সেরা শিশু স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ - কুষ্টিয়া
আবার পড়ল। একটু পরেই আবার।
আপনার মেয়ে হাঁটতে শিখেছে দুই মাস হলো। এরপর থেকে যেন দিনে কতবার যে সে মেঝেতে পড়ছে, হিসাব নেই। কার্পেটের কিনারায় হোঁচট খায়। খেলনা ধরতে গিয়ে উল্টে পড়ে। বেশিরভাগ সময় নিজে নিজেই উঠে দাঁড়ায়, যেন কিছুই হয়নি।
হাঁটা শেখার ধরনটাই এমন। নতুন হাঁটুরেদের পা ফাঁক করে টলমলে পায়ে হাঁটা, আর শরীরের তুলনায় মাথা বড়। তাই শুরুর দিকে পড়া বেশি হয়। তবে সপ্তাহে সপ্তাহে তা ধীরে ধীরে কমে আসার কথা।
পড়ে গিয়ে কান্না, তারপর আবার খেলায় ফিরে যাওয়া। সারাদিন এভাবেই চলতে থাকে। বাবা-মায়ের মনে প্রশ্ন জাগে, এত পড়া কি ঠিক আছে?
গুরুত্বপূর্ণ হলো ধরনটা, কোনো একদিন কতবার পড়ল তা নয়। পড়া কমার বদলে বাড়তে থাকলে সেটা দেখা দরকার। বেশিরভাগ সময় একই দিকে পড়লেও তাই। যে শিশু ভালোই হাঁটত, এখন আগের চেয়ে বেশি হোঁচট খাচ্ছে, তাকেও দেখানো উচিত।
ধরনটা নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকলে শিশু নিউরোলজিস্ট শিশুর হাঁটা আর নড়াচড়া দেখে বুঝতে পারবেন। কুষ্টিয়ায় ডাক্তারদের তালিকা থেকে একজনকে খুঁজে নিন। বাড়িতে হাঁটার ছোট একটা ভিডিও থাকলে তা আশ্চর্যরকম কাজে লাগে।
1 available specialists found
Prof. Dr. Md. Shahidul Islam
যেসব পড়া শেখারই অংশ
ছোট শিশু পড়ে, ওঠে, আবার পড়ে। এই চক্রটাই আসলে অনুশীলন। ভারসাম্য, পায়ের শক্তি আর দূরত্ব বোঝার ক্ষমতা এভাবেই বাড়ে।
স্বাভাবিক পড়ার একটা আশ্বস্ত করার মতো ধরন আছে। পড়ে সব দিকেই। পড়ার সময় সাধারণত দুই হাত সামনে ঠেলে নিজেকে সামলায়। আঁচড় পড়ে হাঁটুতে আর কপালে, পরিচিত জায়গাগুলোতেই। আর মাসে মাসে পড়ার সংখ্যা ধীরে ধীরে কমতে থাকে।
কার্পেট নাকি খালি মেঝে, জুতা নাকি খালি পা, এসবে সংখ্যা একটু এদিক-ওদিক হয়। কিন্তু পুরো দিকটা বদলায় না। দিকটা হওয়া উচিত উন্নতির দিকেই।
যে ধরনের পড়া দেখে নেওয়া ভালো
কিছু ধরন স্বাভাবিক শেখার বাইরে পড়ে। এক মাস আগের চেয়ে এখন পড়া বেড়ে গেলে তা একটা। বেশিরভাগ পড়া একই দিকে হলেও আরেকটা।
হাতের দিকেও খেয়াল রাখুন। বয়স বাড়লেও যে শিশু পড়ার সময় হাত ঠেলে নিজেকে রক্ষা করে না, তাকে মূল্যায়ন করা ভালো। দক্ষতা পেছনে গেলেও একই কথা। গত মাসে সে ঘর পেরিয়ে হাঁটত, এখন কয়েক পা গিয়েই হোঁচট খায়।
হাঁটা ভালোমতো প্রতিষ্ঠিত হওয়ার অনেক পরেও ঘন ঘন পড়লে দেখান। পড়ার সঙ্গে পায়ে শক্তভাব, অস্বাভাবিক ক্লান্তি, বা খেলার ধরনে বদল খেয়াল করলেও তা জানান।
নিউরোলজিস্ট যা যা দেখেন
মূল হাতিয়ার হলো নিজে চোখে দেখা। আপনার শিশুকে হাঁটতে, ঘুরতে দেখা হবে। পারলে পায়ের আঙুলের ভরে বা গোড়ালির ভরে হাঁটতেও বলা হতে পারে। ডাক্তার দেখেন কোন পা কীভাবে নড়ে, শরীর ভারসাম্য রাখে কীভাবে।
তারপর হালকা হাতে পরীক্ষা। পায়ের পেশীর টোন, প্রতিটি পায়ের শক্তি, আর হাঁটু ও গোড়ালির রিফ্লেক্স দেখা হয়। পাশাপাশি পুরো বিকাশের কথা জিজ্ঞেস করা হয়: বসা, প্রথম পা ফেলা, শব্দ বলা, হাতের কাজ। পড়ে যাওয়া শুধু পায়ের ব্যাপার কমই হয়।
বেশিরভাগ ভিজিট শেষ হয় আশ্বাস আর পরবর্তী রিভিউয়ের তারিখ দিয়ে। কখনো থেরাপির ব্যায়াম বা আরও পরীক্ষার কথা আসতে পারে। কোনো পরীক্ষা এখনই সত্যিই লাগবে কিনা, নাকি সময় নিয়ে দেখলেই হবে, ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন। বৃদ্ধি বা সাধারণ স্বাস্থ্যের প্রশ্ন থাকলে কুষ্টিয়ায় শিশু বিশেষজ্ঞ পাশাপাশি যুক্ত থাকতে পারেন। কিছু শিশুর ক্ষেত্রে বিস্তারিত মূল্যায়নের জন্য উচ্চতর পর্যায়ের কেন্দ্রে রেফার করা হতে পারে।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
দিনে কতবার পড়া ছোট শিশুর জন্য স্বাভাবিক?
নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা নেই। নতুন হাঁটুরে দিনে অনেকবারই পড়তে পারে। আসল বিষয় হলো প্রবণতা: হাঁটা ভালো হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পড়া ধীরে ধীরে কমা উচিত।
আমার শিশু সবসময় বাম দিকে পড়ে। দুশ্চিন্তা করব?
বেশিরভাগ পড়া একদিকে হলে দেখিয়ে নেওয়া ভালো। এটা অভ্যাসও হতে পারে। তবে ডাক্তার দুই পাশের শক্তি আর টোন মিলিয়ে দেখতে চাইবেন।
পড়ার সময় শিশু হাত ঠেলে ধরে না, তাহলে কী হবে?
খুব ছোট শিশুরা সবসময় নিজেকে সামলাতে পারে না। বয়স বাড়লেও এই অভ্যাস না এলে, বা মুখ থুবড়ে শক্ত পড়া খেলে, ভিজিটে জানান।
শিশু ভালো হাঁটত, এখন বেশি হোঁচট খায়। এটা কি গুরুতর?
শেখা দক্ষতা হারানো সবসময়ই দ্রুত দেখানোর কারণ। কবে থেকে বদলটা খেয়াল করলেন, আর তার আগে কোনো অসুখ ছিল কিনা, লিখে রাখুন।
শিশুর কি স্ক্যান লাগবে?
প্রথম ধাপে সাধারণত লাগে না। ডাক্তার শুরু করেন দেখে, পরীক্ষা করে আর ইতিহাস শুনে। পাওয়া তথ্য সেদিকে ইঙ্গিত করলেই পরীক্ষার কথা আসে।
ভিজিটের আগে কী লিখে রাখব?
পড়া কখন হয়, কোন দিকে পড়ে, আর হাত ঠেলে ধরে কিনা, লিখুন। বাড়িতে হাঁটার ছোট ভিডিও খুব কাজে লাগে।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.