সেরা শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ - খুলনা
দুই ধরনের ডাক্তার, দুই রকম কাজ
এই বছরেই সন্তানের তিনবার প্রস্রাবের ইনফেকশন হলো। প্রতিবারই খুলনায় বাসার কাছের শিশু বিশেষজ্ঞ জ্বরের চিকিৎসা দিয়েছেন, সন্তান সেরেও উঠেছে। কিন্তু শেষবার তিনি একটা নতুন কথা বললেন। এই ধারাটা একজন কিডনি ডাক্তারকেও দেখানো দরকার।
এটা অবহেলা নয়। শিশুদের চিকিৎসা এভাবেই চলার কথা। শিশু বিশেষজ্ঞ সন্তানের পুরো স্বাস্থ্য দেখেন। বৃদ্ধি, টিকা, খাওয়া, সাধারণ অসুখ, সবই তাঁর কাজ। শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞের নজর শুধু কিডনি আর প্রস্রাবের ব্যবস্থায়। সেখানকার সমস্যা তিনি মাসের পর মাস, কখনো বছরের পর বছর ফলোআপ করেন।
নেফ্রোটিক সিনড্রোমের চিকিৎসা হয় কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছেই। বারবার ইনফেকশন, প্রস্রাবে রক্ত, উচ্চ রক্তচাপও তাই। কিডনি ঠিকমতো রক্ত পরিষ্কার করতে না পারলেও তিনিই দেখেন। এসব সমস্যা অনেক সময় প্রথম ধরেন নিয়মিত শিশু ডাক্তারই, কারণ সন্তানকে সবচেয়ে বেশি তিনিই দেখেন।
একদম শুরু থেকে শুরু করতে চাইলে প্রথম পরীক্ষার জন্য খুলনার ডাক্তারদের তালিকা দেখুন। সমস্যাটা এর মধ্যেই কিডনি বা প্রস্রাবের দিকে ইঙ্গিত করলে এমন একজন খুলনার শিশু বিশেষজ্ঞ খুঁজুন, যিনি নিয়মিত শিশুদের কিডনি রোগ দেখেন।
10 available specialists found
Dr. Palash Tarafder
Dr. Md. Afzalul Bashar
Dr. Kalpo Sikder
Dr. Syed Imtiaz Ahmed
Dr. Md. Obaidul Haque Sumon
Dr. Muhammad Arshad-ul-Azim
Dr. Md. Enamul Kabir
Dr. Mithun Debnath
কোন সমস্যাগুলো কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত
তালিকার প্রথমেই বারবার প্রস্রাবের ইনফেকশন। একবার ইনফেকশন হলে সেটা শিশুদের সাধারণ সমস্যা। কিন্তু বছরে তিন-চারবার হলে সেটা একটা ধারা, আর ধারার পেছনে কারণ থাকে। কিডনি বিশেষজ্ঞ প্রস্রাব, কিডনি আর প্রস্রাবের নালি পরীক্ষা করে সেই কারণটাই খোঁজেন।
আরেকটা বড় সমস্যা নেফ্রোটিক সিনড্রোম। প্রস্রাব দিয়ে প্রোটিন বেরিয়ে যায়, শরীর ফুলতে থাকে, প্রথমে সাধারণত চোখের চারপাশে। গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিসে প্রস্রাবে রক্ত আসে, রক্তচাপও বাড়ে। কারো কারো জন্ম থেকেই কিডনি বা প্রস্রাবের নালিতে সমস্যা থাকে, স্ক্যানে ধরা পড়ে। ছয়-সাত বছর পেরিয়ে বিছানা ভেজানো, ধীর বৃদ্ধি, দুর্বল কিডনিও এই তালিকাতেই পড়ে।
দুই ডাক্তার একসঙ্গে যেভাবে কাজ করেন
বাস্তবে সন্তানকে হয়তো দুজন ডাক্তারের কাছেই যেতে হবে। শিশু বিশেষজ্ঞ প্রতিদিনের অসুখ দেখেন, বৃদ্ধি আর টিকার দিকে খেয়াল রাখেন। কিডনি বিশেষজ্ঞ কিডনির চিকিৎসার পরিকল্পনা ঠিক করেন। প্রস্রাব আর রক্তের পরীক্ষা কতদিন পরপর হবে, সেটাও তিনিই ঠিক করেন।
রিপোর্ট দুই চেম্বারের মধ্যেই যাওয়া-আসা করে। নিয়মিত ডাক্তারের কাছে জ্বরের ভিজিটটাও জরুরি, কারণ ইনফেকশন নীরব কিডনি সমস্যাকে জাগিয়ে তুলতে পারে। সেই ভিজিটে কিডনির রিপোর্টগুলো সঙ্গে নিন। নতুন প্রেসক্রিপশন পেলে পরের রিভিউতে কিডনি ডাক্তারকে সেটা দেখান।
যেসব লক্ষণ দেখলে বসে থাকা ঠিক নয়
মুখ বা শরীর ফুলে উঠলে দ্রুত দেখান। প্রস্রাব ফেনা ফেনা হলেও তাই, চায়ের মতো রঙ হলেও তাই। প্রস্রাব স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কমে গেলে সেদিনই দেখানো দরকার, বিশেষ করে সঙ্গে জ্বর বা বমি থাকলে।
প্রস্রাবে জ্বালা নিয়ে জ্বর বারবার এলে কালচার পরীক্ষা ছাড়া বারবার ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়। কোনো চেকআপে রক্তচাপ বেশি পাওয়া গেলেও ফলোআপ দরকার। সন্তান সুস্থ বোধ করলেও বিষয়টা ফেলে রাখবেন না।
সঙ্গে যা যা নিয়ে যাবেন
আগের প্রস্রাব ও রক্তের রিপোর্ট সঙ্গে নিন। আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট আর পুরনো প্রেসক্রিপশনও নিন, নিয়মিত শিশু ডাক্তারের দেওয়া প্রেসক্রিপশনসহ। ওজন আর বৃদ্ধির রেকর্ড থাকলে বিশেষজ্ঞ বুঝতে পারবেন, কিডনির সমস্যা সন্তানের বাড়নে প্রভাব ফেলছে কিনা।
আগের ইনফেকশনগুলো কবে হয়েছিল আর কোন ওষুধ দেওয়া হয়েছিল, লিখে রাখুন। সন্তান এখন নিয়মিত কোনো ওষুধ খেলে তার নামটাও নোট করুন। ব্যস্ত চেম্বারে মুখে মনে করার চেয়ে ছোট্ট লেখা তালিকা অনেক বেশি কাজে দেয়।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
শিশু বিশেষজ্ঞ আর শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞের মধ্যে পার্থক্য কী?
শিশু বিশেষজ্ঞ শিশুর সামগ্রিক স্বাস্থ্য দেখেন। শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞের কাজ কিডনি আর প্রস্রাবের ব্যবস্থা নিয়ে। নেফ্রোটিক সিনড্রোমের মতো অসুখ তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফলোআপ করেন।
সন্তানকে কি দুজন ডাক্তারের কাছেই যেতে হবে?
অনেক সময়ই হ্যাঁ। নিয়মিত শিশু ডাক্তার প্রতিদিনের যত্ন দেখেন আর সমস্যা তাড়াতাড়ি ধরতে পারেন। কিডনি বিশেষজ্ঞ কিডনির চিকিৎসার পরিকল্পনা করেন আর পুনরাবৃত্ত পরীক্ষাগুলো রিভিউ করেন।
কিডনি বিশেষজ্ঞ প্রথমে কোন পরীক্ষা দেন?
সাধারণত প্রস্রাবের রুটিন পরীক্ষা ও কালচার। রক্তের ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিনও দেখা হয়। সঙ্গে থাকে কিডনির আলট্রাসনোগ্রাম। ভিজিটে রক্তচাপও মাপা হয়।
সন্তানের প্রস্রাবের ইনফেকশন বারবার হচ্ছে, এটা কিডনির চিন্তা কেন?
বারবার ইনফেকশন হলে প্রস্রাবের নালি বা কিডনিতে সমস্যা থাকতে পারে। কারণটা তাড়াতাড়ি ধরা পড়লে কিডনি ধীরে ধীরে, শব্দ ছাড়াই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা পায়।
নেফ্রোটিক সিনড্রোমের ফলোআপ কতদিন চলে?
অনেক সময় কয়েক মাস, কখনো তার বেশি। প্রস্রাবে প্রোটিন কমার সঙ্গে সঙ্গে ওষুধের মাত্রা বদলায়। সন্তান ভালো থাকলেও ডাক্তারের ঠিক করা সময় অনুযায়ী প্রস্রাব পরীক্ষা চালিয়ে যেতে হয়।
সন্তানের কি কিডনি বায়োপসি লাগবে?
বেশিরভাগ শিশুরই লাগে না। রিপোর্ট আর স্ক্যানে সমস্যা পরিষ্কার না হলে, বেছে নেওয়া কিছু ক্ষেত্রেই বায়োপসির পরামর্শ আসে। লাগলে হয়তো উচ্চতর পর্যায়ের কেন্দ্রে রেফার করা হতে পারে।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.