সেরা শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ - রংপুর

সারাদিন প্রস্রাব চেপে রাখে মেয়েটা

স্কুল থেকে ফিরেই মেয়েটা ছুটে যায় বাথরুমে। সকাল থেকে চেপে রেখেছে। অনেক মেয়েই এমন করে, কাউকে কিছু বলে না। টয়লেটে লম্বা লাইন, নয়তো জায়গাটা অপরিষ্কার, আবার কখনো খেলতে খেলতেই ভুলে যায়।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা প্রস্রাব আটকে রাখলে মূত্রথলির ভেতরে জীবাণু বাড়ার সময় পেয়ে যায়। সঙ্গে সারাদিনে পানি খাওয়া কম হলে প্রস্রাব আরও ঘন হয়ে থাকে। স্কুলপড়ুয়া মেয়েদের বারবার প্রস্রাবের ইনফেকশনের পেছনে এই ধরনটাই অনেক সময় দেখা যায়। দিনের শেষে মূত্রথলি যেন চাপে ফেটে যাওয়ার মতো অবস্থা হয় অনেকের।

এতে শিশুর কোনো দোষ নেই। লজ্জা, লম্বা ক্লাস, কিংবা অপরিষ্কার টয়লেট, যেকোনো একটা কারণেই অভ্যাসটা তৈরি হতে পারে। দরকার হলো তৃতীয় বা চতুর্থবার ইনফেকশন হওয়ার আগেই ধরনটা খেয়াল করা।

শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ ঠিক এই অভ্যাসগুলোর কথাই জিজ্ঞেস করবেন। দিনে কতবার প্রস্রাব হয়, স্কুলে পানি খায় কিনা। একবার ইনফেকশন হওয়া শৈশবে স্বাভাবিক। বাবা-মায়ের পক্ষে বাইরে থেকে ধরনটা টের পাওয়া কঠিন। কিন্তু বারবার ফিরে এলে শুধু একই ওষুধ নয়, কারণটা খুঁজতে হয়।

বিশেষজ্ঞ খুঁজতে রংপুরের ডাক্তারদের তালিকা দেখতে পারেন।

3 available specialists found

Dr. Md. Rashedul Islam (Ranzu)

Qualifications MBBS, BCS (Health), and MS (Urology). He is experienced in managing and surgically treating conditions such as kidney stones, urinary tract infections, bladder tumors, prostate enlargement, ureteric stones, male infertility, and urinary incontinence. Dr
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

Dr. Syed Anisuzzaman Mithun

Qualifications MBBS, MD (Nephrology)
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

Dr. Md. Abdul Mukit

Qualifications MBBS, MD (Nephrology)
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

বারবার ফিরে এলে কারণ খুঁজতে হয় কেন

ওষুধে ইনফেকশন সেরে গেল, কিন্তু কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আবার ফিরে এলো। তখন প্রশ্নটা বদলে যায়। শুধু জীবাণু মারলেই হয় না, জীবাণুটা আবার সুযোগ পেল কেন, সেটা জানা জরুরি।

কখনো কারণটা সাধারণ অভ্যাস। কখনো কারণ শরীরের ভেতরে। কিছু শিশুর জন্ম থেকেই কিডনি বা প্রস্রাবের নালির গঠনে ছোট্ট একটা পার্থক্য থাকে। প্রস্রাব পুরোপুরি বের হয়ে যায় না। থেকে যাওয়া প্রস্রাবেই নতুন ইনফেকশন বাসা বাঁধে। বারবার ইনফেকশন হলে বাড়ন্ত কিডনিতে ধীরে ধীরে ক্ষত হতে পারে। তাই দ্বিতীয় বা তৃতীয়বারের ইনফেকশনকে বিশেষজ্ঞ গুরুত্ব দিয়ে দেখেন।

প্রথমে যেসব পরীক্ষা করা হয়

প্রস্রাবের রুটিন পরীক্ষায় পুঁজ, রক্ত বা প্রোটিন আছে কিনা বোঝা যায়। কালচার পরীক্ষায় জীবাণুটাই ধরা পড়ে, কোন ওষুধে কাজ হবে তাও। ইনফেকশন বারবার হলে অনুমান করে ওষুধ দেওয়া নির্ভরযোগ্য থাকে না, তাই কালচারটা গুরুত্বপূর্ণ।

আলট্রাসনোগ্রামে কিডনি ও মূত্রথলির আকার-গঠন দেখা হয়, প্রস্রাব ঠিকমতো নামছে কিনা তাও। রক্তে ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিন দেখে কিডনি কতটা কাজ করছে বোঝা যায়। রক্তচাপও মাপা হয়। কিডনির সমস্যায় রক্তচাপ কোনো লক্ষণ ছাড়াই বেড়ে থাকতে পারে।

আগে সাধারণ পরীক্ষা করাতে চাইলে রংপুরের শিশু বিশেষজ্ঞ প্রথমে দেখে পরের ধাপে পরামর্শ দিতে পারবেন।

বাড়িতে যেসব অভ্যাস সাহায্য করে

অভ্যাস একা ইনফেকশন সারাতে পারে না। তবে জীবাণু বাড়ার পরিবেশটা বদলে দেয়, সেটাই সাহায্য। মেয়েকে উৎসাহ দিন, কয়েক ঘণ্টা পরপর প্রস্রাব করুক, কষ্টের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেপে না রাখুক।

যে পানির বোতলটা সে সত্যিই সঙ্গে নেয় আর শেষ করে, সেটা দুপুর গড়ালে ভুলে যাওয়া উপদেশের চেয়ে ভালো কাজ করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের দিকেও খেয়াল রাখুন। পেট ভরে থাকলে মূত্রথলির ওপর চাপ পড়ে, প্রস্রাব পুরোপুরি খালি হয় না।

আর নির্ধারিত ওষুধের কোর্সটা পুরোটা শেষ করুন। জ্বালা বা জ্বর কমে গেলেও নয়। আগেই বন্ধ করলে সবচেয়ে শক্ত জীবাণুগুলোই বেঁচে থাকে।

কখন আগেই আসতে হবে

জ্বর ফিরে এলে আগেই যোগাযোগ করুন। পিঠে বা পাশে ব্যথা, ঘোলা প্রস্রাব, কিংবা প্রস্রাবে তীব্র গন্ধ থাকলেও তাই। ইনফেকশনের সঙ্গে বমি হলে দ্রুত দেখানো দরকার, ছোট শিশু তাড়াতাড়ি পানিশূন্য হয়ে পড়তে পারে।

চিকিৎসার পর আবার প্রস্রাব পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া হয়, ইনফেকশন সত্যিই গেছে কিনা। প্রতিটা পর্বের ছোট্ট নোট রাখুন: তারিখ, লক্ষণ, কোন ওষুধ দেওয়া হলো। মাসের পর মাস জমানো এই নোট স্মৃতির চেয়ে অনেক বেশি বলে দেয়। অল্প কিছু শিশুর ক্ষেত্রে আরও পরীক্ষার জন্য উচ্চতর পর্যায়ের কেন্দ্রে রেফার করা হতে পারে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

মেয়ের প্রস্রাবের ইনফেকশন বারবার ফিরে আসে কেন?

অনেক সময় প্রস্রাব চেপে রাখা আর কম পানি খাওয়া জড়িত থাকে। কারো কারো ক্ষেত্রে জন্মগত গঠনের পার্থক্যে প্রস্রাব জমে থেকে ইনফেকশন ফেরে। কালচার আর আলট্রাসনোগ্রামে কারণটা খুঁজে পাওয়া যায়।

প্রস্রাব চেপে রাখলেই কি ইনফেকশন হয়?

চেপে রাখলে মূত্রথলিতে থাকা প্রস্রাবে জীবাণু বাড়ার সময় পায়। নিয়মিত প্রস্রাব করলে অনেক জীবাণু ধুয়ে বেরিয়ে যায়।

প্রস্রাবের কালচারে বাড়তি কী জানা যায়?

রুটিন পরীক্ষায় ইনফেকশনের ইঙ্গিত মেলে। কালচারে জীবাণুর নাম জানা যায়, কোন ওষুধে এখনো কাজ হবে তাও।

আলট্রাসনোগ্রাম কি লাগবেই?

ইনফেকশন বারবার হলে সাধারণত লাগে। পরীক্ষাটায় ব্যথা নেই। কিডনি, মূত্রথলি আর প্রস্রাব নামার ধরন দেখা যায়।

শুধু ভালো অভ্যাসেই কি ফিরে আসা ইনফেকশন সেরে যাবে?

না। অভ্যাস সাহায্য করে, আবার হওয়ার ঝুঁকি কমায়। কিন্তু চলমান ইনফেকশনের চিকিৎসা লাগে, কারণও খুঁজতে হয়।

রিভিউয়ের তারিখের আগেই কখন ফিরতে হবে?

জ্বর, পিঠে বা পাশে ব্যথা, বমি, ঘোলা প্রস্রাব, কিংবা প্রস্রাব হঠাৎ অনেক কমে গেলে দ্রুত ফিরুন।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.