সেরা শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ - সিলেট
আট বছর বয়সেও প্রায় রোজ রাতে বিছানা ভেজে
খালার বাসায় বেড়াতে গেছে আপনার আট বছরের সন্তান। ব্যাগে আলাদা করে একটা প্যান্ট গুঁজে দিয়েছেন আপনি। যদি লাগে। বাড়িতেও একই ছবি: বেশিরভাগ সকালে ভেজা চাদর, আর কিছু বলার আগেই লজ্জায় মুখ নিচু করে ফেলা একটা শিশু।
আগে একটা কথা পরিষ্কার করে শুনুন। রাতে বিছানা ভেজানো অবহেলা নয়, আলসেমিও নয়। এতে শিশুর কোনো দোষ নেই। মূত্রথলি সবার একই গতিতে পরিণত হয় না। কোনো কোনো শিশুর ক্ষেত্রে রাতে প্রস্রাব কম তৈরি হওয়া বা থলি ভরলে ঘুম ভাঙা, এই দুটোতেই সময় বেশি লাগে।
এই বয়সে বেশিরভাগ বিছানা ভেজানো সময়ের সঙ্গে নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যায়। ডাক্তার কান পেতে শোনেন বদলটা কোথায়। দিনের বেলায় নতুন করে ভেজানো, প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া, জ্বর, কিংবা হঠাৎ অনেক বেশি পিপাসা, এগুলো অন্য দিকে ইঙ্গিত করে। তখন প্রস্রাব পরীক্ষা করে দেখা দরকার।
শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ পুরো ছবিটা দেখেন: বৃদ্ধি ঠিকঠাক হচ্ছে কিনা, রক্তচাপ, প্রস্রাবের রিপোর্ট, আর এই ধারাটা শুরু হলো কীভাবে। কাছের ডাক্তার খুঁজতে সিলেটের ডাক্তারদের তালিকা দেখতে পারেন। কয়েক সপ্তাহের ছোট ছোট নোট লিখে রাখলে ভিজিটে অনেক সুবিধা হয়।
8 available specialists found
Dr. Shubharthi Kar
Dr. Fatema Khanam
Prof. Dr. Col. Abdul Quddus Bhuiyan
Dr. Dhruba Das
Dr. Mohammad Saifur Rahman
Dr. Nazmus Saqib
Dr. Alamgir Chowdhury
Prof. Dr. Md. Nazmul Islam
যা সাধারণত স্বাভাবিক, আর যা নয়
দিনে পুরোপুরি শুকনো থাকে, শুধু রাতে ভেজে, আট বছর বয়সে এটা বেশ পরিচিত ছবি। পরিবারে এমন ধারা আগে থেকেও থাকতে পারে।
কিছু বদল দেখলে হিসাব পাল্টায়। ছয় মাস শুকনো থাকার পর আবার ভেজানো শুরু হলে একবার দেখানো উচিত। দিনের বেলায় কাপড় ভেজানো বা প্রস্রাবের তাড়াহুড়োও খেয়াল করার মতো। প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া, ঘোলা প্রস্রাব বা জ্বর থাকলে ইনফেকশনের কথা ভাবতে হয়। প্রস্রাবের পরিমাণ অনেক বেশি আর সঙ্গে তীব্র পিপাসা থাকলেও পরীক্ষা দরকার।
এসব মানেই যে গুরুতর কিছু হয়েছে, তা নয়। মানে হলো, কারণটা অভ্যাসে না থেকে প্রস্রাব বা কিডনিতে থাকতে পারে। অনুমানের চেয়ে একটা পরীক্ষা তাড়াতাড়ি উত্তর দেয়।
প্রথম পরীক্ষাগুলো একদম সাধারণ
সাধারণত প্রথমে দেওয়া হয় প্রস্রাবের রুটিন পরীক্ষা ও কালচার। ইনফেকশন আছে নাকি নেই, তা জানা যায়। সঙ্গে দেখা হয় প্রস্রাবে প্রোটিন বা রক্ত যাচ্ছে কিনা, যা থাকার কথা নয়। রক্তচাপ মাপা আর ওজন-উচ্চতা দেখে নেওয়ায় মিনিট কয়েক লাগে, কিন্তু ডাক্তার অনেক কিছু বুঝে যান।
ছবিটা আরও পরিষ্কার করতে হলে রক্তে ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিন দেখা হয়। কিডনি ও মূত্রথলির আলট্রাসনোগ্রামে ব্যথা নেই, আকার-আকৃতি দেখা যায়। বেশিরভাগ শিশুর প্রথম ভিজিটেই শুধু প্রস্রাবের পরীক্ষাটাই লাগে।
ছোট একটা খাতা, অনেক বড় সাহায্য
দুই-তিন দিন একটা ছোট খাতা রাখুন। কখন পানি বা তরল খেল, কখন প্রস্রাব করল, রাতটা শুকনো গেল নাকি ভেজা। দিনের বেলায় কাপড় ভিজলেও লিখে রাখুন। স্মৃতি অনেক কিছু মসৃণ করে দেয়, খাতার পাতায় ধারাটা চোখে পড়ে।
খাতাটা সঙ্গে নিয়ে যান। সতর্ক লক্ষণ না থাকলে প্রথমে সিলেটের শিশু বিশেষজ্ঞ দেখালেই চলে। সাজানো-গোছানো অনুমানের চেয়ে অগোছালো সত্যি নোট ডাক্তারের কাছে বেশি দামি।
কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছে কখন যাবেন
বেশিরভাগ বিছানা ভেজানো সাধারণ শিশু ডাক্তারই ভালোভাবে দেখতে পারেন। ইনফেকশন বারবার ফিরলে, প্রস্রাবে প্রোটিন বা রক্ত এলে, কিংবা রক্তচাপ বেশি পাওয়া গেলে কিডনি বিশেষজ্ঞের রেফারেল চান। সকালে চোখের চারপাশ ফোলা দেখলেও সরাসরি যাওয়া ভালো।
পরীক্ষায় সেদিকে ইঙ্গিত মিললে কিছু শিশুর ক্ষেত্রে উচ্চতর পর্যায়ের কেন্দ্রে রেফার করা হতে পারে। আপনার সন্তানের ক্ষেত্রে সেই ধাপ লাগবে কিনা, ডাক্তারের কাছে জিজ্ঞেস করে নিন। পথ যেটাই হোক, বাড়িতে শিশুর সঙ্গে আচরণটা রাখুন নরম। লজ্জা দিলে অগ্রগতি থেমে যায়, ধৈর্য আর শুকনো রাতের প্রশংসা এগিয়ে নেয়।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
আট বছর বয়সে বিছানা ভেজানো কি কিডনির সমস্যা?
সাধারণত নয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মূত্রথলির পরিণতি একটু ধীরে হয়, সময়ের সঙ্গে ঠিক হয়ে যায়। তবু প্রস্রাব পরীক্ষা আর রক্তচাপ মেপে নেওয়া ভালো, যাতে ইনফেকশন বা কিডনির কারণ বাদ দেওয়া যায়।
রাতে ঘুম থেকে তুলে প্রস্রাব করানো কি ঠিক?
তুললে সেই রাতটা হয়তো শুকনো থাকবে, কিন্তু মূত্রথলি ধরে রাখতে শেখে না। আপনার সন্তানের ধারায় এটা কাজে দেবে কিনা, ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
সন্তান দিনের বেলায়ও ভেজালে কী করব?
দিনের ভেজানো ছবিটা বদলে দেয়। তাড়াতাড়ি ভিজিটের ব্যবস্থা করুন। তাড়াহুড়ো, ব্যথা বা কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে তা নোট করুন।
প্রস্রাবের ইনফেকশনে কি বিছানা ভেজাতে পারে?
পারে। ইনফেকশনে মূত্রথলিতে অস্বস্তি বাড়ে, শুকনো থাকা শিশুরও নতুন করে ভেজানো শুরু হতে পারে। প্রস্রাবের রুটিন পরীক্ষা ও কালচারেই তা নিশ্চিত হওয়া যায়।
খাতায় কী কী লিখব?
পানি খাওয়া আর বাথরুমে যাওয়ার সময়, দিনের বেলায় ভেজানো হয়েছে কিনা, আর প্রতি রাত শুকনো গেল নাকি ভেজা। দুই-তিন দিনের নোটই যথেষ্ট।
কখন সরাসরি কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছে যাব?
ইনফেকশন বারবার ফিরলে, প্রস্রাবে প্রোটিন বা রক্ত এলে, রক্তচাপ বেশি থাকলে, কিংবা সকালে চোখের চারপাশ ফোলা দেখলে সরাসরি যান।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.