সেরা রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ - ঝিনাইগাতী

ঝিনাইগাতী শেরপুর জেলার একটি সীমান্ত উপজেলা, মেঘালয়ের দিকের গারো পাহাড়ের পাদদেশে এর অবস্থান। সোমেশ্বরী নদী উপজেলা শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে, বর্ষায় পাহাড়ি ঝরনা সড়ক পেরিয়ে নামে। ঝিনাইগাতীতে রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ রক্তস্বল্পতা, প্লাটিলেটের সমস্যা, রক্তক্ষরণের জটিলতা ও রক্তের ক্যানসারের চিকিৎসা দেন। প্রথম গণনা নেওয়া হয় উপজেলা শহরের ডায়াগনস্টিক কেন্দ্রগুলোতে। এসব কেসের জেলা বসা হয় শেরপুর শহরে। জেলা ধাপে কাজ না হলে ময়মনসিংহে বিস্তৃত সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়। পাহাড়ের গ্রাম থেকে রোগীরা বাসে বা শেয়ার অটোতে শহরে নামেন। প্রতিটি প্রোফাইলে বসার দিন, চেম্বারের ঠিকানা ও লিপিবদ্ধ ডিগ্রি দেওয়া আছে। গ্রাম থেকে ছাড়া বাসের দিনের সঙ্গে মিলিয়ে নিচের প্রোফাইলগুলো থেকে একটিকে নির্বাচন করুন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

পাহাড়পাদ শহরে প্রথম গণনা

উপজেলা শহরেই রয়েছে ঝিনাইগাতীর রোগীদের প্রথম নমুনা দেওয়ার ডায়াগনস্টিক কেন্দ্রগুলো। সেখানে পূর্ণ গণনা চালানো হয়, একই নমুনা থেকে ফিল্ম তৈরি হয়। সোমেশ্বরীর ধারের ও পাহাড়ের নিচের গ্রামগুলো থেকে রোগীরা বাসে ও শেয়ার অটোতে শহরে আসেন। বর্ষায় ফুলে ওঠা পাহাড়ি ঝরনা শহরে ঢোকার সড়ক ধীর করে দিতে পারে। সকালের নমুনার রিপোর্ট সাধারণত সন্ধ্যার আগেই হাতে পাওয়া যায়। সীমান্তের হাটের দিনে কেন্দ্রগুলোতে আশপাশের গ্রামের রোগীর ভিড় বাড়ে। শহরের কেন্দ্রগুলো হাট এলাকা ও বাস স্ট্যান্ডের কাছাকাছি অবস্থিত। পাহাড়ি এলাকার কিছু গ্রাম থেকে রোগী পায়ে হেঁটে সড়ক পর্যন্ত আসেন।

শেরপুর শহরে পাঠানো ফলাফল

উপজেলার রিপোর্টে কেসের নিষ্পত্তি না হলে কিংবা কোর্সে কোনো বদল না দেখা গেলে জেলা শহরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। ঝিনাইগাতীতে লেখা নোটে সাধারণত যেসব বিষয় থাকে:

  • পাহাড়ের জমিতে কাজের সময় বাড়তে থাকা দুর্বলতা
  • সকালে ও রাতে নজরে আসা মাড়ির রক্তক্ষরণ
  • ল্যাবের সীমার অনেক ওপরে থাকা শ্বেতকণিকার মান
  • ক্রমশ বড় হতে থাকা ঘাড়ের গাঁট
  • দুই মাস ধরে ধাপে ধাপে ফিরে আসা জ্বর

রেফার নোটে দুটি রিপোর্টের তারিখই লেখা থাকে। ফিল্মের স্লাইড মুড়ে রোগীর সঙ্গে জেলা চেম্বারে পাঠানো হয়। স্লাইড ভাঙলে নতুন নমুনা নিতে আবার শহরে যেতে হয়।

শেরপুর যাওয়ার আগে যা যাচাই করবেন

প্রোফাইলের শুরুতেই ডিগ্রির লাইনগুলো পড়ে নিন। তালিকার প্রতিটি চিকিৎসকের মূল ডিগ্রি এমবিবিএস। বিশেষজ্ঞ যোগ্যতা হেমাটোলজিতে এফসিপিএস বা এমডি হিসেবে দেখানো হয়। ঝিনাইগাতীতে রক্তরোগ বিশেষজ্ঞকে শেরপুর শহরের জেলা বসায় দেখা হয়, তাই চেম্বারের দিনই পাহাড় থেকে বাসের ছক ঠিক করে। প্রোফাইলে থাকা চর্চার বছর রক্তের রোগ নিয়ে অভিজ্ঞতা বোঝায়। বিছানা দরকার হলে ভর্তির জন্য যুক্ত হাসপাতালের নাম সংযুক্তির অংশে থাকে। চেম্বার কোন ভবনে বসে, ঠিকানায় সে বিবরণও থাকে।

ঝিনাইগাতী থেকে শেরপুর ডিরেক্টরিতে খোঁজা

পুরো জেলার প্রোফাইল একসঙ্গে রাখা আছে শেরপুরের ডাক্তার পেজে। এই উপজেলার সঙ্গে যুক্ত অস্ত্রোপচারের প্রোফাইল আছে ঝিনাইগাতীতে জেনারেল সার্জন পেজে।

প্রোফাইলগুলো খুলে উপজেলা শহর থেকে সকালের বাসের সঙ্গে মেলে এমন বসার দিন চিহ্নিত করুন। কোর্সের পরের গণনা ঝিনাইগাতীর একই কেন্দ্রে নেওয়া উচিত, যাতে মানগুলো তুলনীয় থাকে। পাহাড়ি সড়কের যাত্রার জন্য রিপোর্ট ও স্লাইড পানিরোধী ফোল্ডারে রাখুন। নতুন রিপোর্ট তৈরি হলে চেম্বারে ফোন করে জানিয়ে দেওয়া যায়। বসার দিন বদলালে প্রোফাইলে হালনাগাদ তথ্য দেখা যায়।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

পাহাড়ের জমিতে কাজ করলেই আমার দুর্বল লাগে। রক্তের সমস্যা হতে পারে?

হতে পারে, পাহাড়ি কাজে বাড়া দুর্বলতা ঝিনাইগাতীর রেফার নোটে থাকে। আগে উপজেলা শহরের কেন্দ্রে পূর্ণ গণনা করিয়ে নিন।

আমার রক্তের ফিল্ম শেরপুরের চেম্বারে পৌঁছাবে কীভাবে?

স্লাইডগুলো মুড়ে আপনার সঙ্গেই জেলা চেম্বারে যায়। রেফার নোটে আগেই দুটি রিপোর্টের তারিখ লেখা থাকে।

বর্ষার ঝরনা কি শেরপুর যাওয়ার দিন বদলে দিতে পারে?

পারে, ফুলে ওঠা ঝরনা শহরে ঢোকার সড়ক ধীর করে দেয়। সে কারণে বেশিরভাগ রোগী সকালের যাত্রা ঠিক করেন।

শেরপুরের প্রোফাইলে সবার আগে কী দেখব?

বসার দিন দেখুন, সেটাই পাহাড় থেকে বাসের ছক ঠিক করে। তারপর এমবিবিএসের পাশে এফসিপিএস বা এমডির সারি মিলিয়ে নিন।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.