সেরা শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ - দিনাজপুর
প্রস্রাবের রং বদলে গেলে
ব্যাপারটা সাধারণত খুব ছোট জায়গা থেকে শুরু হয়। সকালে বাচ্চাকে টয়লেটে নিয়ে গিয়ে দেখলেন, প্রস্রাবের রং আগের মতো হালকা হলুদ নয়। চায়ের মতো গাঢ়। আবার কারও ক্ষেত্রে প্রস্রাবে ফেনা হচ্ছে, আর ফেনাটা মিলিয়ে যেতেও সময় লাগছে। দিনাজপুরের অনেক মা-বাবা প্রথম এই বদলটা এভাবেই টের পান।
এই পরিবর্তনের মানে বুঝিয়ে দিতে পারেন শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ। প্রস্রাবে রক্ত মিশে থাকলে রং গাঢ় হতে পারে। গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস নামের কিডনির প্রদাহে এমনটা দেখা যায়। ফেনা বেশি হলে প্রস্রাব দিয়ে প্রোটিন বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। নেফ্রোটিক সিনড্রোমে ঠিক এটাই ঘটে। তবে রং বদল মানেই বড় রোগ নয়। পরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিত হওয়া যায় না।
বাড়িতে একটা ছোট খাতা রাখুন। তারিখ লিখে সেদিনের প্রস্রাবের রং লিখে রাখুন। পরিমাণ কেমন ছিল, সেটাও লিখুন। জ্বর, চোখের পাশে ফোলা বা প্রস্রাবের সময় জ্বালা থাকলে পাশে লিখে রাখুন। ডাক্তারের কাছে যাওয়ার দিন খাতাটা সঙ্গে নিন। একদিনের ঘটনার চেয়ে ধারাবাহিক লেখা রোগ বুঝতে অনেক বেশি কাজে লাগে।
রং বদলটা দুই দিনের বেশি থাকলে বসে থাকবেন না। দিনাজপুরের ডাক্তারদের তালিকা থেকে শিশুদের কিডনি সমস্যা নিয়মিত দেখেন এমন একজনকে বেছে নিন।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ যেসব সমস্যা দেখেন
বারবার প্রস্রাবের ইনফেকশন নিয়েই সবচেয়ে বেশি পরিবার আসে। একবারের ইনফেকশন সাধারণত ওষুধেই সেরে যায়। কিন্তু জ্বর আর জ্বালা ফিরে ফিরে এলে ভেতরে কোনো কারণ লুকিয়ে থাকতে পারে। কারও কারও জন্ম থেকেই কিডনি বা প্রস্রাবের নালিতে সমস্যা থাকে। সেটা ধরা পড়ে অনেক পরে, বারবার অসুস্থ হওয়ার পর কিংবা কোনো স্ক্যানে।
নেফ্রোটিক সিনড্রোমও এই বিশেষজ্ঞের কাজের মধ্যে পড়ে। এতে প্রস্রাব দিয়ে প্রোটিন বেরিয়ে যায়, শরীরে পানি জমে। সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখ ফোলা দেখেই মা-বাবা প্রথম টের পান। গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিসে প্রস্রাবে রক্ত আসতে পারে, রক্তচাপও বেড়ে যায়। ছয়-সাত বছর পেরিয়ে বিছানা ভেজানো আর কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়াও এই তালিকায় আছে।
যেসব লক্ষণে দেরি করা ঠিক নয়
মুখ, চোখ বা শরীর ফুলে গেলে ডাক্তার দেখান। প্রস্রাবে ফেনা বা চায়ের মতো রং দেখলেও পরীক্ষা করানো উচিত। আগের চেয়ে প্রস্রাব অনেক কমে যাওয়াটাও সতর্ক হওয়ার মতো লক্ষণ। প্রস্রাবের সময় ব্যথা নিয়ে জ্বর বারবার এলেও মনোযোগ দরকার। কয়েক মাস ধরে বৃদ্ধি কম হওয়া নীরব লক্ষণ, তবে গুরুত্বে কম নয়।
যেসব পরীক্ষা লাগতে পারে
শুরুতে পরীক্ষাগুলো সহজ। প্রস্রাবের রুটিন পরীক্ষা আর কালচার সাধারণত আগে করা হয়। রক্তের ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিন দেখে বোঝা যায় কিডনি কেমন কাজ করছে। আলট্রাসনোগ্রামে কিডনির আকার ও গঠন দেখা যায়। ডাক্তার রক্তচাপও মাপবেন, কারণ শিশুদের কিডনির সমস্যার সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ প্রায়ই জড়িয়ে থাকে।
ডাক্তার বাছাই করবেন কীভাবে
এমন ডাক্তার বাছুন, যিনি নিয়মিত শিশুদের কিডনি ও প্রস্রাবের সমস্যা দেখেন। প্রস্রাবের পরীক্ষা আর আলট্রাসনোগ্রাম চেম্বারের কাছাকাছি সহজে করানো যায় কিনা, জেনে নিন। কিডনির চিকিৎসা অনেক সময় কয়েকটা ভিজিট ধরে চলে, তাই পরিষ্কার ফলোআপ পরিকল্পনা জরুরি। কবে আবার যেতে হবে আর কোন বদল দেখলে আগেই আসতে হবে, সেটা জেনে ফিরুন। দ্বিধা থাকলে একজন দিনাজপুরের শিশু বিশেষজ্ঞ প্রথমে বাচ্চাকে দেখে সঠিক পথ দেখিয়ে দিতে পারবেন।
সঙ্গে যা যা নেবেন
আগের প্রস্রাব ও রক্তের রিপোর্ট, আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট আর পুরনো প্রেসক্রিপশন সঙ্গে নিন। ওজন বা বৃদ্ধির রেকর্ড থাকলে সেটাও নিন। বাড়িতে লিখে রাখা প্রস্রাবের রং আর লক্ষণের খাতাটা একই ফাইলে রাখুন।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
বাচ্চার প্রস্রাব চায়ের মতো রঙের কেন?
প্রস্রাবে অল্প রক্ত মিশে থাকলে এমন রং হতে পারে। গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস আর প্রস্রাবের ইনফেকশন এর দুটি সাধারণ কারণ। প্রস্রাবের রুটিন পরীক্ষাতেই রক্ত বা প্রোটিন আছে কিনা ধরা পড়বে।
প্রস্রাবে ফেনা মানেই কি কিডনির সমস্যা?
সবসময় নয়। শরীরে পানি কম থাকলে বা জোরে প্রস্রাব করলেও ফেনা হতে পারে। তবে ফেনা দিনের পর দিন থাকলে প্রস্রাব পরীক্ষা করান। প্রস্রাবে প্রোটিন যাওয়া কখনোই অবহেলা করা ঠিক নয়।
বাড়িতে লক্ষণের খাতা কীভাবে রাখব?
ছোট একটা খাতাই যথেষ্ট। তারিখ, প্রস্রাবের রং, মোটামুটি পরিমাণ আর জ্বর বা ফোলা থাকলে সেটা লিখুন। দিনে দুই লাইন লিখলেই ডাক্তারের পক্ষে ধরনটা বোঝা সহজ হয়।
বিছানা ভেজানো কখন কিডনি পরীক্ষার বিষয়?
ছোট বাচ্চাদের বিছানা ভেজানো সাধারণ ব্যাপার। ছয়-সাত বছর পেরিয়েও চলতে থাকলে, কিংবা শুকনো থাকার পর আবার শুরু হলে একবার পরীক্ষা করান। ডাক্তার প্রথমে ইনফেকশন আর কিডনির কারণ আছে কিনা দেখবেন।
বারবার প্রস্রাবের ইনফেকশনে কি কিডনি নষ্ট হয়?
সময় গেলে হতে পারে। একবারের ইনফেকশন চিকিৎসা পেলে সাধারণত ক্ষতি রেখে যায় না। বারবার ইনফেকশন হলে কারণ না খুঁজলে কিডনিতে ধীরে ধীরে দাগ পড়তে পারে। কারণ আগেভাগে জানা থাকলে কিডনির কার্যক্ষমতা রক্ষা পায়।
বাচ্চাকে কি বড় কোনো সেন্টারে নিতে হবে?
বেশিরভাগ বাচ্চার চিকিৎসা ওষুধ, পরীক্ষা আর নিয়মিত ফলোআপেই বাড়ির কাছাকাছি হয়। অল্প কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ পরীক্ষার জন্য উচ্চতর পর্যায়ের কেন্দ্রে রেফার করা লাগতে পারে। দরকার হলে ডাক্তার পরিষ্কার করে বুঝিয়ে বলবেন।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.