সেরা শিশু নিউরোসার্জন - চট্টগ্রাম

পড়ে গিয়ে প্রথমে ঠিকই ছিল, বিকেলে বমি শুরু হলো

দুপুরের খাওয়ার পর আপনার চার বছরের শিশু খাট থেকে পিছলে পড়ে গেল। প্রথমে খুব কাঁদল, তারপর আপনার কোলে শান্ত হয়ে গেল। এক ঘণ্টা পর সে আবার খেলছে, বিস্কুট চাইছে। তখন মনে হয়েছিল, ভয়ের কিছুই নেই।

বিকেল গড়াতেই ছবিটা বদলে গেল। একবার বমি করল, তারপর আরও একবার। সোফায় গুটিয়ে শুয়ে চোখ ভারী হয়ে এল, সাধারণ ঘুমের সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ঝিমুনি। সাধারণ দিনে এই সময়ে সে উঠোনে খেলতে বেরিয়ে যায়।

শিশুদের মাথার আঘাতে প্রায়ই এমন হয়। পড়ার পরপরই শিশুকে দেখে ঠিকঠাক মনে হতে পারে, অথচ পরের কয়েক ঘণ্টায় ধীরে ধীরে বদল আসে। যেটা সত্যিকারের সমস্যা, তা ঘটে মাথার খুলির ভেতরে, যেখানে কেউ দেখতে পায় না। বাইরে থেকে শুধু ফোলা জায়গাটাই দেখা যায়, ভেতরের চাপটা দেখা যায় না।

তাই মাথায় আঘাতের পরের প্রথম ঘণ্টাগুলো এত যত্নে লক্ষ্য রাখা হয়। সতর্ক সংকেত দেখা দেওয়ার পর সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না। আপনার যদি চট্টগ্রামে শিশু নিউরোসার্জন দরকার হয়, এখনই যান, ডাক্তারকে শিশুকে পরীক্ষা করতে দিন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

প্রথম ঘণ্টাগুলো এত গুরুত্বপূর্ণ কেন

পড়ে যাওয়া বেশিরভাগ শিশুই শুধু একটা ফোলা আর ভয় পাওয়া নিয়ে সেরে ওঠে। অল্প কয়েকজনের ক্ষেত্রে খুলির ভেতরে রক্তক্ষরণ বা ফোলা তৈরি হয়, আর তা পড়ার মুহূর্তেই ধরা পড়ে না।

বদ্ধ খুলির ভেতরে চাপ বাড়ার জায়গা কম। চাপ বাড়তে থাকলে শিশু বদলাতে থাকে: বমি বাড়ে, ঝিমুনি বাড়ে, সাড়া কমে আসে। প্রথম দিনটা কাছ থেকে লক্ষ্য রাখলে এই বদলগুলো তখনই ধরা পড়ে, যখন চিকিৎসা দ্রুত কাজ করতে পারে।

এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। বরং এই সময়টা শিশুর কাছাকাছি থাকুন। সন্ধ্যাটা কীভাবে কাটে দেখুন। কোন লক্ষণ দেখলে সঙ্গে সঙ্গে রওনা হতে হবে, তা আগেভাগেই জেনে রাখুন।

যেসব লক্ষণ দেখলে এখনই রওনা হন

মাথায় আঘাতের পর একবারের বেশি বমি হলে দ্রুত পরীক্ষা দরকার। ঝিমুনি ক্রমে গভীর হতে থাকলে, কিংবা শিশুকে জাগানো কঠিন হয়ে পড়লেও তাই।

চোখের দিকে তাকান। দুই চোখের মণির আকার স্পষ্ট আলাদা হলে তা গুরুতর লক্ষণ। নাক বা কান দিয়ে পরিষ্কার পানি বেরোলেও সতর্ক হোন। কোনো হাত বা পায়ে দুর্বলতাও অবহেলা করার নয়।

খিঁচুনি হলে, ছোট হলেও, জরুরি চিকিৎসা দরকার। শিশুর অস্বাভাবিক তীক্ষ্ণ কান্না, কিংবা স্বাভাবিকের চেয়ে একেবারেই আলাদা আচরণও মানে দেরি নয়। নিজে কাঁপা হাতে গাড়ি চালাবেন না। কাউকে নিয়ে যেতে বলুন, পথে শিশুকে শান্তভাবে শুইয়ে রাখুন।

স্ক্যানের সিদ্ধান্ত কে নেন, কীভাবে নেন

বাবা-মা প্রায়ই প্রথম মিনিটেই স্ক্যানের কথা বলেন। ডাক্তার সিদ্ধান্ত নেন পরীক্ষা করে: শিশু কীভাবে সাড়া দিচ্ছে, চোখের মণি কীভাবে প্রতিক্রিয়া করছে, আঘাতটা কীভাবে লেগেছিল।

অনেক শিশুকেই স্ক্যান ছাড়াই নিরাপদে পর্যবেক্ষণে রাখা যায়। আবার পরীক্ষায় কিছু সন্দেহজনক পেলে কাউকে দ্রুত স্ক্যান করা হয়। আপনার শিশুর ক্ষেত্রে স্ক্যান লাগবে কিনা ডাক্তারের কাছে জেনে নিন, আর ফল পেলে কী বদলাবে তাও জানতে চান।

স্ক্যানে অপারেশন দরকার এমন রক্তক্ষরণ বা ফোলা দেখা গেলে শিশু নিউরোসার্জন বিষয়টি পর্যালোচনা করেন। নির্বাচিত হাসপাতালে সেই পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় পদ্ধতি সম্ভব কিনা আগেই নিশ্চিত হয়ে নিন।

হালকা আঘাতের পর বাড়িতে পর্যবেক্ষণ

ডাক্তার বাড়ি পাঠিয়ে দিলেও লক্ষ্য রাখা শেষ হয় না। শিশুকে চোখের সামনে রাখুন, ঘুমাতে দিন। ঘুম নিজে বিপদ নয়।

ডাক্তারের বলা সময়ে আলতো করে জাগিয়ে দেখুন, সে স্বাভাবিকভাবে সাড়া দিচ্ছে কিনা। প্রথমে অল্প করে পানীয় দিন; ভরপেট খাবার পরে হলেও চলবে।

কোনো বদল হলে লিখে রাখুন: আবার বমি, অস্বাভাবিক ঝিমুনি, বাড়তে থাকা মাথাব্যথা। পরের দিনগুলোতে মাথাব্যথা বা আচরণের বদল থেকে গেলে চট্টগ্রামে শিশু নিউরোলজিস্ট আপনার শিশুকে আবার দেখে দিতে পারেন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

শিশু কয়েক ঘণ্টা আগে পড়েছিল, এখন ঠিক আছে। ঝুঁকির সময় কি পেরিয়ে গেছে?

বেশিরভাগ সমস্যা প্রথম দিনেই দেখা দেয়, তবু অন্তত প্রথম রাতটা লক্ষ্য রাখুন। নতুন কোনো সতর্ক লক্ষণ দেখা দিলে তখনো সঙ্গে সঙ্গে যেতে হবে।

সারারাত কি শিশুকে জাগিয়ে রাখতে হবে?

না। ঘুম ঠিক আছে, তা সেরে উঠতেও সাহায্য করে। ডাক্তারের বলা বিরতিতে জাগিয়ে দেখুন, সে স্বাভাবিকভাবে নড়ে ও সাড়া দেয় কিনা।

শুধু একবার বমি হয়েছে, তারপর খেলতে শুরু করেছে। এটা কি গুরুতর?

ভয় পেয়েও একবার বমি হতে পারে। বারবার বমি আলাদা বিষয়, আর ঝিমুনি বাড়ার সঙ্গে বমি হলেও তাই। সন্দেহ থাকলে পরীক্ষা করিয়ে নিন।

ডাক্তার কি সবসময় মাথার স্ক্যান দেন?

না। সিদ্ধান্ত আসে পরীক্ষা থেকে। কাউকে স্ক্যান করা হয়, কাউকে কাছ থেকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। দুটোই সঠিক সিদ্ধান্ত হতে পারে।

হাসপাতালে পৌঁছে ডাক্তারকে কী বলব?

পড়াটা কীভাবে ঘটেছিল, শিশু জ্ঞান হারিয়েছিল কিনা, আর তারপর কী কী বদল হয়েছে বলুন। বমি আর ঝিমুনির সময় জানালে অনেক সাহায্য হয়।

নিউরোসার্জন কখন যুক্ত হন?

পরীক্ষা বা স্ক্যানে অপারেশন লাগতে পারে এমন রক্তক্ষরণ বা ফোলার ইঙ্গিত পেলে। তখন সার্জন শিশুকে দেখে পরিবারকে পরামর্শ দেন।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.