সেরা শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ - পাবনা

প্রস্রাবের ফেনাটা মিলিয়ে যাচ্ছে না

বাথরুমে সন্তানকে সাহায্য করতে গিয়ে চোখে পড়ল। প্রস্রাবের ওপর সাদা ফেনার আস্তর, আর সেটা সহজে মিলিয়ে যাচ্ছে না। কালও এমন দেখেছিলেন। তার আগের দিনও।

প্রস্রাব পানিতে জোরে পড়লে কিছু বুদবুদ উঠতেই পারে। সেগুলো কয়েক সেকেন্ডে ফেটে যায়। কিন্তু ঘন ফেনা যদি থেকে যায়, অনেকক্ষণ পরও না মিলায়, তাহলে ব্যাপারটা আলাদা। এর মানে হতে পারে, প্রস্রাবের সঙ্গে প্রোটিন বেরিয়ে যাচ্ছে। সুস্থ কিডনি প্রোটিন প্রায় বেরই হতে দেয় না।

কিডনি দিয়ে দিনের পর দিন প্রোটিন বেরিয়ে গেলে সেই অবস্থাকে অনেক সময় নেফ্রোটিক সিনড্রোম বলা হয়। রক্তে প্রোটিন কমে গেলে শরীরে পানি জমে। সে কারণে সকালে ঘুম থেকে উঠলে অনেক বাচ্চার চোখের চারপাশ ফোলা দেখায়। দিন বাড়লে ফোলাটা কমেও আসে।

শুধু ফেনা দেখে নিজে সিদ্ধান্তে যাবেন না। এক সপ্তাহ খেয়াল করুন, কবে ফেনা দেখলেন আর সকালে মুখ ফোলা ছিল কিনা। সেই নোট নিয়ে ডাক্তারের কাছে যান। পাবনায় ডাক্তারদের তালিকা দেখে শিশুর কিডনি সমস্যা দেখেন এমন কাউকে বেছে নিতে পারেন।

সাধারণ একটা প্রস্রাব পরীক্ষাই অনেক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দেয়। সপ্তাহের পর সপ্তাহ অনুমান করার চেয়ে সেটা অনেক ভালো।

5 available specialists found

Dr. Md. Aminul Haque Palash

Qualifications MBBS, BCS (Health), MD in Nephrology, MACP (USA), and FCPS (Medicine, FP). Dr. Palash serves as a Consultant in Nephrology at the 250 Beded General Hospital, Pabna. He is experienced in managing kidney diseases, dialysis, hypertension, electrolyte imbalances, and chronic kidney disease (CKD). For appointments,
অবস্থান পাবনা সদর, পাবনা

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মো. আব্দুল হাকিম

Qualifications এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (নেফ্রোলজি)।
অবস্থান রাজশাহী সিটি, রাজশাহী

Dr. Shahryar Waheed

Qualifications MBBS, BCS (Health), MCPS (Medicine), MD (Nephrology)
অবস্থান উত্তরা, ঢাকা

Dr. Md. Moniruzzaman (Monir)

Qualifications MBBS, BCS (Health), MD (Nephrology
অবস্থান পাবনা সদর, পাবনা

Dr. Ishtiaq Mosharraf

Qualifications MBBS, BCS (Health), MD (Nephrology)
অবস্থান পাবনা সদর, পাবনা

প্রস্রাবে প্রোটিন মানে আসলে কী

প্রোটিনের জায়গা রক্তে, প্রস্রাবে নয়। কিডনির ভেতরের ছোট ছোট ছাঁকনি প্রোটিন আটকে রাখে, আর বর্জ্য ও অতিরিক্ত পানি বের করে দেয়। ছাঁকনিতে প্রদাহ বা ক্ষতি হলে প্রোটিন ফসকে বেরিয়ে যেতে থাকে।

জ্বর থাকলে কিংবা বড় বাচ্চাদের বেশি খেলাধুলার পর প্রস্রাবে অল্প প্রোটিন সাময়িকভাবে আসতে পারে। কিন্তু একাধিক পরীক্ষায় প্রোটিন ধরা পড়লে কারণ খুঁজতে হয়। শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ প্রস্রাবের রিপোর্টের সঙ্গে রক্তচাপ, ওজন-উচ্চতার বৃদ্ধি আর শরীরের ফোলা মিলিয়ে দেখেন।

যেসব পরীক্ষায় প্রোটিন বেরিয়ে যাওয়া নিশ্চিত হয়

প্রথম ধাপ হলো প্রস্রাবের পরীক্ষা। ডিপস্টিক দিয়ে দ্রুত একটি ধারণা পাওয়া যায়, ল্যাবরেটরির পরীক্ষায় প্রোটিনের মাত্রা আরও সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায়। রুটিন প্রস্রাব পরীক্ষায় রক্ত বা ইনফেকশন থাকলেও ধরা পড়ে।

রক্তের পরীক্ষায় সাধারণত অ্যালবুমিন দেখা হয়। প্রোটিন বেশি বেরিয়ে গেলে রক্তে অ্যালবুমিন কমে যায়। নেফ্রোটিক সিনড্রোমে কোলেস্টেরলও অনেক সময় বেড়ে থাকে, তাই সেটাও দেখা হতে পারে। ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিন দিয়ে বোঝা যায় কিডনি বর্জ্য পরিষ্কার করতে পারছে কিনা।

রক্তচাপ মাপা হয় প্রতিটি ভিজিটেই। কখনো কখনো কিডনির আলট্রাসনোগ্রাম করতে বলা হয়, যাতে কিডনির আকার ও গঠন দেখা যায়।

নেফ্রোটিক সিনড্রোম সাধারণত যেভাবে চলে

নেফ্রোটিক সিনড্রোমে প্রোটিন এত বেশি বেরিয়ে যায় যে রক্তের অ্যালবুমিন কমে যায়। তখন শরীরে পানি জমতে থাকে। ওজনও দ্রুত বাড়তে পারে জমে থাকা পানির কারণে। ফোলা প্রথমে চোখের চারপাশে, পরে পায়ের দিকে দেখা যায়।

চিকিৎসায় প্রোটিন বেরিয়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। তবে রোগটা ফিরে আসা স্বাভাবিক, অনেক সময় সামান্য সর্দি-জ্বরের পরই। এ কারণেই ফলোআপ চলে মাসের পর মাস। আশানুরূপ উন্নতি না হলে সন্তানকে উচ্চতর পর্যায়ের কেন্দ্রে রেফার করা হতে পারে।

ফেনা মানেই নেফ্রোটিক সিনড্রোম নয়

প্রস্রাবের ইনফেকশনেও প্রস্রাব ঘোলাটে হতে পারে, চেহারা বদলাতে পারে। গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিসে কিডনির ভেতরে প্রদাহ হয়। প্রস্রাবে রক্ত আসতে পারে, রক্তচাপও বাড়তে পারে। কোনটা যে কারণ, পরীক্ষা ছাড়া আলাদা করা যায় না।

প্রথম রিপোর্টে পরিষ্কার বোঝা না গেলে ডাক্তার আবার পরীক্ষা করতে বলতে পারেন। এক সকালে ফেনা দেখলেই রোগ ধরে নেওয়া ঠিক নয়। আগে একজন শিশু বিশেষজ্ঞ দেখাতে চাইলে পাবনার শিশু বিশেষজ্ঞ দেখিয়ে নিতে পারেন। তিনি পরীক্ষা করে পরের ধাপ বলে দেবেন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

সাধারণ বুদবুদ আর প্রোটিনের ফেনা আলাদা করব কীভাবে?

সাধারণ বুদবুদ বড় হয়, কয়েক সেকেন্ডে ফেটে যায়। প্রোটিনের ফেনা হয় ঘন ও মিহি, একটা আস্তরের মতো থেকে যায়, আর প্রায় রোজই দেখা যায়। নিশ্চিত হতে প্রস্রাব পরীক্ষা লাগে।

ফেনা আছে কিন্তু শরীরে ফোলা নেই। তবু কি ডাক্তার দেখাব?

হ্যাঁ। ফোলা সাধারণত অনেকটা প্রোটিন বেরিয়ে যাওয়ার পর দেখা দেয়। ফোলা আসার আগেই ধরা পড়লে চিকিৎসা শুরু করা সহজ হয়।

কোন প্রস্রাব পরীক্ষায় প্রোটিন ধরা পড়ে?

ডিপস্টিক পরীক্ষায় দ্রুত ধারণা মেলে। ল্যাবরেটরিতে প্রস্রাব পরীক্ষায় প্রোটিনের মাত্রা আরও ভালোভাবে বোঝা যায়। কখনো একই নমুনায় প্রোটিনের সঙ্গে ক্রিয়েটিনিনের অনুপাত দেখা হয়।

প্রস্রাবের ইনফেকশনে কি প্রস্রাবে প্রোটিন আসতে পারে?

আসতে পারে, ইনফেকশন থাকাকালীন অল্প পরিমাণে। ডাক্তার সাধারণত আগে ইনফেকশনের চিকিৎসা করেন। তারপর ইনফেকশন সারলে আবার প্রস্রাব পরীক্ষা করে দেখেন।

নেফ্রোটিক সিনড্রোমে কি কিডনি স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যায়?

চিকিৎসা আর নিয়মিত ফলোআপে কিডনির কার্যক্ষমতা অনেক ক্ষেত্রে স্বাভাবিকই থাকে। নিশ্চিত থাকতে ডাক্তার নিয়মিত ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিন দেখে যান।

ভিজিটের আগে বাড়িতে কী কী নোট করব?

কবে কবে ফেনা দেখলেন, সকালে চোখ ফোলা ছিল কিনা, লিখে রাখুন। প্রস্রাবের পরিমাণ, জ্বর আছে কিনা, আর চলতি ওষুধের নামও নোট করুন। পুরনো রিপোর্ট থাকলে সঙ্গে নিন।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.