সেরা শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ - যশোর

নিয়মিত চেকআপে হঠাৎ ধরা পড়ল, চাপ বেশি

যশোরে অনেক বাবা-মা সন্তানের রক্তচাপের কথা প্রথম শোনেন একদম আচমকা। জ্বরের জন্য ডাক্তারের কাছে যাওয়া হয়েছিল। কিংবা স্কুলে ভর্তির আগে সাধারণ চেকআপ। ডাক্তার হাতে ছোট কাফ পরিয়ে দুইবার মাপলেন। তারপর প্রস্রাব নিয়ে কয়েকটা প্রশ্ন করলেন।

শিশুদের উচ্চ রক্তচাপ সাধারণত নিজে থেকে ধরা দেয় না। সন্তান খেলে, খায়, ঘুমায় আগের মতোই। ব্যথা নেই, অভিযোগও নেই। বাড়িতে বসে এটা বোঝার উপায় থাকে না। শিশুদের ক্ষেত্রে চাপ বারবার বেশি থাকলে ডাক্তাররা প্রথমে কিডনির দিকেই তাকান। তাই এমন কেস শেষ পর্যন্ত অনেক সময় শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছেই যায়।

প্রথমে সাধারণত প্রস্রাবের রুটিন পরীক্ষা আর কিডনির আলট্রাসনোগ্রাম করা হয়। রক্তের ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিন দেখে বোঝা যায় কিডনি কতটা কাজ করছে। কোনো চেকআপে সন্তানের রক্তচাপ বেশি পাওয়া গেলে লক্ষণের জন্য অপেক্ষা করবেন না। পুরনো রিপোর্টগুলো সঙ্গে নিয়ে ডাক্তার দেখান।

কাছাকাছি চেম্বার খুঁজতে যশোরের ডাক্তারদের তালিকা দেখতে পারেন। সমস্যাটা কিডনির কিনা এখনও নিশ্চিত না হলে একজন যশোরের শিশু বিশেষজ্ঞ দিয়ে শুরু করাও ঠিক হবে।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ যেসব সমস্যা দেখেন

বারবার প্রস্রাবের ইনফেকশন নিয়েই সবচেয়ে বেশি পরিবার আসে। একবার ওষুধ শেষ হলো, মাসখানেক ভালো থাকল, তারপর আবার জ্বর। বিশেষজ্ঞ শুধু অ্যান্টিবায়োটিক বদলে দেন না, তিনি কারণটা খোঁজেন।

আরেকটা নিয়মিত কেস নেফ্রোটিক সিনড্রোম। প্রস্রাব দিয়ে প্রোটিন বেরিয়ে যায়, আর শরীরে পানি জমে মুখ ফুলে ওঠে। গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস আবার আলাদা। এতে প্রস্রাবে রক্ত আসে, রক্তচাপও বেড়ে যায়। কারো কারো জন্মের আগের স্ক্যানেই কিডনি বা প্রস্রাবের নালির সমস্যা ধরা পড়ে। কেউ আসে ছয়-সাত বছর পেরিয়েও বিছানা ভেজানো নিয়ে, কেউ আসে কারণ ছাড়াই বৃদ্ধি ধীর হয়ে যাওয়া নিয়ে।

যেসব লক্ষণ দেখলে দেরি করবেন না

বাবা-মায়ের চোখে প্রথম পড়ে ফোলা ভাবটা। সকালে চোখের চারপাশ ফোলা। সন্ধ্যায় জুতা টাইট লাগা। প্রস্রাব ফেনা ফেনা হলে বা চায়ের মতো রঙ ধরলেও দ্রুত দেখানো দরকার।

প্রস্রাব স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কমে গেলে সেদিনই দেখান, বিশেষ করে সঙ্গে জ্বর বা বমি থাকলে। কোনো ডাক্তার সন্তানের রক্তচাপ বেশি নথিভুক্ত করে থাকলেও সেটাকে লক্ষণ হিসেবেই ধরুন। সন্তান সম্পূর্ণ সুস্থ বোধ করলেও তাই।

যশোরে ডাক্তার বাছাই

এমন ডাক্তার খুঁজুন যিনি শিশুদের কিডনি ও প্রস্রাবের রোগী নিয়মিত দেখেন। প্রস্রাবের পরীক্ষা আর কিডনির আলট্রাসনোগ্রাম দেরি না করে করানো যায় কিনা জেনে নিন। এই চিকিৎসায় ফলোআপ চলে বারবার রিপোর্টের ওপর ভর করে।

ফলোআপ কীভাবে চলবে, সেটাও প্রথম দিন জিজ্ঞেস করুন। পরের রক্তচাপ মাপা কবে হবে? বাড়িতে কোন বদল দেখলে আগেই আসতে হবে? যিনি প্রথম ভিজিটেই এসব পরিষ্কার করে বলেন, তিনি সাধারণত রিপোর্টগুলো ঠিকমতো খেয়াল রাখেন।

যাওয়ার আগে যা গুছিয়ে নেবেন

আগের সব প্রস্রাব ও রক্তের রিপোর্ট সঙ্গে নিন। আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট আর পুরনো প্রেসক্রিপশনও নিন। আগের কোনো ডাক্তার রক্তচাপের মাপ লিখে থাকলে সেই কাগজটাও লাগবে। ওজন আর বৃদ্ধির রেকর্ড থাকলে সেটাও কাজে আসে।

সন্তান এখন যেসব ওষুধ খাচ্ছে, নামগুলো লিখে রাখুন। ফোলা বা জ্বরের ঘটনাগুলো কবে হয়েছিল, সেটাও নোট করুন। কাগজে লেখা মোটামুটি একটা হিসাব চেম্বারে অনেক সময় বাঁচিয়ে দেয়।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

শিশু কি অসুস্থ বোধ না করেও উচ্চ রক্তচাপে ভুগতে পারে?

পারে। উচ্চ রক্তচাপ আছে এমন বেশিরভাগ শিশু কিছুই টের পায় না। কেউ মেপে না দেখলে ধরা পড়ে না। তাই নিয়মিত চেকআপের একটা মাপ অনেক সময় বাবা-মাকে অবাক করে দেয়।

ডাক্তার প্রথমে কিডনির দিকেই তাকান কেন?

শিশুদের রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার একটা সাধারণ কারণ কিডনি ও প্রস্রাবের সমস্যা। প্রস্রাব পরীক্ষা আর আলট্রাসনোগ্রামে বোঝা যায় কারণটা সেখানেই আছে, নাকি অন্য কোথাও খুঁজতে হবে।

প্রথম ভিজিটে কোন কোন পরীক্ষা লাগবে?

সাধারণত প্রস্রাবের রুটিন পরীক্ষা ও কালচার করা হয়। রক্তের ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিনও দেখা হয়। সঙ্গে কিডনির আলট্রাসনোগ্রাম থাকে। রক্তচাপ মাপা হয় শিশুর মাপের কাফ দিয়ে, যত্ন করে।

সকালে সন্তানের মুখ ফুলে যায়, এটার সঙ্গে কি সম্পর্ক আছে?

থাকতে পারে। সকালে চোখের চারপাশ ফোলা মানে অনেক সময় প্রস্রাব দিয়ে প্রোটিন যাচ্ছে, নেফ্রোটিক সিনড্রোমে যেমন হয়। একটা প্রস্রাব পরীক্ষা করলেই বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে যায়।

রক্তচাপ কতদিন পরপর মাপতে হবে?

মাপ আর রিপোর্ট দেখে ডাক্তার ব্যবধানটা ঠিক করে দেন। নেফ্রোটিক সিনড্রোম বা দুর্বল কিডনির ক্ষেত্রে শুরুতে তুলনামূলক ঘন ঘন দেখাতে হয়।

সন্তানের কি কিডনি বায়োপসি লাগবে?

বেশিরভাগ শিশুরই লাগে না। পরীক্ষা আর স্ক্যানে কারণ পরিষ্কার না হলে তখনই বায়োপসির কথা আসে। লাগলে ডাক্তার হয়তো উচ্চতর পর্যায়ের কেন্দ্রে রেফার করবেন।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.