সেরা রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ - পেকুয়া
পেকুয়া চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় উপজেলা, লবণের মাঠ আর চিংড়ির ঘেরের জন্য পরিচিত। লবণ মাঠের শ্রমিক, জেলে পরিবার আর ভেতরের গ্রামের কৃষকেরা প্রথম পরীক্ষার জন্য পেকুয়া শহরে আসেন। পেকুয়ায় রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ রক্তস্বল্পতা, প্লাটিলেটের সমস্যা, রক্তপাতের অভিযোগ আর রক্তের ক্যানসারের রোগী দেখেন। স্থানীয় রোগীদের নিয়মিত রক্ত গণনা হয় পেকুয়া শহরের ভেতরের সংগ্রহকেন্দ্রে। এই উপজেলার বিশেষজ্ঞ পরামর্শের বসা হয় কক্সবাজার শহরের চেম্বারে। নিচের প্রতিটি প্রোফাইলে কক্সবাজারের চেম্বারের এলাকা, বসার দিন আর ডাক্তারের প্রশিক্ষণের বিবরণ আছে। সাগরপাড়ের গ্রাম থেকে আসা রোগীরা সাধারণত সকালে শহরে পৌঁছান। বর্ষায় উপকূলের রাস্তা ভেজা থাকলেও রোগীদের আসা থামে না। প্রোফাইলগুলো পড়ে জেলা শহরের যাত্রার সঙ্গে মেলে এমন বসা বেছে নিন।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
পেকুয়ার ক্লিনিকে যেসব অভিযোগে গণনা দেওয়া হয়
লবণ মাঠের শ্রমিক, চিংড়ি ঘেরের কর্মী আর উপকূলের গ্রামের বয়স্ক বাসিন্দারা পেকুয়ার ক্লিনিকে আসা রোগীদের বড় অংশ। কয়েক সপ্তাহ ধরে দুর্বলতা থেকে গেলে, জ্বর বারবার ফিরলে বা ত্বকে অকারণে দাগ পড়লে ডাক্তার পূর্ণাঙ্গ রক্ত গণনা দেন। রিপোর্টের মান স্বাভাবিকের বাইরে গেলে রোগীকে কক্সবাজার শহরের বিশেষজ্ঞের বসায় পাঠানো হয়। মৌসুমে লবণ তোলার কাজ বাড়লে শ্রমিকদের শরীরে দুর্বলতা বেশি দেখা দেয়।
পেকুয়ার রেফার কাগজে যেসব কারণ প্রায়ই লেখা থাকে:
- লবণ মাঠে দীর্ঘ সময় কাজ করা শ্রমিকদের দুর্বলতা
- ঘেরের নারী কর্মীদের ফ্যাকাশে মুখ ও ক্লান্তি
- আঘাত ছাড়া পায়ে ওঠা কালচে দাগ
- উপকূলের গ্রামের শিশুদের বারবার জ্বর
পেকুয়া শহরে নমুনা দেওয়ার জায়গা
পেকুয়া শহরের বাজারের আশপাশে আর কক্সবাজার সড়কের ধারের সংগ্রহকেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত গণনার রক্ত নেওয়া হয়। একটি নমুনার ছাপা রিপোর্টে হিমোগ্লোবিনসহ লোহিত কণিকা, শ্বেতকণিকা ও প্লাটিলেটের মান একসঙ্গে ওঠে। কোষের গড়ন দেখা দরকার হলে একই নমুনা থেকে কেন্দ্রে স্মিয়ার তৈরি হয়। পেকুয়ার কেন্দ্রে করা যায় না এমন পরীক্ষা রেফার কাগজসহ কক্সবাজার শহরের ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়। নমুনা সকালে দিলে রিপোর্ট সাধারণত সেদিনই হাতে মেলে। ছুটির দিনে কেন্দ্রগুলোতে উপকূলের গ্রাম থেকে আসা রোগীর ভিড় বাড়ে।
পেকুয়া থেকে কক্সবাজারের প্রোফাইলে যা দেখবেন
প্রোফাইলের ডিগ্রির তালিকার শুরুতে থাকে মূল এমবিবিএস ডিগ্রি। রক্তের রোগে স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণ থাকলে এর পরে হেমাটোলজিতে এফসিপিএস বা এমডি দেখানো হয়। পেকুয়ায় রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ এই উপজেলার রোগী দেখেন কক্সবাজার শহরের চেম্বারে, প্রোফাইলে চেম্বারের এলাকার নাম থাকে। যাত্রার দিন ঠিক করার আগে বসার দিনগুলো নিজের কাজের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। ডিগ্রির পাশে লেখা চর্চার বছর থেকে ডাক্তারের রক্তের রোগী দেখার অভিজ্ঞতা জানা যায়। কোন প্রতিষ্ঠানে ডাক্তার যুক্ত আছেন তা সংযুক্তির সারিতে লেখা থাকে।
কক্সবাজার জেলা তালিকায় পেকুয়া
জেলার সব উপজেলার প্রোফাইল একসঙ্গে আছে কক্সবাজারের ডাক্তার পেজে। তালিকা থেকে নিজের উপজেলার নাম ধরে প্রোফাইল খুঁজে পাওয়া যায়। চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার যুক্ত হলে পেকুয়ার পরিবারেরা পেকুয়ায় জেনারেল সার্জন পেজটিও দেখেন।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
স্বামী লবণ মাঠে কাজ করেন, ইদানীং খুব দুর্বল হয়ে পড়েছেন। রক্ত পরীক্ষা করাব?
করান, দীর্ঘদিনের দুর্বলতা যাচাইয়ের প্রথম ধাপ পূর্ণাঙ্গ রক্ত গণনা। পেকুয়া শহরের সংগ্রহকেন্দ্রে তার নমুনা দিন, ছাপা রিপোর্ট কক্সবাজারের বসায় দেখান।
কক্সবাজার না গিয়ে পেকুয়াতেই নমুনা দেওয়া যাবে?
যাবে, নিয়মিত গণনার নমুনা নেওয়া হয় পেকুয়া শহরের ভেতরের সংগ্রহকেন্দ্রে। বিশেষজ্ঞের পরামর্শের বসা হয় কক্সবাজার শহরে।
কক্সবাজারের প্রোফাইলগুলোতে বসার দিন আলাদা আলাদা। বাছাই করব কীভাবে?
আগে পেকুয়া থেকে যাতায়াতের সঙ্গে মেলে এমন দিনটি ঠিক করুন। এরপর প্রতিটি প্রোফাইলের হেমাটোলজি প্রশিক্ষণ আর চর্চার বছর পাশাপাশি মিলিয়ে দেখুন।
কক্সবাজার যাওয়ার সময় কী সঙ্গে নেব?
পেকুয়া কেন্দ্রের ছাপা গণনা রিপোর্ট আর বাড়িতে রাখা পুরোনো রক্তের রিপোর্ট সঙ্গে নিন। নিয়মিত ওষুধের নাম একটি ছোট কাগজে লিখে রিপোর্টের ফাইলে রাখুন।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.