সেরা শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ - ফেনী

প্রথম ভিজিটে যা যা হয়

এই মাসেই বাচ্চার দুইবার জ্বর এলো। দুইবারই প্রস্রাবের রিপোর্টে ইনফেকশন ধরা পড়েছে। এখন কেউ বলছেন শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ দেখাতে। কিন্তু ওই চেম্বারে গিয়ে আসলে কী হবে, সেটা জানা না থাকলে দুশ্চিন্তা বাড়ে। ফেনীর অনেক মা-বাবার ক্ষেত্রে এই অজানা জায়গাটাই সবচেয়ে কঠিন।

শুরুটা হয় গল্প শুনে। কবে থেকে জ্বর, জ্বরটা কেমন ওঠানামা করে, ডাক্তার এসব জানতে চান। বাচ্চা দিনে কতবার প্রস্রাব করে, জ্বালা বা পেটব্যথা আছে কিনা, তাও জিজ্ঞেস করেন। পুরনো রিপোর্ট থাকলে তিনি সেগুলো আগে পড়ে দেখেন।

এরপর শারীরিক পরীক্ষা। ওজন আর উচ্চতা নেওয়া হয়। রক্তচাপও মাপা হয়। কিডনির ভিজিটে রক্তচাপ মাপার কথা শুনে অনেকে অবাক হন। অথচ শিশুদের উচ্চ রক্তচাপের পেছনে কিডনির সমস্যা প্রায়ই থাকে।

সবশেষে ডাক্তার নতুন করে প্রস্রাব পরীক্ষা দিতে পারেন। এটাই প্রথম ভিজিটের সবচেয়ে জরুরি অংশ। রুটিন পরীক্ষায় প্রোটিন, রক্ত বা পুঁজের কোষ ধরা পড়ে। কালচার পরীক্ষায় কোন জীবাণু দায়ী, সেটা জানা যায়। নমুনা সাধারণত কাছের ল্যাবরেটরিতেই দেওয়া হয়, অনেক সময় সেদিনই। ফেনীর ডাক্তারদের তালিকায় চেম্বার আর দেখা করার সময় দেখে নিতে পারবেন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

এই বিশেষজ্ঞ যেসব রোগের চিকিৎসা করেন

শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ বারবার হওয়া প্রস্রাবের ইনফেকশনের চিকিৎসা করেন। প্রথম ভিজিটের সবচেয়ে সাধারণ কারণ এটাই। নেফ্রোটিক সিনড্রোমও তাঁর আওতায় পড়ে। এই রোগে প্রস্রাব দিয়ে প্রোটিন বেরিয়ে যায়, শরীর ফুলে ওঠে। গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিসে প্রস্রাবে রক্ত আসতে পারে, সঙ্গে রক্তচাপও বাড়তে পারে।

কিছু বাচ্চার জন্ম থেকেই কিডনি বা প্রস্রাবের নালিতে সমস্যা থাকে, যা আগে ধরা পড়েনি। ছয়-সাত বছর পেরিয়েও বিছানা ভেজানো থাকলে দেখানো দরকার। বাচ্চাকে দেখে সুস্থ মনে হলেও কিডনির কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকলেও এই বিশেষজ্ঞই দেখেন।

বাড়িতে যেসব লক্ষণে চোখ রাখবেন

সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখের চারপাশে ফোলা দেখলে খেয়াল করুন। প্রস্রাবে ফেনা বা চায়ের মতো রং হলেও পরীক্ষা করানো উচিত। হঠাৎ প্রস্রাবের পরিমাণ অনেক কমে যাওয়াটাও গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। প্রস্রাবের সময় জ্বালা নিয়ে জ্বর ফিরে এলে বারবার আন্দাজে ওষুধ খাওয়ানো ঠিক নয়। মাসের পর মাস বৃদ্ধি কম হওয়া ধীর লক্ষণ, তবু অবহেলা করা যায় না।

প্রস্রাবের নমুনা কীভাবে দেবেন

ল্যাবরেটরি থেকে পরিষ্কার পাত্র দেওয়া হবে। বড় বাচ্চাদের ক্ষেত্রে প্রস্রাবের মাঝের অংশটা পাত্রে নিন। শিশু বাচ্চাদের বেলায় ল্যাবরেটরির লোকেরা সংগ্রহের পদ্ধতি দেখিয়ে দেবেন। নমুনাটা দ্রুত ল্যাবরেটরিতে পৌঁছে দিন, পারলে এক ঘণ্টার মধ্যে। দেরি হলে কালচার রিপোর্টে ভুল ফল আসতে পারে।

বাচ্চার জন্য ডাক্তার বাছাই

এমন ডাক্তার খুঁজুন, যিনি নিয়মিত শিশুদের কিডনি ও প্রস্রাবের সমস্যা দেখেন। প্রস্রাবের পরীক্ষা আর আলট্রাসনোগ্রাম দেরি ছাড়া করানো যায় কিনা, জিজ্ঞেস করুন। ফলোআপের কথাও জেনে নিন, কারণ কিডনির চিকিৎসা এক ভিজিটে শেষ হয় না। পরিষ্কার পরিকল্পনা থাকলে পরের পরীক্ষা কবে, সেটা আগেই জানা থাকে। প্রথম পরীক্ষায় দরকার মনে হলে একজন ফেনীর শিশু বিশেষজ্ঞ আপনাকে পরবর্তী ধাপে পাঠিয়েও দিতে পারবেন।

সঙ্গে যা নিয়ে যাবেন

আগের সব প্রস্রাব ও রক্তের রিপোর্ট সঙ্গে নিন। আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট আর আগের প্রেসক্রিপশনও নিন। ওজন বা বৃদ্ধির রেকর্ড হাতে লেখা হলেও কাজে লাগে, সময়ের সঙ্গে বদলটা বুঝতে সুবিধা হয়।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রথম ভিজিটে কী কী হয়?

ডাক্তার আগে পুরো ঘটনা শোনেন, তারপর বাচ্চাকে পরীক্ষা করেন। রক্তচাপ মাপা হয়। সাধারণত সেদিনই নতুন করে প্রস্রাব পরীক্ষা দেওয়া হয়। রিপোর্ট এলে তার ভিত্তিতে ওষুধ ঠিক করা হয়।

কিডনির ভিজিটে রক্তচাপ মাপা হয় কেন?

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কিডনির ভূমিকা আছে। কিডনির সমস্যা থাকলে রক্তচাপ নীরবে বেড়ে যেতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ সাধারণত বোঝা যায় না। প্রতি ভিজিটে মাপলেই সমস্যাটা আগেভাগে ধরা পড়ে।

ছোট বাচ্চার প্রস্রাবের নমুনা কীভাবে নেব?

ল্যাবরেটরির দেওয়া পরিষ্কার পাত্র ব্যবহার করুন। বড় বাচ্চাদের ক্ষেত্রে মাঝের প্রস্রাব নেওয়া ভালো। শিশুদের বেলায় কালেকশন ব্যাগ বা অন্য পদ্ধতির কথা ল্যাবরেটরির লোকদের জিজ্ঞেস করুন।

বাচ্চার বারবার প্রস্রাবের ইনফেকশন হয় কেন?

কারণ একেকজনের একেক রকম। কোষ্ঠকাঠিন্য, অনেকক্ষণ প্রস্রাব আটকে রাখা আর প্রস্রাবের নালির সমস্যা এর মধ্যে সাধারণ। বারবার ইনফেকশন হলে শুধু ওষুধ বদলালে হবে না। পরীক্ষা আর অনেক সময় আলট্রাসনোগ্রাম করে কারণ খুঁজতে হয়।

প্রস্রাবে প্রোটিন থাকা মানে কী?

জ্বর বা বেশি দৌড়ঝাঁপের পর সাময়িক প্রোটিন আসতে পারে। কিন্তু বারবার প্রোটিন ধরা পড়লে নেফ্রোটিক সিনড্রোম বা অন্য কিডনি সমস্যার দিকে ইঙ্গিত হতে পারে। ডাক্তার আবার পরীক্ষা করে পুরো চিত্রটা দেখবেন।

বাচ্চার কি আলট্রাসনোগ্রাম লাগবে?

অনেক ক্ষেত্রেই লাগে। আলট্রাসনোগ্রামে ব্যথা নেই, কিডনির আকার ও গঠন দেখা যায়। জন্ম থেকে থাকা সমস্যাও এতে ধরা পড়ে। বারবার ইনফেকশন হলে প্রথম দফার পরীক্ষাতেই অনেক বাচ্চার এই স্ক্যান করা হয়।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.