সেরা রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ - যাত্রাবারী

যাত্রাবাড়ী ঢাকার দক্ষিণ প্রবেশপথে অবস্থিত একটি ব্যস্ত এলাকা, চট্টগ্রামের দিক থেকে আসা মহাসড়ক এখানেই শহরের রাস্তায় মেশে। সারাদিন বাস, ট্রাক ও স্থানীয় যানবাহন ফ্লাইওভার মোড় দিয়ে চলাচল করে, চারপাশের গলিতে দোকান, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক কেন্দ্র রয়েছে। যাত্রাবাড়ীতে রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ রক্তস্বল্পতা, প্লাটিলেটের সমস্যা, রক্তপাতের জটিলতা ও রক্তের ক্যানসারের চিকিৎসা করেন। প্রথম গণনা নেওয়া হয় মোড়ের কাছের ও সায়েদাবাদের দিকে প্রধান সড়কের পাশের ডায়াগনস্টিক কেন্দ্রে। রক্তের কেসের বসা হয় এই এলাকার চেম্বারে এবং ঢাকা শহরের অন্যান্য অংশেও। মোড়ের আশপাশে ছোট বড় অনেক কেন্দ্রে সকাল থেকেই নমুনা নেওয়া হয়। প্রতিটি প্রোফাইলে চেম্বারের ঠিকানা, বসার দিন ও লিপিবদ্ধ যোগ্যতা দেওয়া আছে। তালিকাটি দেখে আপনার যাতায়াতের পথের কাছের প্রোফাইলটি বেছে নিন।

1 available specialists found

অধ্যাপক ডা. হুমায়রা নাজনীন

Qualifications এমবিবিএস (ডিএমসি), এফসিপিএস (হেমাটোলজি), আইএইচটিসি ফেলো
অবস্থান Gandaria, ঢাকা

যাত্রাবাড়ী মোড়ের আশপাশে পরীক্ষা

ফ্লাইওভার মোড়ের কাছে ও মহাসড়কের ধারের কেন্দ্রগুলো সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করে। কেন্দ্রেই পূর্ণ গণনা চালানো হয়, পাশেই ফিল্ম তৈরি করা হয়। ডেমরা, শ্যামপুর ও শহরের প্রান্তের আবাসিক এলাকা থেকে অনেক রোগী এখানে আসেন। চিকিৎসার জন্য বাসে ঢাকায় আসা যাত্রীদের কেউ কেউ শহরে ঢোকার আগে এখানেই প্রথম নমুনা দেন। রিপোর্ট সাধারণত সন্ধ্যার মধ্যেই হাতে পাওয়া যায়, ছাপানো কাগজে নমুনা নেওয়ার তারিখ ও সময় লেখা থাকে।

মোড়ের যানজট দিনের বিভিন্ন সময়ে বদলে যায় বলে অনেক পরিবার সকালের দিকে নমুনা দেওয়ার সময় ঠিক করেন। ফিরে আসা রোগীর আগের রিপোর্ট কেন্দ্রের ফাইলে থেকে যায়, যাতে পরের গণনা মেলানো সহজ হয়।

কেন্দ্রগুলোতে নমুনা দেওয়ার সময় আগের রিপোর্ট থাকলে তা দেখাতে বলা হয় অনেক ক্ষেত্রে। বিকেলের দিকে রিপোর্ট নেওয়ার ভিড় বাড়ে, কারণ সন্ধ্যার আগেই বেশিরভাগ কাগজ তৈরি হয়ে যায়। ছুটির দিনে কয়েকটি কেন্দ্র অর্ধেক বেলা খোলা থাকে, সময় জেনে আসা ভালো।

যেসব ফলে চেম্বারের বসা ঠিক হয়

নিয়মিত গণনা সীমার বাইরে থেকে গেলে বা স্থানীয় চিকিৎসার পরও লক্ষণ থেকে গেলে চেম্বারের বসার ব্যবস্থা হয়। যাত্রাবাড়ীর চিকিৎসকদের রেফার কাগজে সাধারণত যা লেখা থাকে:

  • কাজের দিনজুড়ে থেকে যাওয়া ক্লান্তি
  • বারবার নজরে আসা মাড়ির রক্তপাত
  • তারিখ দেওয়া দুটি রিপোর্টের মাঝে প্লাটিলেট কমে যাওয়া
  • ক্ষুধা কমে যাওয়াসহ সন্ধ্যায় ওঠা জ্বর
  • কোনো আঘাত ছাড়াই হাতে কালশিটে পড়া

তিনটি মাসিক গণনাজুড়ে হিমোগ্লোবিন কমতে থাকলেও সেই তথ্য নোটে লেখা থাকে। আগের শহরের রিপোর্ট থাকলে রেফার করা চিকিৎসক তা সঙ্গে জুড়ে দেন।

ঢাকার চেম্বারের প্রোফাইলে যা পড়বেন

প্রোফাইলে প্রথমে পড়ার বিষয় হলো ডিগ্রির তালিকা। ভিত্তি ডিগ্রি হিসেবে এমবিবিএস থাকে, আর বিশেষজ্ঞ ধাপে হেমাটোলজিতে এফসিপিএস বা এমডি দেখানো হয়। যাত্রাবাড়ীতে রক্তরোগ বিশেষজ্ঞকে এই এলাকার চেম্বারেও দেখা যায়, আবার শহরের ভেতরের দিকের চেম্বারেও, তাই ঠিকানা দেখে যানজটের সময় ধারণা করা যায়। ঠিকানার পাশেই বসার দিন ও সময় ছাপা থাকে। চর্চার বছর রক্তের রোগ নিয়ে অভিজ্ঞতার হিসাব দেয়। সংযুক্তির লাইনে ওই প্রোফাইলের অধীনে ভর্তির ব্যবস্থা হয় এমন হাসপাতালের নাম থাকে।

ঢাকা ডিরেক্টরি থেকে খোঁজা

রাজধানীজুড়ে প্রোফাইল তালিকাভুক্ত আছে ঢাকার ডাক্তার পেজে। এই এলাকার অস্ত্রোপচারের প্রোফাইল দেখা যায় যাত্রাবাড়ীতে জেনারেল সার্জন পেজে।

শহরের পেজ থেকে নিজের দিকের চেম্বার পড়ে এমন প্রোফাইলগুলো খুলুন। পরের গণনা প্রথম নমুনা নেওয়া যাত্রাবাড়ীর কেন্দ্রেই রাখুন, যাতে ধারাটি একই পদ্ধতিতে এগোয়। রওনা দেওয়ার আগে চেম্বারে ফোন করে নিন, মোড়ের যানজটে পৌঁছাতে দেরি হতে পারে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

যাত্রাবাড়ীতে প্রথম গণনা কোথায় হয়?

মোড়ের কাছের বা প্রধান সড়কের পাশের কোনো ডায়াগনস্টিক কেন্দ্রে। ফিল্মও সেই কেন্দ্রেই তৈরি হয়।

রক্তের বসা কি ঢাকা শহরের ভেতরেই হয়?

হ্যাঁ। এই এলাকার চেম্বার শহরের ভেতরেই, যাত্রাবাড়ীতে বা শহরের অন্য অংশে।

পরের গণনা একই কেন্দ্রে রাখা হয় কেন?

একটি কেন্দ্র একটি পদ্ধতি ব্যবহার করে, তাই ধারার প্রতিটি পাঠ তুলনীয় থাকে।

চেম্বারে যাওয়ার সময় কী নেবেন?

রেফার কাগজ, তারিখের ক্রমে সব গণনা, আর প্রতিদিনের ওষুধের লিখিত তালিকা।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.