সেরা শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ - বরিশাল
ঘরেই ধরা পড়ে প্রথম সংকেত
প্রথম সংকেতটা সাধারণত বাবা-মায়ের চোখেই ধরা পড়ে। সকালে ঘুম থেকে উঠে বাচ্চার চোখ ফোলা। পায়ে মোজার দাগ পড়ে আছে। প্রস্রাবের রং স্বাভাবিকের চেয়ে গাঢ়, বা ফেনা তুলছে। একদিনের ঘটনায় ভয়ের কিছু নেই। আসল কথা: কয়েকদিন ধরে একই জিনিস হচ্ছে কি না।
শিশুদের কিডনি বিশেষজ্ঞ হলেন এমন ডাক্তার যিনি বাচ্চাদের কিডনির চিকিৎসায় প্রশিক্ষিত। শিশুকে দেখেন, এই লক্ষণগুলো বোঝেন, আর দরকারি পরীক্ষার ব্যবস্থা করেন। এই পাতাটি বরিশালের পরিবারের জন্য: বাড়িতে কী দেখবেন, কী লিখে রাখবেন, আর সিরিয়াল কীভাবে বুক করবেন, যাতে একটা যাত্রাতেই কাজ হয়।
রওনার আগে বরিশালের ডাক্তারদের তালিকা থেকে শহরের চেম্বারগুলো তুলনা করে নিন। আশপাশের উপজেলা থেকে আসা পরিবারের কাছে এটা এক দিনের যাত্রা। সিরিয়াল বুক করে গেলে ভালো। সকালটা অপেক্ষায় না কেটে দেখাতেই কাটে।
একটা কথা পরিষ্কার রাখি: এই পাতাটি শিশুদের কিডনির জন্য, নবজাতক থেকে স্কুলপড়ুয়া পর্যন্ত। বড়দের কিডনির সমস্যায়, বাবা-মা বা দাদা-দাদির, দেখুন বরিশালের কিডনি বিশেষজ্ঞ পাতা।
দেখাতে যাওয়ার আগেই ডায়েরি শুরু করুন
কয়েক দিনের লেখা নোট, এটাই ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে কাজের জিনিস। তারিখ, সময়, কী দেখলেন: চোখের ফোলা, পায়ের ফোলা, প্রস্রাবের রং আর ফেনা, কতবার হলো, জ্বালাপোড়া আছে কি না। আর সেটা কমল না রইল। শান্ত দিনে এক লাইনই যথেষ্ট। কিছু বদলালে একটু বেশি লিখুন। কিডনির দুই ভিজিটের ফাঁকে জ্বর-কাশির প্রশ্ন শিশু চিকিৎসকের। দৈনন্দিন শিশুসেবায় বরিশালের শিশু বিশেষজ্ঞ তালিকা আছে। প্রস্রাবের পরিবর্তন লেগে থাকলে আগে কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছেই যান।
3 available specialists found
সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক ডাঃ গোলাম কিবরিয়া হিমু
Dr. Mohammad Ali Rumee
কোন লক্ষণগুলো লিখে রাখা দরকার
ঘুম থেকে উঠেই চোখের চারপাশে স্পষ্ট ফোলা, মিলাতে কয়েক ঘণ্টা লাগে। বা ফোলা অন্য কোথাও: পা, গোড়ালি, হাত, পুরো মুখ। প্রস্রাবেও চোখ রাখুন: স্বাভাবিকের চেয়ে গাঢ়, ফেনা তোলা, রক্তের মতো রং, অনেক বেশি বা কম বার, জ্বালাপোড়া। মাসের পর মাস রাতে শুকনো থাকা বাচ্চা আবার বিছানা ভেজাচ্ছে? দিনে বারবার প্রস্রাব, জ্বালাপোড়া, অস্বাভাবিক পিপাসা বা ফোলা সঙ্গে আছে? এই পরিবর্তনটা ডায়েরিতে রাখুন।
বন্ধুদের চেয়ে আগে ক্লান্ত হওয়া। কয়েক মাসে বৃদ্ধি থেমে যাওয়া। নিয়মিত পরীক্ষায় উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়া। এগুলোও কিডনির দিকেই ইঙ্গিত করে। ধরন তৈরি হলে যান। নিজে থেকে বাচ্চার পানি বা লবণ কমাবেন না। এই সিদ্ধান্ত বিশেষজ্ঞের। জরুরি লক্ষণে, রক্তের মতো প্রস্রাব, দ্রুত ছড়ানো ফোলা, খুব কম প্রস্রাব, চেম্বারে ফোন করে তাঁদের পরামর্শমতো রওনা হোন।
সঠিক ডাক্তার কীভাবে বাছবেন
এমন ডাক্তার খুঁজুন যিনি কিডনির চিকিৎসায় প্রশিক্ষিত আর নিয়মিত বাচ্চা দেখেন। বাচ্চাদের কিডনির মাপকাঠি বড়দের থেকে আলাদা। এমন চেম্বার বাছুন যেখানে আবার যাওয়া যায়। কিডনির চিকিৎসা মানেই ফলোআপ। সিরিয়াল বুক করার সময় প্রস্রাবের নমুনা নিয়ে জিজ্ঞেস করুন: বাড়িতে না কেন্দ্রে, কোন পাত্রে, সকালের প্রথমটা কি না। দেখার দিনের আগেই জেনে নিন। ভুলভাবে নেওয়া নমুনা মানে দুবার দেওয়া।
দেখার দিনের ফোল্ডার আর এক দিনের যাত্রা
একটা ফোল্ডার, ভেতরে সব: তারিখ লেখা ডায়েরি, তারিখের ক্রমে বৃদ্ধির রেকর্ড আর আগের রিপোর্ট, আপনার প্রশ্নের তালিকা। দিনে জরুরিভাবে টয়লেটে যেতে চাইলে শ্রেণিশিক্ষকের জন্য ছোট একটা নোটও রাখুন। বাচ্চাকে খাইয়ে, বিশ্রাম দিয়ে নিয়ে যান। দেখা শেষেও ফোল্ডারটা রাখুন।
বাড়ি থেকে বেরোনোর আগেই সিরিয়াল বুক করুন। পারাপার চলে নিজের ছন্দে, তাই সকাল সকাল রওনা হোন, ফেরার সময় নমনীয় রাখুন। জরুরি নয় এমন দেখায় একটা বাড়তি দিন মাথায় রাখুন। তবেই এক দিনের যাত্রা পূর্ণাঙ্গ প্রথম দেখা হয়।
প্রথম দেখা আর ফলোআপ কোথায় হবে
প্রথম দেখা আর দীর্ঘমেয়াদি ফলোআপ কোথায় হবে, বিশেষজ্ঞকে জিজ্ঞেস করুন। বাচ্চার অবস্থা অনুমতি দিলে বরিশালের কাছেই সেবা রাখাই লক্ষ্য। আরেকজনের মতামত দরকার হলে ঢাকার ডাক্তারদের তালিকা থেকে বিকল্প তুলনা করে নিন; বরিশালের সব রিপোর্ট তারিখের ক্রমে নিয়ে যান।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
এখনো কোনো রোগ নির্ণয় হয়নি। প্রথমবার যাওয়ার আগে কী লিখে রাখব?
তারিখ লেখা ডায়েরিতে কী দেখলেন তা রাখুন: চোখের চারপাশে ফোলা, পায়ে ফোলা, প্রস্রাবের রং আর ফেনা, কতবার হলো, জ্বালাপোড়া। সঙ্গে নিন বৃদ্ধির রেকর্ড আর প্রশ্নের তালিকা।
বাচ্চার প্রস্রাবে রক্তের মতো রং। কত তাড়াতাড়ি যাব?
চেম্বারে দ্রুত ফোন করে ঠিক যা দেখেছেন বলুন। রং কেমন, কখন দেখা দিল, সঙ্গে কী ছিল, সব বলুন।
ছোট বাচ্চার কিডনির আল্ট্রাসাউন্ড কি নিরাপদ?
হ্যাঁ। বিকিরণ নয়, শব্দতরঙ্গ। সুই বা ব্যথা নেই। বুকিংয়ের সময় জিজ্ঞেস করুন বাচ্চাকে কীভাবে প্রস্তুত করবেন: পানি খাইয়ে আনবেন, না আগে প্রস্রাব করিয়ে নেবেন।
বাচ্চা রাতে শুকনো থাকত, আবার বিছানা ভেজাচ্ছে। কিডনির সমস্যা কি?
হতে পারে। বিশেষ করে দিনে বারবার প্রস্রাব, জ্বালাপোড়া, অস্বাভাবিক পিপাসা বা ফোলা সঙ্গে এলে। কবে শুরু, কতবার হচ্ছে, লিখে রাখুন।
বরিশাল যেতে নদী পেরোতে হয়। যাত্রার পরিকল্পনা কীভাবে করব?
বেরোনোর আগেই সিরিয়াল বুক করুন। সকাল সকাল রওনা হোন, ফেরার সময় নমনীয় রাখুন। জরুরি লক্ষণে অপেক্ষা না করে চেম্বারের পরামর্শমতো রওনা হোন।
বরিশালেই চিকিৎসা হবে, নাকি ঢাকা যেতেই হবে?
প্রথম দেখা আর ফলোআপ কোথায় হবে, বিশেষজ্ঞকে জিজ্ঞেস করুন। অবস্থা অনুমতি দিলে বাড়ির কাছেই থাকাই লক্ষ্য।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.