সেরা রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ - মাগুরা
মাগুরা খুলনা বিভাগের একটি জেলা, নবগঙ্গা নদীর ধার ধরে মাগুরা সদর, শালিখা, শ্রীপুর ও মোহাম্মদপুর উপজেলা নিয়ে এর বিস্তার। ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক জেলার ভেতর দিয়ে গেছে, শহরগুলোর মাঝখানের গ্রামজুড়ে পাটের ক্ষেত আর ধানখেত। মাগুরাতে রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ রক্তস্বল্পতা, রক্তপাতের সমস্যা, প্লাটিলেটের গড়মিল ও রক্তের ক্যানসারের রোগী দেখেন। জেলার রোগীদের প্রথম রক্ত গণনা উপজেলা শহরগুলোর আর মাগুরা শহরের ডায়াগনস্টিক পয়েন্টে করা হয়। পুরো জেলার বিশেষজ্ঞের বসা হয় মাগুরা শহরের চেম্বারগুলোতে। উপজেলা থেকে বাসে আর ভ্যানে রোগী শহরে পৌঁছান। ছাপা রিপোর্ট হাতে পেয়ে রোগী বসার প্রস্তুতি নেন। নিচের প্রতিটি প্রোফাইলে ডাক্তারের বসার দিন, চেম্বারের ঠিকানা আর যোগ্যতার বিবরণ দেওয়া আছে। প্রোফাইলগুলো পড়ে শহরে আসার আগেই বসা ঠিক করে নিন।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
রক্তের সমস্যায় কখন বিশেষজ্ঞের পর্যালোচনা লাগে
দুর্বলতা সপ্তাহজুড়ে বাড়তে থাকলে জেলার রোগী প্রথমে ইউনিয়নের ক্লিনিকে কিংবা উপজেলা স্বাস্থ্য পয়েন্টে যান। সেখান থেকে পূর্ণ রক্ত গণনার নির্দেশ দেওয়া হয়, হিমোগ্লোবিন আর প্লাটিলেটের মান স্বাভাবিক সীমার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়। প্রথম ধাপের ওষুধের পরও মান কম থেকে গেলে কিংবা পরের গণনায় আরও নামলে বিশেষজ্ঞের পর্যালোচনার কথা ওঠে। রক্তপাত থেমে আবার ফিরলেও রেফারের লেখা হয় একই কারণে।
চার উপজেলাজুড়ে গণনার পয়েন্ট
শালিখা, শ্রীপুর ও মোহাম্মদপুরের ডায়াগনস্টিক পয়েন্টে নিয়মিত গণনার রক্ত নেওয়া হয়, মাগুরা শহরেও আরও পয়েন্ট কাজ করে। একটি নমুনায় পূর্ণ গণনা, হিমোগ্লোবিনের মাত্রা আর প্লাটিলেটের সংখ্যা একই ছাপা কাগজে আসে। কোষ অণুবীক্ষণে দেখার দরকার হলে বড় পয়েন্টগুলোতে ফিল্ম তৈরি করা হয়। জেলার তালিকার বাইরের পরীক্ষা রেফারের কাগজসহ জেলার বাইরের বড় ল্যাবে পাঠানো হয়।
পরের গণনাগুলো বাসার কাছের একই পয়েন্টে করান, মানগুলো এক ধারায় সাজানো থাকে।
রিপোর্ট ছাপা হলে বসার আগের দিন পর্যন্ত রোগী নিজ এলাকায় থেকে প্রস্তুতি নিতে পারেন। গণনার কাগজে তারিখ আর পয়েন্টের নাম ছাপা থাকে, পরে মিলিয়ে দেখতে সুবিধা হয়।
মাগুরা শহরের প্রোফাইল বাছাই
বসার দিন দিয়ে শুরু করুন, কারণ নিজের উপজেলা থেকে বাসের যাত্রা সেই দিনের সঙ্গে মেলাতে হয়। এই তালিকার প্রতিটি প্রোফাইলের প্রথম ডিগ্রি এমবিবিএস। রক্তের রোগে স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণ এর পরে হেমাটোলজিতে এফসিপিএস কিংবা এমডি হিসেবে লেখা থাকে। মাগুরাতে রক্তরোগ বিশেষজ্ঞের বসা হয় মাগুরা শহরের চেম্বারে, ছাপা ঠিকানাই যাত্রার শেষ অংশ জানিয়ে দেয়। ডিগ্রির সারির পাশে লেখা চর্চার বছর রক্তের কেস দেখার সময়কাল বোঝায়। ভর্তি লাগা রোগীর জন্য কোন হাসপাতালের সঙ্গে ডাক্তারের সংযুক্তি আছে, সংযুক্তির সারিতে তা থাকে। প্রথম দেখায় কোনো অসুবিধা থাকলে একই পয়েন্টে আবার গণনা করিয়ে মান মিলিয়ে নেওয়া যায়।
জেলার রোগীদের জন্য মাগুরার তালিকা
চার উপজেলার প্রোফাইল একসঙ্গে পড়ার জন্য সাজানো আছে মাগুরার ডাক্তার পেজে। জেলার অস্ত্রোপচারের প্রোফাইল রাখা আছে মাগুরাতে জেনারেল সার্জন পেজে।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
মেয়ে দেখতে ফ্যাকাশে, স্কুলে গিয়ে তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়ে। রক্ত পরীক্ষা করাব?
করানো উচিত, ফ্যাকাশে ভাব আর স্কুলে তাড়াতাড়ি ক্লান্তি পূর্ণ রক্ত গণনা করানোর কারণ। নিজের উপজেলা শহরের পয়েন্টে গণনা করিয়ে ছাপা কাগজ মাগুরা শহরের বসায় নিয়ে যান।
আমরা শ্রীপুরে থাকি। প্রথম গণনার জন্য কি মাগুরা শহরেই যেতে হবে?
না, প্রথম গণনা শ্রীপুরের ডায়াগনস্টিক পয়েন্টেই করানো যায়। বিশেষজ্ঞের বসা আর জেলার তালিকার বাইরের পরীক্ষার জন্য মাগুরা শহরে যেতে হয়।
এক প্রোফাইলে এফসিপিএস, আরেকটিতে হেমাটোলজিতে এমডি লেখা। কীভাবে পড়ব?
দুটোকেই রক্তের রোগে স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণ হিসেবে পড়ুন, ডিগ্রির ধরন শুধু আলাদা। এরপর প্রতিটি প্রোফাইলের বসার দিন আর চর্চার বছর তুলনা করুন।
শালিখা থেকে শহরের বসায় কী সঙ্গে নেব?
তারিখ অনুযায়ী সাজানো গণনার রিপোর্ট, শালিখার ক্লিনিকের নোট আর বাসায় খাওয়া ওষুধের লিখিত তালিকা নিন।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.