয়ে আলাদা প্রশ্ন তোলে। জয়েন্টের ভেতর থেকেই হয়তো কোনো জ্বালা তৈরি হচ্ছে, আর সেটা খুঁজতে মচকে যাওয়া পরীক্ষা করাই যথেষ্ট নয়।

একটা সহজ খাতা রাখতে শুরু করুন। কোন কোন দিন ফুলছে, কতদিন থাকছে, আশেপাশে জ্বর বা গায়ে র্যাশ এসেছিল কিনা, লিখে রাখুন। ডাক্তারের কাছে খাতাটা নিয়ে যান। যশোরে একজন শিশু অর্থোপেডিক সার্জন জয়েন্টটা পরীক্ষা করে অন্য হাঁটুর সঙ্গে মিলিয়ে দেখবেন। তারপর বলতে পারবেন, এর পর কী কী খতিয়ে দেখা দরকার।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

ডাক্তার যা যা খুঁটিয়ে দেখেন

পরীক্ষা শুরু হয় দুই হাঁটু পাশাপাশি রেখে। ডাক্তার জয়েন্টে গরম ভাব আছে কিনা হাত দিয়ে দেখেন। কতটা ভাঁজ আর সোজা হয় তা মাপেন, ভেতরে অতিরিক্ত পানি জমেছে কিনা খেয়াল করেন। তারপর নজর যায় আরও বাইরে। গোড়ালি, কব্জি, আঙুল, অন্য জয়েন্টগুলোও দেখা হয়। কারণ একাধিক জয়েন্টে সমস্যা দেখা দিলে গল্পটা অন্য রকম দাঁড়ায়।

কিছু প্রশ্ন শুনে অবাক হতে পারেন। সকালে উঠে সে কি শক্ত শক্ত লাগে, কতক্ষণ থাকে? গায়ে র্যাশ উঠেছিল? হাঁটু ফোলার দিনগুলোর আশপাশে জ্বর এসেছিল? চোখ লাল, মুখে ঘা, কিংবা সম্প্রতি গলা ব্যথা? এসব প্রশ্ন মানেই ডাক্তার আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন, তা নয়। কারো নাম দেওয়ার আগে পুরো ধরনটা সাজিয়ে নেওয়ার এটাই উপায়।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা, সাধারণভাবে

অনেক ক্ষেত্রে রক্ত পরীক্ষা এই ছবিটার অংশ হয়। শরীরের কোথাও প্রদাহ আছে কিনা তা থেকে আঁচ পাওয়া যায়, কিছু কারণ বাদ দিতেও সুবিধা হয়। হাড় আর জয়েন্টের ফাঁকটা দেখতে হাঁটুর এক্স-রে বা স্ক্যানও লাগতে পারে।

কখনো ডাক্তার ফোলা জয়েন্টের ভেতরের তরল থেকে সামান্য নমুনা পরীক্ষার কথা বলতে পারেন। শুনতে ভয় লাগলেও ওই তরলই অনেক সময় বলে দেয় ফোলাটা কেন হচ্ছে। ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন, প্রতিটা পরীক্ষা এখনই দরকার, নাকি আগে আরও কিছুদিন ধরনটা দেখে নেওয়া ভালো।

দুই ডাক্তার, একটাই ছবি

অর্থোপেডিক সার্জনের দায়িত্ব জয়েন্টটা নিজে। হাড়, তরুণাস্থি, ভেতরের তরল আর হাঁটুর নড়াচড়া তাঁর দেখার বিষয়। কিন্তু আঘাত ছাড়া বারবার ফোলা হাঁটু কখনো শরীরজুড়ে চলা কোনো বড় ছবির অংশও হতে পারে। সেরকম সন্দেহ হলে সার্জন যশোরে একজন শিশু বিশেষজ্ঞ-কেও যুক্ত করতে পারেন। তাহলে জয়েন্ট ধরে ধরে না ভেবে পুরো ধরনটা একসঙ্গে দেখা যায়।

ছবিটা পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত পরামর্শ সাদামাটা। যেদিন ফুলবে, সেদিন হাঁটুকে বিশ্রাম দিন। আর যা দেখছেন তা লিখে রাখুন। তারিখ, জ্বর, র্যাশের এই খাতাটা দুই ডাক্তারের কাছেই সত্যিকার কাজে লাগে। সপ্তাহে সপ্তাহে এলোমেলো মনে হওয়া ঘটনাগুলো দুই মাসের খাতায় প্রায়ই একটা অর্থ খুঁজে পায়।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

আঘাত ছাড়াও কি হাঁটু ফুলতে পারে?

পারে। ফোলা মানে জয়েন্টের ভেতরে তরল জমেছে, আর ভেতরের জ্বালা থেকেও তা হতে পারে, পড়া বা মোচড় ছাড়াই। আঘাত ছাড়া বারবার ফুললে তা ঠিকমতো দেখিয়ে নেওয়া দরকার।

ফুটবল খেলা কি বন্ধ করে দিতে হবে?

ভিজিটে ডাক্তারের কাছেই জিজ্ঞেস করুন। যেদিন হাঁটু ফোলা আর শক্ত, সেদিন বিশ্রামই বুদ্ধিমানের কাজ। পুরো মৌসুম থামাতে হবে কিনা, তা পরীক্ষা আর রিপোর্ট দেখে ঠিক হবে।

র্যাশ আর সকালের শক্তভাব নিয়ে প্রশ্ন কেন?

কারণ হাঁটুটা হয়তো একটা বড় ধরনের একটা অংশ মাত্র। র্যাশ, জ্বর, সকালে শক্ত লাগা কিংবা অন্য জয়েন্টে ব্যথা, এগুলোই ডাক্তারকে ঠিক করতে সাহায্য করে কোন কারণগুলো আগে খতিয়ে দেখা হবে।

কী কী পরীক্ষা হতে পারে?

রক্ত পরীক্ষা স্বাভাবিক, কখনো হাঁটুর এক্স-রে বা স্ক্যানও হয়। কোনো ক্ষেত্রে জয়েন্টের তরলের ছোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়। প্রতিটা পরীক্ষা কেন করা হচ্ছে, ডাক্তার আগেই বুঝিয়ে বলবেন।

শিশু বিশেষজ্ঞকেও দেখাতে হতে পারে কেন?

সার্জন জয়েন্টটা নিজে মূল্যায়ন করেন। ফোলার পেছনে শরীরজুড়ে কোনো কারণের আভাস থাকলে শিশু বিশেষজ্ঞ সেই বড় ছবিটা দেখেন, যাতে দুটো দিকই ঢাকা পড়ে থাকে।

ফোলার খাতায় কী কী লিখব?

কোন তারিখে ফুলল, কতদিন রইল, আর সেই সপ্তাহে আর যা যা ছিল: জ্বর, র্যাশ, গলা ব্যথা কিংবা অন্য জয়েন্টে ব্যথা। কোন হাঁটু সেটাও লিখুন। আর ফোলাটা খেলার পর এলো, নাকি শান্ত দিনের মধ্যে, সেটাও।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.