সেরা শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ - সাভার

গলা সেরে যাওয়ার পর প্রস্রাব চায়ের রঙের

গলার ব্যথা সেরেছে দশ দিন হলো। ছেলে আবার স্কুলে যাচ্ছে, খাচ্ছেও ঠিকঠাক। আজ সকালে পাত্রের দিকে চোখ গেল: প্রস্রাবের রং গাঢ় চায়ের মতো। বিকেল নাগাদ চোখের পাতা ফোলা ফোলা, আর সারাদিনে প্রস্রাব হয়েছে মাত্র দুইবার।

এই সময়ের ধরনটা চিকিৎসাবিজ্ঞানে পরিচিত। গলা বা ত্বকের কিছু ইনফেকশনের এক-দুই সপ্তাহ পর কিডনির ভেতরে প্রদাহ জাগতে পারে। চিকিৎসকরা একে পোস্ট-ইনফেকশাস গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস বলেন। কিডনির সূক্ষ্ম ছাঁকনিগুলো উত্তেজিত হয়ে পড়ে, তাই রক্ত আর প্রোটিন প্রস্রাবে চলে আসে। প্রস্রাবে রক্ত দেখা দেওয়াটা অনেক বাবা-মায়ের জন্যই ভয়ের মুহূর্ত।

চায়ের রঙটা আসে সেই রক্ত থেকে। শরীরে বাড়তি লবণ আর পানি জমে থাকে বলে ফোলা দেখা দেয়। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর ফোলাটা সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে। রক্তচাপও বাড়তে পারে, অনেক সময় শিশুর কোনো অভিযোগ ছাড়াই।

বেশিরভাগ পরিবারের জন্য ছবিটা স্বস্তির। পর্যবেক্ষণ আর বিশ্রামে বেশিরভাগ শিশুই কয়েক সপ্তাহে পুরোপুরি সেরে ওঠে। তবে "বেশিরভাগ" শব্দটার ওজন আছে। আপনার সন্তান কোন দলে পড়ছে, তা জানার উপায় হলো কিডনি পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া।

শুরু করতে সাভারের ডাক্তারদের তালিকায় শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ খুঁজুন।

5 available specialists found

ডাঃ মো. মিরাজুল হাসান

Qualifications এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি, সিসিডি, এমএএসপি।
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Dr. ASM Farhad Khan

Qualifications MBBS, BCS (Health), MD (Nephrology)
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Dr. Mahbub Alam Majumder

Qualifications MBBS, FCPS (Medicine), MD (Nephrology)
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Dr. Muhammad Abdur Razzak

Qualifications MBBS (AFMC), MD (Nephrology), FASN (USA), Clinical Fellow, Nephrology (July,2022-June,2024), University of Toronto, Canada and its affiliated Hospitals (Sunnybrook Health Sciences Center, St
অবস্থান ধানমন্ডি, ঢাকা

এই রোগে যেসব লক্ষণ দেখা যায়

বাবা-মায়ের চোখে প্রথম ধরা পড়ে প্রস্রাবের রং। ধোঁয়াটে, লালচে বাদামি, কিংবা গাঢ় চায়ের মতো। প্রায় একই সময়ে সকালে মুখে হালকা ফোলা দেখা যায় অনেক শিশুর।

অনেকের প্রস্রাবের পরিমাণও কমে যায়। কারো কারো মাথাব্যথা থাকে, যার পেছনে বাড়তি রক্তচাপ থাকতে পারে। ক্লান্তিও সাধারণ, যদিও সেটাকে সহজেই আগের অসুখের ঝালাই ভেবে এড়িয়ে যাওয়া হয়।

তবে সব গাঢ় প্রস্রাব মানেই এই রোগ নয়। জ্বরের ওষুধ, পানিশূন্যতা, এমনকি কিছু খাবারেও প্রস্রাবের রং বদলাতে পারে। গলা বা ত্বকের ইনফেকশনের পরে এই ধরনটাই ডাক্তারকে এই দিকে তাকাতে বলে। তাই সেই ইতিহাসটাই এখানে সবচেয়ে জরুরি তথ্য।

ডাক্তার যেসব পরীক্ষা করবেন

গলার ব্যথা বা ত্বকের ঘায়ের কথা ডাক্তারকে বলুন, কবে হয়েছিল তাও। এই একটা তথ্যই অনেক সময় পুরো মূল্যায়নের দিক ঠিক করে দেয়। সেই অসুখের প্রেসক্রিপশন হাতে থাকলে সঙ্গে নিন।

প্রস্রাব পরীক্ষায় রক্ত আর প্রোটিন দেখা হয়। রক্তে ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিন দেখে কিডনি কীভাবে সামলাচ্ছে বোঝা যায়। রক্তচাপ মাপা হয় যত্ন করে। প্রথম মাপ বেশি এলে আবার মাপা হতে পারে।

প্রথম ভিজিটে আলট্রাসনোগ্রাম সবসময় লাগে না। এখনই লাগবে নাকি রিভিউ পর্যন্ত অপেক্ষা করা যায়, ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করে নিন। ছবিটা পরিষ্কার না হলে একজন সাভারের শিশু বিশেষজ্ঞও আগে দেখে নিতে পারেন।

সেরে ওঠা, সপ্তাহের পর সপ্তাহ

সেরে ওঠা সাধারণত দিনে নয়, সপ্তাহে এগোয়। প্রস্রাবের রং ধীরে ধীরে হালকা হয়, ফোলা কমে, রক্তচাপ নেমে আসে। চোখে দেখা রঙ চলে যাওয়ার পরও অণুবীক্ষণে রক্ত থেকে যেতে পারে আরও কিছুদিন। শুনতে দুশ্চিন্তার মনে হলেও এটা প্রত্যাশিত।

রিভিউতে ধারাটা দেখা হয়: প্রস্রাব পরীক্ষা, রক্তচাপ, কখনো আবার রক্তের মান। ভিজিটের মাঝখানে প্রস্রাবের পরিমাণ আর সকালের ফোলা খেয়াল করুন। নতুন কিছু দেখলে নিজে মানে খুঁজতে না গিয়ে লিখে রাখুন।

শ্বাসকষ্ট, তীব্র মাথাব্যথা, বমি, প্রস্রাব খুব কম, কিংবা দ্রুত ছড়ানো ফোলা দেখলে সেদিনই সাহায্য নিন। অল্প কিছু শিশুর ক্ষেত্রে উচ্চতর পর্যায়ের কেন্দ্রে রেফার করা হতে পারে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

সন্তানের প্রস্রাব চায়ের রঙের হয়ে গেল, এর মানে কী হতে পারে?

গলা বা ত্বকের ইনফেকশনের এক-দুই সপ্তাহ পর এমন রং কিডনির প্রদাহের সংকেত হতে পারে। প্রস্রাব পরীক্ষা, রক্তচাপ মাপা আর ডাক্তারের মূল্যায়ন লাগবে।

এখনই কি হাসপাতালে ছুটতে হবে?

বেশিরভাগ শিশুকে প্রথমে চেম্বারেই মূল্যায়ন করা হয়। প্রস্রাব খুব কমে গেলে, ফোলা দ্রুত ছড়ালে, বা শ্বাস নিতে কষ্ট হলে সেদিনই যান।

কোন পরীক্ষায় এই রোগ নিশ্চিত হয়?

প্রস্রাবে রক্ত ও প্রোটিনের পরীক্ষা, রক্তে ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিন, আর যত্ন করে রক্তচাপ মাপা। সাম্প্রতিক ইনফেকশনের ইতিহাস বাকি সিদ্ধান্তের পথ দেখায়।

সেরে উঠতে কতদিন লাগে?

রং, ফোলা আর রক্তচাপ ঠিক হতে অনেক ক্ষেত্রে কয়েক সপ্তাহ লাগে। প্রস্রাব ও রক্তচাপ ধারাবাহিকভাবে স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত রিভিউ চলে।

পরেরবার গলার ইনফেকশন হলে কি আবার এমন হবে?

একই শিশুর ক্ষেত্রে দুইবার হওয়া বিরল। তবু পরবর্তীতে গলা বা ত্বকের ইনফেকশনের চিকিৎসায় এই পর্বের কথা জানিয়ে রাখুন।

রিভিউয়ের মাঝখানে বাড়িতে কী খেয়াল রাখব?

প্রস্রাবের পরিমাণ ও রং, সকালে চোখের চারপাশের ফোলা, আর মাথাব্যথা। বদল দেখলে তারিখসহ লিখে রিভিউতে দেখান।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.