সেরা রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ - কালিয়াকৈর

কালিয়াকৈর গাজীপুর জেলার একটি শিল্পঘেঁষা উপজেলা শহর, সাফিপুর ও চন্দ্রা এলাকার পোশাক কারখানা ঘিরেই এখানকার জীবন চলে। কারখানার শ্রমিকদের পাশাপাশি আশপাশের গ্রামের পুরনো চাষি পরিবারও এখানে থাকেন। কালিয়াকৈরে রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ রক্তস্বল্পতা, রক্ত জমাট বাঁধার গড়মিল, প্লাটিলেটের সমস্যা ও রক্তের ক্যানসারের চিকিৎসা করেন। প্রাথমিক রক্ত গণনা কারখানার ফটকের কাছের ও সাফিপুর সড়কের ধারের ডায়াগনস্টিক পয়েন্টগুলোতে হয়। বিশেষজ্ঞের বসা হয় গাজীপুর শহরে, চন্দ্রা মোড় থেকে বাসে সেখানে যাওয়া যায়। বসার আগের দিন রিপোর্ট সংগ্রহ করে রাখা যায়। প্রোফাইলগুলোতে চেম্বারের অবস্থান, বসার দিন আর ডিগ্রির তথ্য আলাদা করে সাজানো আছে। ছুটির দিনে কারখানা বন্ধ থাকায় পয়েন্টগুলোতে সেদিন ভিড় বেশি থাকে। নিজের শিফটের ছকের সঙ্গে মিলিয়ে নিচের প্রোফাইলগুলো থেকে বসা বেছে নিন।

1 available specialists found

Dr. Kallol Dey

Qualifications MBBS, BCS (Health), FCPS (Surgery), MS (Surgical Oncology)
অবস্থান মিরপুর, ঢাকা

প্রোফাইল খুলে প্রথমে যা মিলিয়ে দেখবেন

প্রোফাইলের ওপরের অংশে ডিগ্রির সারি থাকে। প্রতিটি ডাক্তারের মূল ডিগ্রি এমবিবিএস। রক্তের রোগের ওপরের প্রশিক্ষণ হেমাটোলজিতে এফসিপিএস অথবা এমডি হিসেবে লেখা থাকে। কালিয়াকৈরে রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ সাধারণত গাজীপুর শহরে বসেন, তাই বসার দিনটি নিজের সাপ্তাহিক রোস্টারের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। প্রোফাইলে চর্চার বছর ও ভর্তির জন্য সংযুক্ত হাসপাতালের তথ্যও থাকে। চেম্বারের ঠিকানা ও যোগাযোগের বিবরণ একই এন্ট্রির নিচে দেওয়া থাকে। বসার সময় জানতে প্রোফাইলের নম্বরটি ব্যবহার করা যায়।

কারখানার মেডিকেল রুম থেকে রেফার হয় যেসব কারণে

অনেক কারখানায় ছোট একটি মেডিকেল রুম থাকে, সেখানকার কর্মীরা রক্ত যাচাইয়ে পাঠানো শ্রমিকদের নোট রাখেন। রেফারের দিকে নেওয়া এন্ট্রিগুলোতে প্রায়ই থাকে:

  • পুরো শিফটজুড়ে থেকে যাওয়া ক্লান্তি
  • কাজের মধ্যে মাড়ি থেকে রক্ত আসা
  • বছরের যাচাইয়ে ধীরে কমতে থাকা হিমোগ্লোবিন
  • স্পষ্ট আঘাত ছাড়া বাহুতে কালশিটে
  • রাতের শিফটের পর ফিরে আসা জ্বর

মেডিকেল রুমের নোটটি চেম্বারে যাওয়ার সময় সঙ্গে থাকে। কারখানা থেকে আগেই দেওয়া ওষুধের নামও ওই নোটে লেখা থাকে। ছুটির দিনে যাচাই করালে রিপোর্ট হাতে পেয়ে বসার ছক ঠিক করা যায়।

কালিয়াকৈরে প্রথম নমুনা দেওয়ার জায়গা

কারখানার ফটকের কাছে, চন্দ্রা মোড়ে ও সাফিপুর সড়কের ধারে ডায়াগনস্টিক পয়েন্টগুলোতে প্রথম নমুনা নেওয়া হয়। একটি নমুনায় পূর্ণ গণনা, হিমোগ্লোবিন ও প্লাটিলেটের মান বের করা হয়। সকালের শিফটের শ্রমিকেরা কারখানায় যাওয়ার পথে নমুনা দিয়ে যান। বেশিরভাগ পয়েন্টে সন্ধ্যার মধ্যেই রিপোর্ট ছাপা হয়। ফিল্ম পড়ার দরকার হলে স্লাইড গাজীপুর শহরের ল্যাবে পাঠানো হয়। বর্ষাকালে চন্দ্রা এলাকার রাস্তায় পানি উঠলে যাতায়াতে সময় বেশি লাগে। নমুনা দেওয়ার সময় পয়েন্ট থেকে রিপোর্ট তোলার সময় জেনে নেওয়া যায়।

গাজীপুর ডিরেক্টরি ধরে তালিকা ছাঁটাই

জেলার সব উপজেলার প্রোফাইল একসঙ্গে আছে গাজীপুরের ডাক্তার পেজে। এই শহরের অস্ত্রোপচারের প্রোফাইল আছে কালিয়াকৈরে জেনারেল সার্জন পেজে।

জেলার তালিকা থেকে নিজের ছুটির দিনে পড়ে এমন দুটি বসা নোট করুন। পরের গণনা প্রথম নমুনা নেওয়া কালিয়াকৈরের পয়েন্টেই করান। প্রোফাইলের ঠিকানা দেখে গাজীপুর শহরের কোন অংশে চেম্বার তাও বোঝা যায়।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

রাতে শিফট শেষ হয়। নমুনা দেওয়ার সময় পাব কখন?

পরের শিফট শুরুর আগে ভোরে নমুনা দিন। কারখানার ফটকের কাছের পয়েন্টগুলো সকাল সকাল খোলে, রিপোর্ট সন্ধ্যায় হাতে পাওয়া যায়।

গরমের দিনে কারখানায় থাকতেই নাক দিয়ে রক্ত পড়ে। এটা কি রক্তের সমস্যা?

বারবার নাকের রক্তপাত প্লাটিলেট বা জমাটের গড়মিলের লক্ষণ হতে পারে। সাফিপুর সড়কের পয়েন্টে পূর্ণ গণনা করানোই প্রথম যাচাই।

গাজীপুর শহরের বসায় যাব, নাকি কাছের বসার অপেক্ষা করব?

গাজীপুর শহরেই যান, এই উপজেলার নিয়মিত বিশেষজ্ঞ বসা সেখানেই হয়। চন্দ্রা থেকে বাসে গেলে সকালের মধ্যেই শহরের চেম্বারে পৌঁছানো যায়।

কারখানার মেডিকেল রুম থেকে চেম্বারে কী কাগজ নিয়ে যাব?

মেডিকেল রুমের নোট আর তারিখ দেওয়া সব গণনার রিপোর্ট সঙ্গে নিন। নোটে আগেই দেওয়া ওষুধের বিবরণ থাকে, যা চেম্বারের দেখা দরকার।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.