সেরা হৃদরোগ সার্জন - বরিশাল

রেফারেল চিঠিটা আপনার ফাইলে দুই ভাঁজে পড়ে আছে। কার্ডিওলজিস্ট হাতে দেওয়ার পর থেকেই। প্রথম লাইনটা পড়ে রেখে দিয়েছেন। বরিশালের বেশিরভাগ পরিবার এভাবেই সামলায়।

পুরোটা খুলুন। কার্ডিয়াক সার্জারির রেফারেলে ডাক্তারের ভাষায় হার্টের সমস্যার নাম লেখা থাকে। এখন পর্যন্ত কী কী টেস্ট হয়েছে, সেটার তালিকা থাকে। কোন অপারেশনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, সেটা লেখা থাকে। এটা ডাক্তারদের মধ্যে হাতবদল, মানতেই হবে এমন নির্দেশ নয়। প্রতিটা শব্দ পড়তে পারেন। প্রতিটা শব্দ নিয়ে প্রশ্ন করতে পারেন।

এই পাতায় আজ বরিশালে একজন কার্ডিয়াক সার্জনের তথ্য আছে: ডা. গোপাল শীল, যাঁর চর্চা কার্ডিয়াক সার্জারিতে। ভিজিটে চিঠিটা নিয়ে যান। চিঠিতে যেসব রিপোর্টের কথা আছে, সব নিয়ে যান। সার্জন সেদিন আপনার ইকো আর ইসিজির সঙ্গে রেফারেল মিলিয়ে দেখবেন। দুটো মিলে গেলে কম টেস্ট আবার করতে হয়, আলোচনাও দ্রুত এগোয়।

হাতের লেখা অস্পষ্ট হলে চেম্বারের সহকারীকে জোরে পড়ে শোনাতে বলুন। সবাই জিজ্ঞেস করে। এটাই স্বাভাবিক।

1 available specialists found

ডাঃ গোপাল শীল

Qualifications এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমএস (কার্ডিয়াক সার্জারি)
অবস্থান Kotwali Sadar, বরিশাল

চিঠিতে সাধারণত যা লেখা থাকে

বেশিরভাগ রেফারেল চিঠিতে সন্দেহজনক ভালভ বা রক্তনালির সমস্যার নাম থাকে। ইকোর ফলাফল সংক্ষেপে লেখা থাকে। "CABG মূল্যায়নের জন্য" বা "ভালভ পর্যালোচনার জন্য" লেখা থাকতে পারে। এই বাক্যগুলো সার্জনকে বলে দেয় প্রথমে কী দেখতে হবে। এগুলো জানা থাকলে আন্দাজ করতে হয় না।

চিঠিতে সরাসরি অপারেশনের পরামর্শ থাকলেও সেটা পরামর্শই। সার্জন আপনাকে পরীক্ষা করবেন, মূল টেস্টগুলো আবার করাবেন, নিজের মত গড়বেন। রেফারেল আলোচনা শুরু করে। শেষ করে না।

চিঠি পুরনো হলে

ছয় মাস আগের চিঠি আপনার বর্তমান হার্টের সঙ্গে নাও মিলতে পারে। সার্জন চাইলে ইকো আবার করান। "রিপোর্টে তো একই আছে" বলে তর্ক করবেন না। হার্ট বদলায়। নতুন ছবি আপনাকে পুরনো তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত থেকে রক্ষা করে।

পুরনো চিঠিটা তবু নিয়ে যান। এটা শুরুর অবস্থা দেখায়। সার্জন তখন আর এখন তুলনা করেন। এই তুলনাই প্রায়ই বোঝায় পরামর্শ কেন বদলেছে।

হারানো চিঠি আর নিখোঁজ কাগজ

চিঠি হারিয়ে গেছে? রেফার করা ডাক্তারের কাছ থেকে কপি নিন। ক্লিনিকে রেকর্ড থাকে। ভিজিটের আগে একটা ফোন করলে বৃথা সফর বাঁচে। রেফারেল কখনো জাল করবেন না বা আবার লিখবেন না। বদলানো কাগজ মুহূর্তে আস্থা নষ্ট করে।

রেফার করা ডাক্তার চলে গিয়ে থাকলে টেস্ট রিপোর্ট আর প্রেসক্রিপশন নিয়ে যান। ভালো সার্জন প্রমাণ থেকে কাজ করেন, কাগজের ধারা থেকে নয়।

বরিশালে নিয়মিত হার্টের চিকিৎসার জন্য বরিশালের ডাক্তাররা আপনার রিপোর্ট আর প্রেসক্রিপশন দেখতে পারেন। দীর্ঘমেয়াদি ওষুধের জন্য বরিশালের একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ আছেন।

সাধারণ প্রশ্নোত্তর

কার্ডিয়াক সার্জন দেখাতে কি রেফারেল লাগে?

না। সরাসরি বুক করতে পারেন। তবে রেফারেল থাকলে সার্জন আপনার ইতিহাস দ্রুত বোঝেন, টেস্টও কম আবার করতে হয়।

রেফারেল আর সার্জনের মত না মিললে?

সার্জনের নিজের পরীক্ষাই চূড়ান্ত। কেন মত আলাদা, জিজ্ঞেস করুন। পক্ষ নেওয়ার চেয়ে পার্থক্যটা বোঝা জরুরি।

রেফারেল ছাড়াই কি অপারেশন হতে পারে?

পারে, যদি পরীক্ষা করে সার্জন স্পষ্ট কারণ পান। অনেকে রেফারেল ছাড়াই আসেন।

রেফারেল চিঠি কতদিনের পুরনো চলবে?

তিন মাসের মধ্যে হলে ভালো। পুরনো চিঠিও পেছনের তথ্য হিসেবে কাজে লাগে, তবে নতুন টেস্ট আশা করুন।

সব রিপোর্ট হারিয়ে গেলে কী হবে?

সার্জনকে সত্যি করে বলুন। বেশিরভাগ টেস্ট আবার করা যায়। কমপক্ষে প্রেসক্রিপশন আর আইডি নিয়ে যান।

চিঠিটা কি অন্য ডাক্তারদেরও দেখাব?

দেখান। এটা আপনার কাগজ। আপনার চিকিৎসা করা যেকোনো ডাক্তারকে দিন। এতে সবাই একই পাতায় থাকে।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.