Skip to content
Home » Blog » হার্ট ব্লক হওয়ার লক্ষণ? জানুন কারণ ও প্রতিকার

হার্ট ব্লক হওয়ার লক্ষণ? জানুন কারণ ও প্রতিকার

হার্ট ব্লক হওয়ার লক্ষণ

আপনার কি প্রায়ই ক্লান্তি লাগে? অল্প পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে যান? অথবা মাথা ঘুরে ওঠার মতো অনুভূতি হয়? এগুলো কিন্তু হার্ট ব্লকের লক্ষণ হতে পারে। হার্ট ব্লক মানে হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক সংকেত চলাচলে বাধা। সময় থাকতে এই বিষয়ে জানা ও সচেতন থাকা আপনার জন্য জরুরি।

Table of Contents

হার্ট ব্লক কী?

হার্ট ব্লক হলো হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক সংকেত (Electrical signals) চলাচলে বাধা। আমাদের হৃদপিণ্ড একটি নির্দিষ্ট ছন্দে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়, যা বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। এই সংকেতগুলো হৃদপিণ্ডের এক অংশ থেকে অন্য অংশে যাওয়ার সময় কোনো কারণে বাধা পেলে, তাকে হার্ট ব্লক বলে। Medicover Hospitals-এর তথ্য অনুযায়ী, এই ব্লকের কারণে হৃদস্পন্দনের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হয়।

হার্ট ব্লক কেন হয়?

হার্ট ব্লক বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যেমন:

  • হৃদরোগ: হৃদরোগের কারণে হৃদপিণ্ডের পেশী দুর্বল হয়ে গেলে এমন হতে পারে।
  • জন্মগত ত্রুটি: জন্ম থেকেই কারো হৃদপিণ্ডে ত্রুটি থাকলে হার্ট ব্লক হতে পারে।
  • বয়স: বয়স বাড়ার সাথে সাথে হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা কমতে থাকলে হার্ট ব্লক হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
  • অন্যান্য কারণ: কিছু ওষুধ, সংক্রমণ বা অন্য কোনো স্বাস্থ্য সমস্যার কারণেও হার্ট ব্লক হতে পারে।

হার্ট ব্লকের প্রকারভেদ

হার্ট ব্লক মূলত তিন ধরনের হয়ে থাকে:

হার্টের ধমনী ব্লক হয়েছে কি না ...
Image Credit: jagonews24.com
  1. প্রথম ডিগ্রী হার্ট ব্লক: এক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক সংকেত ধীরে চলে, কিন্তু পৌঁছাতে পারে। সাধারণত এর তেমন কোনো লক্ষণ থাকে না।
  2. দ্বিতীয় ডিগ্রী হার্ট ব্লক: কিছু সংকেত পৌঁছাতে পারে, আবার কিছু পারে না। এর ফলে হৃদস্পন্দন অনিয়মিত হয়ে যায়।
  3. তৃতীয় ডিগ্রী বা সম্পূর্ণ হার্ট ব্লক: কোনো সংকেতই পৌঁছাতে পারে না। এটি সবচেয়ে গুরুতর অবস্থা এবং দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন। Apollo Hospitals-এর তথ্য অনুযায়ী, সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে এটি কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট পর্যন্ত গড়াতে পারে।

হার্ট ব্লক হওয়ার লক্ষণগুলো কী কী?

হার্ট ব্লকের লক্ষণগুলো ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে এবং ব্লকের ধরনের ওপর নির্ভর করে। কিছু সাধারণ লক্ষণ নিচে আলোচনা করা হলো:

সাধারণ লক্ষণসমূহ

  • ক্লান্তি: অল্প পরিশ্রমে অতিরিক্ত ক্লান্তি লাগা হার্ট ব্লকের একটি অন্যতম লক্ষণ। যদি আপনি দেখেন যে আগে যে কাজগুলো সহজে করতে পারতেন, এখন সেগুলো করতে গিয়ে হাঁপিয়ে যাচ্ছেন, তবে এটি চিন্তার কারণ হতে পারে।

  • মাথা ঘোরা: মাথা ঘোরা বা হালকা মাথা ব্যথা করাও হার্ট ব্লকের লক্ষণ হতে পারে। মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ কমে গেলে এমনটা হতে পারে।

  • ধড়ফড়: অনিয়মিত হৃদস্পন্দন বা বুক ধড়ফড় করা হার্ট ব্লকের একটি পরিচিত লক্ষণ। মনে হতে পারে হৃদপিণ্ডটি লাফাচ্ছে অথবা ছন্দ হারিয়ে ফেলেছে।

গুরুতর লক্ষণসমূহ

  • সিনকোপ (অজ্ঞান হওয়া): এটি হার্ট ব্লকের একটি গুরুতর লক্ষণ। বৈদ্যুতিক সংকেত সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেলে হঠাৎ করে অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন।

  • বুক ব্যথা: বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভব করা হার্ট ব্লকের কারণে হতে পারে। হৃদপিণ্ডে অক্সিজেনের অভাব হলে এমনটা ঘটে।

  • শ্বাসকষ্ট: বিশেষ করে শারীরিক কার্যকলাপের সময় শ্বাসকষ্ট হওয়া হার্ট ব্লকের একটি লক্ষণ। সামান্য হাঁটাহাঁটি করলেই যদি হাঁপিয়ে যান, তবে এটি হার্ট ব্লকের কারণে হতে পারে।

  • Bradycardia (ধীর হৃদস্পন্দন): হৃদস্পন্দনের হার অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়া, প্রতি মিনিটে ৬০-এর নিচে নেমে যাওয়া একটি গুরুতর লক্ষণ।

  • হঠাৎ দুর্বলতা: কোনো কারণ ছাড়াই শরীর দুর্বল লাগতে পারে।

অন্যান্য লক্ষণ

Bangla Tribune-এর একটি নিবন্ধে উচ্চ রক্তচাপ ও মাথাব্যথাকেও হার্ট ব্লকের লক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশেষ করে যখন এটি ধমনী ব্লকের সাথে জড়িত থাকে।

লক্ষণগুলো কীভাবে চিহ্নিত করবেন?

নিজের শরীরের প্রতি মনোযোগ দেওয়া খুবই জরুরি। কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন। নিচে একটি তালিকা দেওয়া হলো, যা আপনাকে লক্ষণগুলো সহজে মনে রাখতে সাহায্য করবে:

লক্ষণ কখন দেখা যায়? কী করতে পারেন?
ক্লান্তি অল্প পরিশ্রমেও অতিরিক্ত ক্লান্তি বিশ্রাম নিন এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন
মাথা ঘোরা হঠাৎ করে মাথা ঘোরা বা হালকা লাগা ধীরে ধীরে বসুন বা শুয়ে পড়ুন এবং ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন
ধড়ফড় বুকের ভেতর অনিয়মিত স্পন্দন নাড়ি পরীক্ষা করুন এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন
সিনকোপ হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়া দ্রুত ডাক্তারের কাছে যান
বুক ব্যথা বুকে চাপ বা ব্যথা অনুভব করা জরুরি ভিত্তিতে ডাক্তারের পরামর্শ নিন
শ্বাসকষ্ট সামান্য পরিশ্রমেও শ্বাসকষ্ট দ্রুত ডাক্তারের কাছে যান
ধীর হৃদস্পন্দন হৃদস্পন্দন মিনিটে ৬০-এর কম ডাক্তারের পরামর্শ নিন

হার্ট ব্লক নির্ণয়

হার্ট ব্লকের লক্ষণ দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। রোগ নির্ণয়ের জন্য ডাক্তার সাধারণত নিম্নলিখিত পরীক্ষাগুলো করতে পারেন:

হার্টে ব্লক কেন হয়, যা করতে পারেন ...
Image Credit: ournewsbd.net
  • ইসিজি (ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম): এটি হৃদপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করে এবং ব্লকের ধরণ ও তীব্রতা নির্ণয় করতে সাহায্য করে।
  • হোল্টার মনিটর: এটি একটি পোর্টেবল ইসিজি ডিভাইস, যা ২৪-৪৮ ঘণ্টা ধরে হৃদপিণ্ডের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করে।
  • ইকোকার্ডিওগ্রাম: এই পরীক্ষায় শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে হৃদপিণ্ডের ছবি তৈরি করা হয়, যা হৃদপিণ্ডের গঠন এবং কার্যকারিতা মূল্যায়ন করতে সাহায্য করে।
  • ব্লাড টেস্ট: কিছু ক্ষেত্রে, রক্তের পরীক্ষা করে হৃদরোগের অন্যান্য কারণগুলো খুঁজে বের করা হয়।

চিকিৎসা

হার্ট ব্লকের চিকিৎসা ব্লকের ধরণ ও তীব্রতার ওপর নির্ভর করে। কিছু সাধারণ চিকিৎসা পদ্ধতি নিচে উল্লেখ করা হলো:

  • মেডিকেশন: কিছু ক্ষেত্রে, ওষুধ দিয়ে হৃদস্পন্দনের হার নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
  • পেসমেকার: এটি একটি ছোট ডিভাইস, যা হৃদপিণ্ডে বসানো হয় এবং বৈদ্যুতিক সংকেত তৈরি করে হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখে। তৃতীয় ডিগ্রী বা সম্পূর্ণ হার্ট ব্লকের ক্ষেত্রে পেসমেকার বসানো প্রায়শই জরুরি হয়ে পড়ে।

জীবনযাত্রায় পরিবর্তন

চিকিৎসার পাশাপাশি জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি। এগুলো আপনার হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে সহায়ক হবে:

  • স্বাস্থ্যকর খাবার: প্রচুর ফল, সবজি এবং শস্য জাতীয় খাবার গ্রহণ করুন। ফাস্ট ফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার পরিহার করুন।
  • নিয়মিত ব্যায়াম: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিটের জন্য ব্যায়াম করুন। এটি হৃদপিণ্ডকে শক্তিশালী রাখতে সহায়ক।
  • ধূমপান পরিহার: ধূমপান হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়, তাই এটি পরিহার করা উচিত।
  • ওজন নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত ওজন হৃদপিণ্ডের ওপর চাপ সৃষ্টি করে, তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।
  • মানসিক চাপ কমানো: যোগা ও মেডিটেশনের মাধ্যমে মানসিক চাপ কমানো যায়।

হার্ট ব্লক থেকে বাঁচতে কিছু টিপস

  • নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা: বছরে একবার হলেও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো উচিত।
  • ডাক্তারের পরামর্শ: কোনো লক্ষণ দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
  • সুষম খাদ্য গ্রহণ: স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন এবং ফাস্ট ফুড পরিহার করুন।
  • সক্রিয় জীবনযাপন: প্রতিদিন কিছু সময়ের জন্য ব্যায়াম করুন।

হার্ট ব্লক এবং হৃদরোগের মধ্যে সম্পর্ক

হার্ট ব্লক এবং হৃদরোগ একে অপরের সাথে সম্পর্কিত। হৃদরোগের কারণে হার্ট ব্লক হতে পারে, আবার হার্ট ব্লকের কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই, হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করা জরুরি।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে কী করবেন?

  • রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করুন এবং নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
  • কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ: কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন এবং প্রয়োজনে ওষুধ সেবন করুন।
  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: ডায়াবেটিস থাকলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
  • ধূমপান পরিহার: ধূমপান হৃদরোগের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম, তাই এটি পরিহার করুন।
  • নিয়মিত ব্যায়াম: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিটের জন্য ব্যায়াম করুন।

FAQ (প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী)

হার্ট ব্লক নিয়ে আপনার মনে কিছু প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক। নিচে কয়েকটি সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো:

Heart Blocks || হার্ট ব্লকের লক্ষণ ও ...
Image Credit: youtube.com

১. হার্ট ব্লক কি বংশগত?

কিছু ক্ষেত্রে, হার্ট ব্লক বংশগত হতে পারে, বিশেষ করে জন্মগত ত্রুটির কারণে। যদি আপনার পরিবারের কারো হার্ট ব্লকের ইতিহাস থাকে, তবে আপনার ঝুঁকি কিছুটা বাড়তে পারে। তবে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি বংশগত নয়, বরং জীবনযাপন ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে হয়ে থাকে।

২. হার্ট ব্লক হলে কি সবসময় পেসমেকার লাগে?

সব ক্ষেত্রে পেসমেকার প্রয়োজন হয় না। প্রথম ডিগ্রী হার্ট ব্লকের ক্ষেত্রে সাধারণত চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। দ্বিতীয় ডিগ্রী হার্ট ব্লকের কিছু ক্ষেত্রে ওষুধ দিয়ে কাজ হতে পারে। তবে, তৃতীয় ডিগ্রী বা সম্পূর্ণ হার্ট ব্লকের ক্ষেত্রে পেসমেকার বসানো প্রায়শই জরুরি হয়ে পড়ে।

৩. হার্ট ব্লকের লক্ষণগুলো কি অন্য রোগের সাথে মিলে যায়?

হ্যাঁ, হার্ট ব্লকের কিছু লক্ষণ, যেমন ক্লান্তি ও মাথা ঘোরা, অন্য অনেক রোগের সাথে মিলে যায়। তাই, সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। ইসিজি (ECG) পরীক্ষার মাধ্যমে সাধারণত হার্ট ব্লক নির্ণয় করা হয়।

৪. হার্ট ব্লক কি প্রতিরোধ করা সম্ভব?

কিছু ক্ষেত্রে হার্ট ব্লক প্রতিরোধ করা সম্ভব। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, নিয়মিত ব্যায়াম, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং ধূমপান পরিহার করে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোর মাধ্যমে হার্ট ব্লক প্রতিরোধ করা যেতে পারে।

৫. হার্ট ব্লক হলে কি স্বাভাবিক জীবনযাপন করা যায়?

সঠিক চিকিৎসা ও জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনার মাধ্যমে হার্ট ব্লক আক্রান্ত ব্যক্তি স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। পেসমেকার বসানোর পর অনেকেই স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন। তবে, ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলা এবং নিয়মিত ফলো-আপ করা জরুরি।

৬. হার্ট ব্লক এর কারণে কি বুকে ব্যাথা হয়?

হ্যাঁ, বুকে ব্যাথা হতে পারে। হার্ট ব্লকের কারণে হৃদপিণ্ডে অক্সিজেনের অভাব হলে বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভব হতে পারে। যদি বুকে চাপ বা ব্যথা অনুভব করেন, তবে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

৭. হার্ট ব্লক এর কারণে শ্বাসকষ্ট হয় কি?

শারীরিক কার্যকলাপের সময় শ্বাসকষ্ট হওয়া হার্ট ব্লকের একটি লক্ষণ। সামান্য হাঁটাহাঁটি করলেই যদি হাঁপিয়ে যান, তবে এটি হার্ট ব্লকের কারণে হতে পারে।

শেষ কথা

হার্ট ব্লক একটি গুরুতর সমস্যা, তবে সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা শুরু করলে জটিলতা এড়ানো সম্ভব। নিজের শরীরের প্রতি যত্ন নিন, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান এবং কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন। সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।

এই ব্লগটি আপনার সামান্যতম উপকারে আসলে, আমাদের প্রচেষ্টা সার্থক হবে। আপনার কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকলে, নিচে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আপনার সুস্থতাই আমাদের কাম্য।