সেরা শিশু স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ - নারায়ণগঞ্জ

হঠাৎ এলোমেলো হয়ে যাওয়া হাতের লেখা

জানুয়ারিতে আপনার মেয়ের হাতের লেখা দেখে শিক্ষক খাতার কোনায় ভালো লিখে দিয়েছিলেন। মার্চে সেই শিক্ষকই প্রতিটি পাতায় লিখছেন অসাবধান। বাড়িতে দিনে দুইবার পানির বোতল হাত থেকে পড়ে যায়। গত সপ্তাহে স্কুলের সমান মাঠে সে দুইবার হোঁচট খেয়ে পড়েছে, দুইবারই হাঁটু ছিলে এসেছে।

কিছু শিশু ছোটবেলা থেকেই একটু এলোমেলো স্বভাবের। তাদের সমন্বয় ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে, আর কেউ মনে করতে পারে না কবে অবস্থা এর চেয়ে ভালো ছিল। এটা এক ধরনের গল্প।

বদলে যাওয়াটা আরেক ধরনের গল্প। কয়েক সপ্তাহ আগেও যে কাজ শিশু সহজে পারত, সেটাই যদি পিছিয়ে যেতে থাকে, বাবা-মায়ের খেয়াল করা ঠিক। হাতের লেখা ভালো হওয়ার বদলে খারাপ হওয়া বদল। আগের চেয়ে ঘন ঘন পড়ে যাওয়াও বদল।

এই দুশ্চিন্তা একা বয়ে বেড়ানোর দরকার নেই। নারায়ণগঞ্জে শিশু নিউরোলজিস্ট দেখিয়ে বলুন কী বদলেছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে হচ্ছে। সঙ্গে পুরোনো একটা খাতা আর নতুন একটা খাতা নিয়ে যান। পাশাপাশি রাখলেই বদলটা কথার চেয়ে পরিষ্কার বোঝা যায়।

7 available specialists found

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মো. হাসিবুল হাসান

Qualifications এমবিবিএস (ঢাকা), এমডি (নিউরোলজি)।
অবস্থান নারায়ণগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ

ডা. রফিউল হাসান

Qualifications এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নিউরোলজি)
অবস্থান নারায়ণগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ

ডাঃ নাফিজ খান রুশো

Qualifications এমবিবিএস (ডিএমসি), বিসিএস (স্বাস্থ্য), সিসিডি (বারডেম), এমসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (নিউরো মেডিসিন), এমএসিপি (যুক্তরাষ্ট্র)।
অবস্থান নারায়ণগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ

Dr. Tarun Kanti Sarker

Qualifications MBBS (DMC), BCS (Health), MD (Neurology)
অবস্থান নারায়ণগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ

Dr. Mohiuddin Ahmed

Qualifications MBBS, FCPS (Medicine)
অবস্থান Dhaka, ঢাকা

Dr. Abu Nayeem

Qualifications MBBS (DMC), FCPS (Medicine), MD (Neurology)
অবস্থান ধানমন্ডি, ঢাকা

Dr. Kanol Saha

Qualifications MBBS, BCS (Health), MD (Neurology)
অবস্থান নারায়ণগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ

এলোমেলো ভাবের দুটি আলাদা গল্প

প্রথম গল্পটা ধীরগতির। শিশুটি যতদিনের কথা মনে পড়ে, সবসময়ই একটু এলোমেলো। বোতাম লাগানো শিখতে দেরি হয়েছে। জুতোর ফিতা বাঁধা এসেছে পরে। খেলাধুলা কখনোই সহজ ছিল না। তবু অনুশীলনের সঙ্গে সঙ্গে ধীরে অবস্থা ভালোর দিকেই যায়।

এই শিশুর জন্য সহায়তা কাজে দেয়। ছোট ছোট ধাপে অনুশীলন, ধৈর্য ধরে শেখানো, আর কখনো থেরাপির সাহায্য সময়ের সঙ্গে পার্থক্য আনে। অগ্রগতি ধীরে হয়, তবে দিকটা ঠিক থাকে।

দ্বিতীয় গল্পটা শুরু হয় বদল দিয়ে। যে কাজ শিশু ভালো পারত, সেটা আর আগের মতো হচ্ছে না। দক্ষতা বাড়ার বদলে অল্প কয়েক সপ্তাহে পিছিয়ে যায়, পাশাপাশি নতুন সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

এই দ্বিতীয় গল্পটা দ্রুত দেখিয়ে নেওয়ার মতো। এর মানে এই নয় যে খারাপ কিছু ঘটছে। মানে হলো, খুঁটিনাটি তাজা থাকতেই ডাক্তার দেখে নেওয়া ভালো।

কোন বদল দেখলে দেখিয়ে নেওয়া উচিত

হাতের লেখায় অনেক সময় বদলটা প্রথম ধরা পড়ে। অক্ষর বড় আর এলোমেলো হয়ে যায়। দশ মিনিটে হওয়া লেখা এখন আধঘণ্টাতেও শেষ হয় না, কিংবা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

পড়ে যাওয়া আর ধাক্কা লাগাও নিজের অংশ বলে দেয়। সমান জায়গায় হোঁচট, দরজার চৌকাঠে ধাক্কা, আগের চেয়ে অনেক বেশি কাপ বা বোতল পড়ে যাওয়া, সবই জানানোর মতো। যে শারীরিক শিক্ষা আগে মজা ছিল, সেটা এখন কঠিন লাগাও একই রকম গুরুত্বপূর্ণ।

শরীরের একপাশ কি অন্যপাশের চেয়ে বেশি আক্রান্ত? সম্প্রতি বড় জ্বরের অসুখ গেছে কিনা?

চোখে পড়লেই এগুলো মোটামুটি তারিখসহ লিখে রাখুন। আপনার শিশুর নারায়ণগঞ্জে শিশু বিশেষজ্ঞ সাধারণ ভিজিটে একই রেকর্ডটা হালনাগাদ রাখতে পারেন।

নিউরোলজিস্ট যেভাবে পরীক্ষা করেন

বদলটা প্রথম কবে খেয়াল করলেন? আগে যা পারত, এখন তার কোনটা পারে না? সাম্প্রতিক অসুখ আর আঘাতের কথাও এই আলোচনার অংশ।

পরীক্ষাগুলো দেখতে অনেকটা ছোট ছোট খেলার মতো। আঙুল দিয়ে নাক ছোঁয়া, চোখ খোলা রেখে আবার বন্ধ করে। গোড়ালি পায়ের আঙুলে লাগিয়ে সরলরেখায় হাঁটা। এক পায়ে দাঁড়ানো। এই কাজগুলোতেই সমন্বয় পরিষ্কার ধরা পড়ে।

হাত-পায়ের শক্তিও দেখা হয়। হাত-পা আলতো করে নাড়িয়ে পেশির টান অনুভব করা হয়। রিফ্লেক্স পরীক্ষা করা হয়, আর ডাক্তার শিশুর হাঁটা ও ঘোরা লক্ষ করেন।

এরপরের পরীক্ষা সবার জন্য এক নয়। শারীরিক পরীক্ষায় কোনো প্রশ্ন উঠলে ডাক্তার বুঝিয়ে বলবেন, কোন পরীক্ষায় তার উত্তর মিলবে আর কেন। ডাক্তারের কাছে জিজ্ঞেস করুন, অপেক্ষা করে আবার দেখা নিরাপদ কিনা, নাকি এখনই পরীক্ষা করা দরকার। নির্বাচিত হাসপাতালে প্রস্তাবিত পরীক্ষা হয় কিনা, নিশ্চিত হয়ে নিন। কোনো কোনো শিশুকে বিস্তারিত মূল্যায়নের জন্য উচ্চতর পর্যায়ের কেন্দ্রে রেফার করা হতে পারে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

আমার সন্তান ছোটবেলা থেকেই এলোমেলো স্বভাবের। চিন্তা করা উচিত?

আজীবনের ধরন যা ধীরে ধীরে ভালো হচ্ছে, তা সাধারণত নিজের গতিতে গড়ে ওঠা সমন্বয়। তবু এলোমেলো ভাব দৈনন্দিন কাজ, পড়াশোনা বা খেলায় বাধা দিলে একবার দেখিয়ে নেওয়া ভালো।

কোন অবস্থায় দ্রুত দেখানো উচিত?

কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পরিষ্কার বদল দেখলেই। দক্ষতা পিছিয়ে যাওয়া, পড়ে যাওয়া বাড়া, একপাশ দুর্বল হওয়া, কিংবা হাঁটার ভঙ্গি বদলে যাওয়া থাকলে আগেভাগেই দেখিয়ে নিন।

ভিজিটে কী নিয়ে যাব?

পুরোনো একটা খাতা আর নতুন একটা খাতা নিয়ে যান। সাধারণ বর্ণনার চেয়ে বদলের নমুনা অনেক বেশি কাজের।

ডাক্তার কী পরীক্ষার কথা বলতে পারেন?

আগে শারীরিক পরীক্ষা, আর অনেক শিশুরই ওই পর্যায়ে আর কিছু লাগে না। ফলাফল কোনোদিকে ইশারা করলে ডাক্তার পরের পরীক্ষার কথা বলবেন, প্রতিটির কারণও বুঝিয়ে দেবেন।

অনুশীলন আর থেরাপিতে কি উপকার হয়?

হয়, ধীরে গড়ে ওঠা সমন্বয়ের ক্ষেত্রে বেশ উপকার হয়। মাঝে মাঝে লম্বা সেশনের চেয়ে প্রতিদিন অল্প করে, ছোট ছোট ধাপে অনুশীলন ভালো কাজ করে।

খেলাধুলা কি আপাতত বন্ধ রাখব?

নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন। বদলটা সাম্প্রতিক আর কারণ অস্পষ্ট হলে পর্যালোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ডাক্তার নিরাপদ ধরনের খেলার পরামর্শ দিতে পারেন।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.