সেরা রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ - গাজীপুর সদর

গাজীপুর সদর জেলার প্রধান শহর, ঢাকা থেকে উত্তরে টঙ্গী আর জয়দেবপুরের দিকে বিস্তৃত শিল্প এলাকার মাঝখানে এর অবস্থান। কারখানার শ্রমিক, শিক্ষার্থী আর সদরের ইউনিয়নের পরিবারগুলো প্রথম রক্ত পরীক্ষার জন্য এখানকার ডায়াগনস্টিকেই আসেন। গাজীপুর সদরে রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ এই এলাকার অধীনে তালিকাভুক্ত রোগীদের রক্তস্বল্পতা, প্লাটিলেটের সমস্যা, রক্তপাতের জটিলতা ও রক্তের ক্যানসারের চিকিৎসা করেন। ছোট উপজেলার চেয়ে এখানে পার্থক্য হলো সদরের নিজের চেম্বার আছে, ফলে বেশিরভাগ বসা শহরের ভেতরেই হয়। বসার আগে মান আর ফিল্ম শহরের ডায়াগনস্টিকে তৈরি হয়। জেলার ধাপে না মেলা কাজের জন্য ঢাকা পেছনের ধাপ হিসেবে থাকে। কারখানার ছুটির দিনে বসা মিললে যাতায়াত সহজ হয়। প্রোফাইলে চেম্বারের দিন দেখে নিচের তালিকা থেকে বেছে নিন।

1 available specialists found

ডাঃ মো. তালহা ইসলাম

Qualifications এমবিবিএস (এসএসএমসি), এমডি (হেমাটোলজি)
অবস্থান গাজীপুর সদর, গাজীপুর

নিজের চেম্বার থাকা জেলা শহর

গাজীপুর সদর জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র, এর চেম্বারগুলো শহরের ওয়ার্ড আর আশপাশের ইউনিয়ন দুটোকেই সেবা দেয়। পোশাক ও অন্যান্য কারখানার কর্মীদের নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা শহরের ডায়াগনস্টিকগুলোতে বড় অংশ জুড়ে থাকে। সকালে দেওয়া নমুনার রিপোর্ট সাধারণত সেদিনই মেলে। একই নমুনা থেকে ফিল্ম তৈরি হয় বলে মান আর ফিল্ম এক রেকর্ড হয়ে চেম্বারে পৌঁছায়। বেশিরভাগ কোর্সের ধাপ এই স্থানীয় বসাতেই ঠিক হয়ে যায়। শহরের মূল সড়কের ধারের ল্যাবগুলোতে সন্ধ্যার দিকেও নমুনা নেওয়া হয়।

যে রিপোর্টে রোগী সদরের চেম্বারে আসেন

আয়রনের কোর্স শেষেও হিমোগ্লোবিনের মান নিচে থেকে যাওয়া এখানে বসার একটি চেনা কারণ। বসা থেকে বসায় মানের ওঠানামাও বিশেষজ্ঞের পাঠ চায়। মাড়ি থেকে রক্ত আসা, আঘাত ছাড়া ওঠা কালশিটে আর সপ্তাহ ধরে গলায় ফুলে থাকা গ্রন্থি একই তালিকায় থাকে। দুই রিপোর্টে প্লাটিলেট কমে গেলে অপেক্ষা না করে চেম্বারে দেখানো উচিত। মাঝে মাঝে ফিরে আসা জ্বরের সঙ্গে ওজন কমাও একইভাবে লেখা থাকে। বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে ক্ষুধা কমে যাওয়া আর ঘুমের ব্যাঘাতও সঙ্গে লেখা হয়।

সদরের বিশেষজ্ঞের প্রোফাইলে যা থাকা চাই

আগে যোগ্যতার অংশটি খুলুন। সেখানে সবার আগে এমবিবিএস থাকবে, তারপরে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি হিসেবে হেমাটোলজিতে এফসিপিএস বা এমডি। গাজীপুর সদরে রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ শহরের ভেতরেই বসেন, তাই চেম্বারের ঠিকানা আর বসার দিনই সফরের আকার ঠিক করে। ডিগ্রির পাশে ছাপা চর্চার বছর অভিজ্ঞতার মাপ দেয়। সংযুক্ত হাসপাতালের লাইন শেষ যাচাই, সেই ডাক্তারের অধীনে ভর্তি কোথায় হয় তা সেখানে লেখা থাকে। বসার ফি আর রিপোর্ট দেখার নিয়ম প্রোফাইলে দেওয়া নম্বরে ফোন করে জেনে নেওয়া যায়।

গাজীপুর ডিরেক্টরিতে তালিকা খোঁজা

জেলার সব তালিকা একত্রে রয়েছে গাজীপুরের ডাক্তার পেজে। সদরের অস্ত্রোপচারের তালিকা রাখা আছে গাজীপুর সদরে জেনারেল সার্জন পেজে।

আগের রিপোর্টগুলো তারিখের ক্রমে সাজিয়ে বসায় নিয়ে যান, পুরনোটি সবার আগে। মাঝের মানগুলো শহরের একই ডায়াগনস্টিকে নিন, যাতে প্রতিটি সংখ্যা প্রথমটির মাপের সঙ্গে মেলে। পুরো কোর্সের জন্য একটি ফোল্ডার রাখুন, প্রতি পর্যালোচনায় সেটি সঙ্গে আনুন। দুই পর্যালোচনার মাঝে রক্তপাত শুরু হলে সেদিনই ফোন করে গাজীপুর সদরে রক্তরোগ বিশেষজ্ঞের চেম্বারে জানান। রিপোর্টের ছবি ফোনে তুলে রাখলে ফোল্ডার সঙ্গে না থাকলেও ধারাটি দেখানো যায়।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

বসা কি গাজীপুর সদরের ভেতরেই হয়?

হয়। সদরের নিজের চেম্বার আছে, বসার আগে প্রথম মান শহরের ডায়াগনস্টিকে নেওয়া হয়। সন্ধ্যার বসার জন্য বিকেলেই মান দেওয়া যায়।

কেস কখন ঢাকায় যায়?

কোর্সে সদরের ধাপে নেই এমন সুবিধা লাগলে। সদরের চেম্বার রেফারেল তৈরি করে, ফোল্ডার রোগীর সঙ্গেই যায়।

প্রথম ফোল্ডারে কোন কাগজ থাকবে?

তারিখসহ সবচেয়ে আগের মান ও তার ফিল্ম, হয়ে থাকলে আয়রনের ফল, আর নাম ধরে লেখা প্রতিদিনের ওষুধ। পুরনো প্রেসক্রিপশনও পেছনে রাখুন।

মাঝের মান কোথায় নেওয়া হবে?

প্রথম মান নেওয়া শহরের ডায়াগনস্টিকেই। একটি ল্যাবের ধারা থাকলে প্রতিটি পাঠ এক মাপে থাকে।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.